Logo

বিনোদন

সংগ্রাম পেরিয়ে সাফল্য: হাফিজ বাউলার সংগীতযাত্রা ও প্রেরণার গল্প

Icon

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১১ এপ্রিল ২০২৬, ১৭:৩১

সংগ্রাম পেরিয়ে সাফল্য: হাফিজ বাউলার সংগীতযাত্রা ও প্রেরণার গল্প

সংগীতে নিজের জায়গা করে নিতে অনেক ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী ও সংগীত পরিচালক হাফিজ বাউলাকে। বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে আজ তিনি দেশের অন্যতম পরিচিত সংগীত ব্যক্তিত্ব। একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, শুরুর পথটা সহজ ছিল না—তবুও আজ দেশের মানুষের ভালোবাসাই তাকে সবচেয়ে বেশি আনন্দ দেয়।

হাফিজ বাউলার পুরো নাম মোঃ হাফিজুর রহমান। গাইবান্ধা জেলার ইসলামপুর গ্রামে তার জন্ম ও বেড়ে ওঠা। ছোটবেলা থেকেই গানপ্রেমী এই শিল্পী স্কুল ও স্থানীয় অনুষ্ঠানে নিয়মিত গান করতেন। বাবাকে হারানোর পর তার মা-ই ছিলেন প্রধান অনুপ্রেরণা। মাত্র সাত বছর বয়সে স্থানীয় ওস্তাদের কাছে সংগীতে হাতেখড়ি, এরপর উচ্চাঙ্গ সংগীতসহ নানা বিষয়ে তালিম গ্রহণ করেন।

২০০৮ সালে ‘পরানের বান্ধব’ গান দিয়ে সংগীতজগতে আত্মপ্রকাশ করেন তিনি এবং প্রথম অ্যালবামেই শ্রোতাদের মন জয় করেন। পরে ‘অশান্তির মাও মরেনাই’ গান তাকে আরও জনপ্রিয় করে তোলে। ২০১৬ সালে সংগীত পরিচালক হিসেবে নতুন যাত্রা শুরু করেন হাফিজ বাউলা।

বর্তমানে তার সুর ও কথায় চার হাজারের বেশি মৌলিক গান সৃষ্টি হয়েছে। তার কণ্ঠে প্রকাশ পেয়েছে প্রায় ৩৫০টি গান, যেগুলোর অনেকগুলোই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ট্রেন্ডিং। পাশাপাশি দেশের নামকরা গীতিকার ও শিল্পীদের সঙ্গে কাজ করে তিনি সংগীতাঙ্গনে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন।

সংগীতে অবদানের জন্য বিভিন্ন সংগঠন থেকে একাধিক সম্মাননা পেয়েছেন তিনি। চলতি বছর চ্যানেল আই সেরা লোক সঙ্গীতশিল্পী হিসেবে মনোনীত হওয়াও তার সাফল্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।

নিজের স্বপ্ন সম্পর্কে হাফিজ বাউলা বলেন, “সংগীত আমার রক্তে মিশে আছে। ভালো বাংলা গান করে যেতে চাই এবং একদিন এই গানকে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরতে চাই।”

সংগ্রাম থেকে সাফল্যের এই গল্প নতুন প্রজন্মের সংগীতপ্রেমীদের জন্য হয়ে উঠতে পারে এক বড় অনুপ্রেরণা।

Logo
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি মোস্তফা কামাল মহীউদ্দীন ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সৈয়দ মেজবাহ উদ্দিন