Logo

স্বাস্থ্য

১ বছরে অ-সংক্রামক রোগে ৪ কোটি ৩০ লাখ মানুষের মৃত্যু

Icon

নিউইয়র্ক প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৮:৩৫

১ বছরে অ-সংক্রামক রোগে ৪ কোটি ৩০ লাখ মানুষের মৃত্যু

অ-সংক্রামক রোগ (এনসিডি) এখন বিশ্বব্যাপী মৃত্যুর প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, গত এক বছরেই এসব রোগে মারা গেছেন ৪ কোটি ৩০ লাখ মানুষ। অর্থাৎ প্রতি দুই সেকেন্ডে ৭০ বছরের নিচে বয়সের একজন মানুষের মৃত্যু ঘটছে এনসিডির কারণে।

বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের চতুর্থ উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এ তথ্য তুলে ধরেন মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস। বৈঠকের বিষয় ছিল— অ-সংক্রামক রোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ এবং মানসিক স্বাস্থ্য ও কল্যাণ উন্নয়ন।

মহাসচিব বলেন, মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা এখন বিশ্বব্যাপী এক বিলিয়নেরও বেশি মানুষকে প্রভাবিত করছে। আত্মহত্যা তরুণদের মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে রয়ে গেছে। এ ছাড়া ২৮০ কোটি মানুষ স্বাস্থ্যকর খাবার কেনার সামর্থ্য রাখেন না, যা স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে।

তিনি উল্লেখ করেন, তামাক ব্যবহার কমছে এবং অনেক দেশে জাতীয় কৌশল চালু হয়েছে। চিকিৎসা পাওয়ার সুযোগও কিছুটা বেড়েছে। তবে অগ্রগতি অত্যন্ত ধীর। ২০৩০ সালের মধ্যে অ-সংক্রামক রোগে অকালমৃত্যু এক-তৃতীয়াংশ কমানোর টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি ৩:৪) অর্জনের পথে বিশ্ব এখনও নেই।

গুতেরেস বলেন, এনসিডি প্রতিরোধযোগ্য। কার্যকর ও স্বল্প খরচের পদক্ষেপগুলো সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। জীবনরক্ষাকারী ওষুধ সর্বত্র সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী করতে হবে। তিনি জানান, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী এনসিডি মোকাবিলায় প্রতিটি ১ ডলার বিনিয়োগে প্রায় ৭ ডলার ফেরত পাওয়া সম্ভব।

জাতিসংঘের রাজনৈতিক ঘোষণাপত্রে বলা হয়েছে, ২০৩০ সালের মধ্যে ১৫ কোটি মানুষ কম তামাক ব্যবহার করবে, ১৫ কোটি মানুষের উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে আসবে এবং আরও ১৫ কোটি মানুষ মানসিক স্বাস্থ্যসেবার আওতায় আসবে।

মহাসচিব সতর্ক করে বলেন, এখন আর সময় নষ্ট করার সুযোগ নেই। দ্রুত প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবাকে আরও শক্তিশালী করা না হলে এনসিডি বিশ্বজনীন স্বাস্থ্যঝুঁকি হিসেবে আরও ভয়াবহ আকার নেবে।

কেই/এমএইচএস 

প্রাসঙ্গিক সংবাদ পড়তে নিচের ট্যাগে ক্লিক করুন

জাতিসংঘ

Logo
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি মোস্তফা কামাল মহীউদ্দীন ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সৈয়দ মেজবাহ উদ্দিন