সংগৃহীত
পবিত্র ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন দীর্ঘ অবকাশ শেষে রোববার (৭ জুন) থেকে দেশের সরকারি-বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে পুনরায় শুরু হচ্ছে পাঠদান কার্যক্রম। টানা ১৬ দিনের ছুটি শেষে শ্রেণিকক্ষে ফিরবে লাখো শিক্ষার্থী।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত ২০২৬ সালের শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী, ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন অবকাশ উপলক্ষে গত ২৪ মে থেকে এসব প্রতিষ্ঠানে ছুটি শুরু হয়। নির্ধারিত ছুটি শেষে ৫ ও ৬ জুন সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় আগামীকাল রোববার থেকে শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে শুরু হচ্ছে।
শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী, প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও কারিগরি পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা সরকারি ছুটির সঙ্গে সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে টানা ১৬ দিনের অবকাশ উপভোগ করেছে। ২১ মে ছিল এসব প্রতিষ্ঠানের শেষ কার্যদিবস। পরদিন সাপ্তাহিক ছুটি শুরু হওয়ায় শিক্ষার্থীরা কার্যত ২২ মে থেকেই ছুটির আমেজে মেতে ওঠে।
তবে মাদরাসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর ছুটি তুলনামূলকভাবে আরও দীর্ঘ হচ্ছে। আলিয়া, দাখিল, আলিম, ফাজিল ও কামিল স্তরের মাদরাসাগুলোতে ২৪ মে থেকে শুরু হওয়া ছুটি চলবে আগামী ১১ জুন পর্যন্ত। এরপর ১২ ও ১৩ জুন সাপ্তাহিক ছুটি শেষে ১৪ জুন রোববার থেকে পুনরায় শুরু হবে শ্রেণি কার্যক্রম।
ফলে মাদরাসার শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত ছুটি ও সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে প্রায় ২৩ দিনের দীর্ঘ অবকাশ ভোগের সুযোগ পাচ্ছে।
এদিকে জুন মাসে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হলেও আগামী জুলাই মাসে রয়েছে পরবর্তী উল্লেখযোগ্য ছুটি। শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী, ২৯ জুলাই আষাঢ়ি পূর্ণিমা উপলক্ষে একদিনের ছুটি থাকবে। এছাড়া ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’, ১২ আগস্ট আখেরি চাহার সোম্বা এবং ২৬ আগস্ট ঈদে মিলাদুন্নবি (সা.) উপলক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। সেপ্টেম্বর মাসেও শুভ জন্মাষ্টমী ও ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম উপলক্ষে নির্ধারিত ছুটি রয়েছে।
দীর্ঘ বিরতির পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে আবারও প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে আসবে বলে আশা করছেন শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।
বাংলাদেশেরখবর/আরকে

