জাতীয় মৎস্য পক্ষ পালিত
পবিপ্রবিতে র্যালি, আলোচনা সভা ও পোনা অবমুক্ত
পবিপ্রবি প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২৪ আগস্ট ২০২৬, ১৮:০৭
ছবি: সংগৃহীত
‘রুপালি মৎস্যে স্বনির্ভর দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) জাতীয় মৎস্য পক্ষ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র্যালি, আলোচনা সভা ও মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়েছে।
সোমবার (২৪ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টায় ফিশারিজ অনুষদের সামনে থেকে এক বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়। র্যালিটি ক্যাম্পাসের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে একাডেমিক ভবনের সামনে দিবসটি উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় ফিশারিজ অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. সাজেদুল হকের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এস. এম. হেমায়েত জাহান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এবিএম সাইফুল ইসলাম, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, রেজিস্ট্রার প্রফেসর মোহাম্মদ জামাল হোসেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এস এম হেমায়েত জাহান বলেন, বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ। আমাদের সংস্কৃতি,অর্থনীতি এবং পুষ্টির অন্যতম প্রধান উৎস্য হলো মৎস্য সম্পদ। আমরা যুগের পর যুগ ধরে নদীকে কেবল শাসন করতে চলেছি। বাঁধ দিয়ে,নদীর গতিপথ পরিবর্তন করে কিংবা পরিকল্পিত অবকাঠামো তৈরী করে নদীকে খাঁচায় বন্দী করার চেষ্টা করছি। এর ফলে নদীর স্বাভাবিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেএগুলো ধ্বংস হয়েছে, নদীর নাব্য কমেছে এবং এতে করে অনেক দেশীয় প্রজাতির মাছ বিলুপ্তির পথে।
তিতি বলেন, শুধুমাত্র নদীকে শাসন করলেই হবে না, মাছের চাহিদা পূরণে নদীকে লালন করতে হবে। এর অর্থ হলো নদীকে তার নিজস্ব গতিতে চলতে দেওয়া, নদীর যত্ন নেওয়া, নদীতে দুষণমুক্ত রাখা এবং মাছের প্রাকৃতিক অভয়ারণ্যগুলোকে রক্ষা করা। মাছ যখন নির্বিঘ্নে ডিম ছাড়ার পরিবেশ পাবে, তখনই আমাদের নদীগুলো আবার মাছে মাছে ভরে উঠবে।
তিনি আরও বলেন, উপকূলীয় অঞ্চলের নদী ও সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদ রক্ষায় আমাদের গবেষণা নতুন নতুন প্রযুক্তি ও টেকসই মৎস্য চাষের মডেল উদ্ভাবন করেছেন যা সরাসরি আমাদের জেলে ও চাষীদের মৎস্য উতপাদন বাড়াতে সাহায্য করবে। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের নীলকমল লেকে মাছের পোনা অবমুক্ত করেন প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিরা। এ সময় বিভিন্ন অনুষদের ডিন, শিক্ষক, কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশের খবর/আরইউ

