Logo

বিনোদন

‘জাভেদ পাকিস্তানি হলেও তিনি বাংলাদেশকে মনেপ্রাণে ভালোবাসতেন’

Icon

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশ: ২১ জানুয়ারি ২০২৬, ১৭:০৮

‘জাভেদ পাকিস্তানি হলেও তিনি বাংলাদেশকে মনেপ্রাণে ভালোবাসতেন’

বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ইতিহাসে যাদের অবদান আলাদা করে স্মরণ করা হয়, জাভেদ তাদের একজন। জন্ম পাকিস্তানে হলেও এই দেশের মানুষ, মাটি আর সংস্কৃতিকে আপন করে নিয়েছিলেন তিনি। জীবনের শেষ অধ্যায়ও লিখে গেলেন বাংলাদেশের মাটিতেই।

এদিকে প্রিয় বন্ধু ইলিয়াস জাভেদের মৃত্যুতে গভীরভাবে ভেঙে পড়েছেন নায়ক ও প্রযোজক সোহেল রানা। মৃত্যুসংবাদ পাওয়ার পর বন্ধুকে স্মরণ করে আবেগঘন প্রতিক্রিয়া জানান তিনি।

জাভেদের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে সোহেল রানা বলেন, জাভেদ তার খুব কাছের বন্ধু ছিলেন। একাধিক ছবিতে তিনি তার সঙ্গে কাজ করেছেন। অনেক সিনেমায় জাভেদ ছিলেন তার নৃত্যপরিচালক, এমনকি একটি ছবিতে অভিনয়ও করেছিলেন।

ব্যক্তি জাভেদকে স্মরণ করে সোহেল রানা বলেন, জাভেদ জন্মসূত্রে পাকিস্তানি হলেও বাংলাদেশকে মনেপ্রাণে ভালোবাসতেন। স্বাধীনতার পর তিনি এ দেশেই থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন এবং জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত বাংলাদেশের মানুষ ও শিল্পের সঙ্গে নিজেকে যুক্ত রেখেছিলেন। বন্ধুকে বিদায় জানিয়ে তিনি বলেন, শান্তিতে ঘুমাও বন্ধু, তোমাকে তিনি কখনও ভুলবেন না।

দীর্ঘদিন ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করে বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকালে মারা যান বাংলা সিনেমার সোনালি যুগের জনপ্রিয় অভিনেতা ও নৃত্যপরিচালক ইলিয়াস জাভেদ। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।

১৯৬৪ সালে উর্দু চলচ্চিত্র ‘নয়ি জিন্দেগি’ দিয়ে নায়ক হিসেবে চলচ্চিত্রে আত্মপ্রকাশ করেন জাভেদ। তবে ১৯৬৬ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘পায়েল’ সিনেমার পরই দর্শকদের কাছে তিনি পরিচিত মুখ হয়ে ওঠেন।

অভিনয়ের পাশাপাশি নৃত্যপরিচালক হিসেবেও তিনি ছিলেন সমানভাবে সক্রিয়। তার প্রকৃত নাম রাজা মোহাম্মদ ইলিয়াস। নৃত্য পরিচালনার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে যাত্রা শুরু হলেও পরবর্তীতে নায়ক হিসেবে শতাধিক সিনেমায় অভিনয় করেন তিনি। তার অভিনীত কাজের মধ্যে ‘নিশান’ চলচ্চিত্রটি বিশেষভাবে স্মরণীয়।

ইলিয়াস জাভেদের জন্ম ১৯৪৪ সালে ব্রিটিশ ভারতের পেশাওয়ারে। পরে তিনি সপরিবারে পাঞ্জাবে চলে যান। ১৯৮৪ সালে চিত্রনায়িকা ডলি চৌধুরীর সঙ্গে তার বিয়ে হয়।

বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে একজন নিবেদিতপ্রাণ শিল্পী হিসেবে ইলিয়াস জাভেদ স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।

এসএসকে/

Logo
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি মোস্তফা কামাল মহীউদ্দীন ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সৈয়দ মেজবাহ উদ্দিন প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ হাসনাত কাদীর