টাঙ্গাইল-৮ আসনে বিএনপির প্রার্থীর বিরুদ্ধে অভিযোগ ২ প্রার্থীর
সখীপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৮:৩৯
টাঙ্গাইল-৮ (সখীপুর-বাসাইল) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান ও তার কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা, অফিস ভাঙচুর এবং প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের ভয়ভীতি দেখানোর গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
বুধবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে পৃথক কর্মসূচিতে এই অভিযোগ করেন আসনটির স্বতন্ত্র প্রার্থী এবং বাংলাদেশ বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির প্রার্থী।
বুধবার বিকেলে সখীপুরের রায়দা ভিলেজে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেল। সেখানে তার পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন নির্বাচনী এজেন্ট ফজলুল হক বাচ্চু।
অভিযোগে বলা হয়, স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্ধারিত পথসভা ও গণসংযোগের খবর পেলেই একই সময়ে ও একই স্থানে ধানের শীষের প্রার্থী ইচ্ছাকৃতভাবে পাল্টা কর্মসূচি ঘোষণা করছেন। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থীর মিছিলে হামলার চেষ্টা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হুমকি দেওয়ার অভিযোগও করা হয়।
ফজলুল হক বাচ্চু বলেন, ‘নিজেদের সমাবেশে নিজেরাই হামলা করে আমাদের ওপর দায় চাপানো হচ্ছে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো সংঘাতের পরিবেশ তৈরি করে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করা, যাতে তারা ভোটকেন্দ্রে না আসে। এটি নির্বাচনী আচরণবিধির সরাসরি লঙ্ঘন।’
সংবাদ সম্মেলনে আরও অভিযোগ করা হয়, স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনী অফিসে তালা দেওয়া হয়েছে এবং আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়েছে। অবিলম্বে এসব ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া এবং সবার জন্য সমান প্রচারণার সুযোগ নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।
একই দিন সখীপুর উপজেলার মৈথাচালা এলাকায় পথসভা শেষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে একই ধরনের অভিযোগ করেন বাংলাদেশ বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি মনোনীত প্রার্থী আউয়াল মাহমুদ।
তিনি বলেন, ‘কিছুদিন আগে আমার একটি পারিবারিক ঘটনাকে রাজনৈতিক রং দিয়ে আমার গাড়িতে হামলা চালানো হয়। এছাড়া প্রায়ই ‘বড়’ দলের নেতাকর্মীরা আমার কর্মীদের হুমকি-ধমকি দিয়ে ভয় দেখানোর চেষ্টা করছে।’
আউয়াল মাহমুদ অভিযোগ করেন, এসব ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসন নিরপেক্ষ আচরণ করছে না। তিনি বড় দলের নেতাকর্মীদের সংযত হওয়ার আহ্বান জানান এবং প্রশাসনের কাছে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানান।
এমএইচএস

