Logo

বিনোদন

যে কারণে রাজনীতি ছেড়েছেন মিমি চক্রবর্তী

Icon

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৯ জানুয়ারি ২০২৬, ১৬:৪১

যে কারণে রাজনীতি ছেড়েছেন মিমি চক্রবর্তী

টলিউডে সফল অভিনয়ের পাশাপাশি রাজনীতিতেও শক্ত অবস্থান গড়ে তুলেছিলেন মিমি চক্রবর্তী। ২০১৯ সালে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়ে যাদবপুর লোকসভা কেন্দ্র থেকে বিপুল ভোটে জয়ী হন তিনি। তবে সেই সফল রাজনৈতিক যাত্রা সত্ত্বেও ২০২৪ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি হঠাৎ করেই সক্রিয় রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন অভিনেত্রী। সেই সিদ্ধান্তের পেছনের কারণ নিয়ে তখন নানা প্রশ্ন উঠেছিল। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সেই রহস্যের জবাব দিলেন মিমি নিজেই।

মিমির ভাষ্য, রাজনীতি থেকে সরে আসার পর তিনি মানসিকভাবে অনেকটাই হালকা অনুভব করছেন। তিনি বলেন, ‘রাজনীতি মানেই প্রচুর সময় দেওয়া। কিন্তু ইন্ডাস্ট্রিতে নিয়মিত কাজ করার পর এতটা সময় আর হাতে থাকে না। শুধু কাজ নয়, আমার বাড়ি, বাবা-মা— সবকিছুর দায়িত্বও আমাকে সামলাতে হয়।’

অনেকের ধারণা, তার চারপাশে সব কাজ সামলানোর মতো লোকজন রয়েছেন— এই ভাবনাকেও ভুল বলে জানান তিনি। অভিনেত্রীর কথায়, ‘অনেকে মনে করেন আমি কিছুই করি না, সব কাজ অন্যরা করে দেয়। কিন্তু বাস্তবটা একেবারেই আলাদা। নিজের কাজ নিজেকেই করতে হয়। এমনকি বাবা যখন আমার কাছে থাকেন, তখন তার ওষুধ, চিকিৎসা— সবকিছুর দায়িত্বও আমার।’

রাজনীতির বাস্তব চাপের কথাও অকপটে স্বীকার করেছেন মিমি। তার মতে, ‘রাজনীতি মানেই আপনাকে সশরীরে অনেক জায়গায় উপস্থিত থাকতে হয়। দিনের পর দিন সময় কেটে যায়। রাজনীতি থেকে সরে এসে এখন আমি আমার অভিনয় আর তার সঙ্গে যুক্ত বিষয়গুলোতে অনেক বেশি মন দিতে পারছি।’

জীবনদর্শন নিয়েও স্পষ্ট মত প্রকাশ করেন অভিনেত্রী। তিনি বলেন, ‘জীবনে সময় খুব কম, আর জীবন একটাই। তাই তুমি কী করতে চাও, সেই সিদ্ধান্তটা তোমাকেই নিতে হবে।’

রাজনীতি থেকে সরে এলেও অভিনয়ে যে তিনি পুরোপুরি মনোযোগী, তার প্রমাণ মিলছে আসন্ন কাজেই। আগামী ২৩ জানুয়ারি মুক্তি পাচ্ছে উইন্ডোজ প্রযোজিত প্রথম হরর-কমেডি ছবি ‘ভানুপ্রিয়া ভূতের হোটেল’। অরিত্র মুখোপাধ্যায় পরিচালিত এই ছবিতে একঝাঁক তারকার সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় দেখা যাবে মিমি চক্রবর্তীকে। ছবিটি নিয়ে ইতিমধ্যেই দর্শকমহলে তৈরি হয়েছে বাড়তি আগ্রহ।

এস‌এসকে/

প্রাসঙ্গিক সংবাদ পড়তে নিচের ট্যাগে ক্লিক করুন

চলচ্চিত্র

Logo
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি মোস্তফা কামাল মহীউদ্দীন ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সৈয়দ মেজবাহ উদ্দিন প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ হাসনাত কাদীর