কাইলি জেনার
বিশ্বখ্যাত মার্কিন মডেল ও কসমেটিকস মোগল কাইলি জেনারের বিরুদ্ধে এবার কর্মক্ষেত্রে মানসিক নির্যাতন ও বর্ণবৈষম্যের অভিযোগ উঠেছে। কাইলির বাড়িতে কাজ করা সাবেক গৃহকর্মী অ্যাঞ্জেলিকা ভাজকুয়েজ এই জনপ্রিয় তারকার বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। তার দাবি, কাইলির বাড়িতে কাজ করার সময় তাকে নিয়মিত লাঞ্ছনা ও বৈষম্যের শিকার হতে হয়েছে।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর
থেকে ২০২৫ সালের আগস্ট পর্যন্ত কাইলি জেনারের হিডেন হিলসের বাড়িতে কর্মরত ছিলেন অ্যাঞ্জেলিকা।
তার অভিযোগ, কাজের প্রথম দিন থেকেই তাকে প্রতিকূল পরিবেশের মোকাবিলা করতে হয়েছে। সহকর্মী
ও প্রধান গৃহকর্মীর কাছ থেকে তিনি প্রতিনিয়ত তুচ্ছতাচ্ছিল্য ও অমানবিক আচরণের শিকার
হয়েছেন।
সালভাদোরান বংশোদ্ভূত ক্যাথলিক ধর্মাবলম্বী
অ্যাঞ্জেলিকা দাবি করেন, তার জাতিগত পরিচয় এবং ধর্মীয় বিশ্বাস নিয়ে নিয়মিত আপত্তিকর
মন্তব্য করা হতো। তাকে ইচ্ছাকৃতভাবে সবচেয়ে কঠিন ও বিরক্তিকর কাজগুলো দেওয়া হতো এবং
অন্যান্য সহকর্মীদের সামনে জনসমক্ষে অপমান করা হতো। এমনকি একবার এক সুপারভাইজার তার
দিকে হ্যাঙ্গার ছুড়ে মেরেছিলেন বলেও তিনি অভিযোগে উল্লেখ করেন।
অ্যাঞ্জেলিকা আরও জানান, এসব হয়রানির বিষয়ে
অভিযোগ জানালেও কোনো প্রতিকার পাননি তিনি; উল্টো তাকে উপহাস করা হয়েছে। মানসিকভাবে
বিধ্বস্ত হয়ে পড়ায় ২০২৫ সালের জুলাই মাসে তিনি অসুস্থতাজনিত ছুটি নেন এবং আগস্টে পদত্যাগ
করতে বাধ্য হন। তার দাবি, সেখানকার কাজের পরিবেশ এতটাই অসহনীয় হয়ে উঠেছিল যে চাকরি
ছাড়ার কোনো বিকল্প ছিল না।
বর্তমানে অ্যাঞ্জেলিকা তার বকেয়া বেতন,
চিকিৎসা ভাতা এবং মানসিক ক্ষতির জন্য কাইলি ও সংশ্লিষ্ট দুটি ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠানের
কাছ থেকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন। তবে এই মামলা প্রসঙ্গে কাইলি জেনারের পক্ষ
থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
বাংলাদেশের খবর/এম.আর

