৭ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর পাটুরিয়া-দৌলতদিয়ায় ফেরি চালু
বাংলাদেশের প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০২ জানুয়ারি ২০২৬, ১২:০৬
ঘন কুয়াশার কারণে টানা প্রায় সাত ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর দেশের দক্ষিণ ও পশ্চিমাঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌরুট পাটুরিয়া–দৌলতদিয়ায় ফেরি চলাচল পুনরায় শুরু হয়েছে।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে এ রুটে স্বাভাবিকভাবে ফেরি চলাচল শুরু হয়।
এর আগে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ৩টা থেকে কুয়াশার তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি এড়াতে সাময়িকভাবে সব ধরনের ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ।
বাংলাদেশ নৌ-পরিবহণ করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) আরিচা এরিয়া অফিসের সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) আব্দুস সালাম যুগান্তরকে জানান, কুয়াশার কারণে বিভিন্ন ঘাটে একাধিক ফেরি নোঙর করতে বাধ্য হয়। পাটুরিয়া প্রান্তের ৩ নম্বর ঘাটে রো-রো ফেরি বিএস ডা. গোলাম মাওলা ও ভাষাশহীদ বরকত নোঙর করে ছিল। একই প্রান্তের ৪ নম্বর ঘাটে নোঙর করে রাখা হয় রো-রো ফেরি শাহ পরান ও এনায়েতপুরী।
অন্যদিকে দৌলতদিয়া প্রান্তের ৭ নম্বর ঘাটে নোঙর করতে বাধ্য হয় রো-রো ফেরি বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন, শাহ মখদুম এবং ইউটিলিটি ফেরি হাসনাহেনা। এছাড়া ঘন কুয়াশার কবলে পড়ে মাঝ পদ্মায় দৌলতদিয়াগামী যানবাহন ও যাত্রী নিয়ে নোঙর করে থাকে রো-রো ফেরি কেরামত আলী ও বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর।
বিআইডব্লিউটিসি সূত্র জানায়, কুয়াশার ঘনত্ব এতটাই বেশি ছিল যে ফেরির ব্রিজ থেকে আশপাশের কোনো নৌযান কিংবা তীরভূমি স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিল না। যাত্রী ও যানবাহনের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করেই ফেরি চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় পাটুরিয়া ও দৌলতদিয়া ঘাট এলাকায় পণ্যবাহী ট্রাক, দূরপাল্লার বাসসহ বিভিন্ন যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়। এতে যাত্রী ও পরিবহণ শ্রমিকদের ভোগান্তি বাড়ে।
এদিকে ফেরি চলাচল পুনরায় শুরু হওয়ায় দীর্ঘ সময় অপেক্ষায় থাকা যাত্রী ও পরিবহণ শ্রমিকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

