ঈদে আলোচনায় নির্মাতা নাজমুল ইভানের 'আউলা বাউলা'
বিনোদন প্রতিবেদন
প্রকাশ: ২০ মার্চ ২০২৬, ২১:০৩
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে প্রকাশের পর থেকেই ব্যাপক আলোচনায় রয়েছে নির্মাতা নাজমুল ইভান নির্মিত সংগীতচিত্র ‘আউলা বাউলা’। গানটি ইতিমধ্যে ইউটিউবের জনপ্রিয় তালিকায় স্থান করে নিয়ে দর্শকদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন আয়েশা মৌসুমী ও শোভন রায়। গানের কথা লিখেছেন সুলতানা ফেরদৌসী রিমা। সংগীতচিত্রে অভিনয় করেছেন অলংকার চৌধুরী ও রুহুল আমিন।
গানটি প্রকাশের আগে এক জমকালো সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়, যেখানে নির্মাতা ও সংশ্লিষ্ট কলাকুশলীরা উপস্থিত ছিলেন। ভিন্নধর্মী ধারণা ও শক্তিশালী চিত্র উপস্থাপনার কারণে শুরু থেকেই এটি দর্শকদের বিশেষ আগ্রহ কাড়ে।
প্রকাশের পর থেকেই বিভিন্ন অনলাইন মাধ্যমে গানটি ব্যাপক সাড়া ফেলেছে এবং দর্শকদের প্রশংসায় ভাসছে ‘আউলা বাউলা’। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ নানা প্ল্যাটফর্মে মিলছে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া। অনেকেই এর চিত্রায়ন, সংগীত ও নৃত্য উপস্থাপনাকে ব্যতিক্রমধর্মী ও আকর্ষণীয় বলে মন্তব্য করছেন।
গানটি প্রকাশিত হয়েছে এফ টিউন-এর ইউটিউব চ্যানেলে, যার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি তাদের যাত্রা শুরু করেছে। ইতোমধ্যে তারা আরও বড় বাজেটের বেশ কিছু কাজ সম্পন্ন করেছে, যা শিগগিরই মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে।
নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে নাজমুল ইভান বলেন, পুরো দল আবেগ ও ভালোবাসা নিয়ে কাজ করেছে, যার প্রতিফলন পর্দায় ফুটে উঠেছে। তিনি আরও বলেন, অন্যকে ‘আউলা বাউলা’ করার আগে নিজেকেই সেই অবস্থায় পৌঁছাতে হয়, আর তারা সেই চেষ্টাই করেছেন।
নৃত্য উপস্থাপনা প্রসঙ্গে তিনি জানান, এই অংশটি অত্যন্ত চমৎকার হয়েছে এবং বাংলাদেশে এমন উপস্থাপনা খুব কমই দেখা যায়। পরিকল্পনা, পরিশ্রম ও বাস্তবায়নের সমন্বয়ে এটি দর্শকদের জন্য নতুন এক চিত্র অভিজ্ঞতা তৈরি করবে।
সংগীতচিত্রে অলংকার চৌধুরী ও রুহুল আমিনের নৃত্য পরিবেশনা বিশেষভাবে প্রশংসিত হচ্ছে। তাদের শক্তি, অভিব্যক্তি ও উপস্থাপনাকে অনেকেই দেশের প্রেক্ষাপটে ব্যতিক্রমধর্মী হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
গানটির নৃত্য পরিচালনায় ছিলেন রোহান বিল্লাল ও ঢাকা ডান্স কোম্পানি। চিত্রগ্রহণে দায়িত্ব পালন করেছেন ইয়াসিন বিন আরিয়ান ও হেলাল খান আইরিশ।
নির্মাতা ও সংশ্লিষ্টদের বিশ্বাস, ‘আউলা বাউলা’ শুধু একটি সংগীতচিত্র নয়; এটি দর্শকদের জন্য নতুন অনুভূতি ও অভিজ্ঞতার দিগন্ত উন্মোচন করবে এবং বাংলা চিত্রনির্ভর কনটেন্টে নতুন মাত্রা যোগ করবে।
উল্লেখ্য, নাজমুল ইভান শুধু সংগীতচিত্র নির্মাণেই সীমাবদ্ধ নন; বাংলা নাটক জগতেও তিনি নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে ‘মায়া’ (২০২৩), ‘ব্যথার শহর’ (২০২৪) ও ‘সে যেন ভোলে না মোরে’। এছাড়া ‘কালাচান’, ‘হায়রে বারো মাস’, ‘পাগলা পাগলি’, ‘পানসুপারি’, ‘আগুন’ ও ‘মায়া কারে বলে’সহ একাধিক আলোচিত সংগীতচিত্র নির্মাণ করেছেন তিনি।

