ছবি: সংগৃহীত
পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে কয়েক দফা সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপজেলার চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের ভান্ডারিয়া বাজার এলাকায় এ সংঘর্ষ হয়।
আহতদের মধ্যে কয়েকজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তাঁরা হলেন জামাল মৃধা (২২), আমিনুল ইসলাম (৩৭), জুয়েল (৩৩), নয়ন (১৭), লিমা জাহান (২৫), শাহজালাল (২০), সুজন (২৬), শহিদুল বেপারী (২৭), হাফেজ আনিসুর রহমান (৫৫), আমিনুল মাতব্বর (৩০), সোহাগ (৩০), সাইফুল (৪০), জিসান (২৫), সজিব (১৭), রোজিনা বেগম (৩০) ও দেলোয়ার গাজী (৫৮)।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, আহতদের মধ্যে জামাল মৃধাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অন্যদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
জামায়াতের কর্মীদের দাবি, রোববার সকালে চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের ভান্ডারিয়া বাজার এলাকায় জামায়াতের নারী কর্মীরা নির্বাচনী প্রচারণা চালাতে গেলে বিএনপির নেতাকর্মীরা তাঁদের হেনস্থা করেন। পরে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জামায়াতের নেতাকর্মীরা একটি মিছিল বের করলে বিএনপি নেতা রুহুল ও তাঁর ভাই সোহেলের নেতৃত্বে হামলা চালানো হয়। এতে জামায়াতের ২০ থেকে ২৫ জন নেতাকর্মী আহত হন।
অন্যদিকে বিএনপির কর্মীদের অভিযোগ, জামায়াতের নারী কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে টাকা দিয়ে ভোট কেনার চেষ্টা করছিলেন—এমন অভিযোগে এলাকাবাসীর সঙ্গে তাঁদের বাকবিতণ্ডা হয়। বিষয়টি তখনই মিটে গেলেও পরে জামায়াতের নেতাকর্মীরা অতর্কিতভাবে বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালান।
স্থানীয়রা জানান, নির্বাচনী প্রচারের কাজে জামায়াতের কয়েকজন কর্মী এলাকায় গেলে বিএনপির সমর্থকেরা টাকা দিয়ে ভোট কেনার অভিযোগ তুলে তাঁদের হেনস্থা করেন। এ সময় খবর পেয়ে আশপাশে থাকা জামায়াতের আরও লোকজন ঘটনাস্থলে গেলে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে অন্তত ৩০ জন আহত হন।
এ বিষয়ে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। ঘটনার তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এএস/

