ফেনীতে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছাড়া জামানত হারালেন ২০ প্রার্থী
ফেনী প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:৪২
ছবি : বাংলাদেশের খবর
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফেনী জেলার তিনটি সংসদীয় আসনে বিজয়ী ও নিকটতম প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ছাড়া অপর ২০ প্রার্থী জামানত হারাবেন।
ফেনী-১ আসনে মুন্সি রফিকুল আলম মজনু ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ১৯ হাজার ৯০৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী এসএম কামাল উদ্দিন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৮৫ হাজার ৭১৫ ভোট পেয়েছেন।
ফেনী-২ আসনে অধ্যাপক জয়নাল আবদিন ভিপি ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৩১ হাজার ২১০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু ঈগল প্রতীকে ৮০ হাজার ৫৮ ভোট পেয়েছেন।
ফেনী-৩ আসনে আবদুল আউয়াল মিন্টু ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৫৭ হাজার ৪২৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থী ডা. মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন মানিক দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ৮ হাজার ১৬০ ভোট পেয়েছেন।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানিয়েছে, যেকোনো প্রার্থী নির্বাচনে প্রাপ্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগ ভোট না পেলে তার জামানত বাতিল হবে।
জামানত বাতিল হওয়া প্রার্থীরা হলেন- ফেনী-১ আসনে জাতীয় পার্টির মোতাহের হোসেন চৌধুরী লাঙ্গল ৯৪০ ভোট, ইসলামী আন্দোলনের কাজী গোলাম কিবরিয়া হাতপাখা ৫৩২৩ ভোট, বাংলাদেশ কংগ্রেসের মো. ফিরোজ উদ্দিন চৌধুরী ডাব ২১৫ ভোট, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আনোয়ার উল্যাহ ভূঁঞা বটগাছ ৩১০ ভোট এবং বাংলাদেশ মুসলিম লীগের মাহবুব মোরশেদ মজুমদার হারিকেন ১৮৮ ভোট।
ফেনী-২ আসনে ইসলামী আন্দোলনের মাওলানা একরামুল হক ভূঁঞা হাতপাখা ৬৮৪৯ ভোট, গণঅধিকার পরিষদের তারিকুল ইসলাম ভূঁঞা ট্রাক ৪০৯ ভোট, খেলাফত মজলিসের মো. হারুনুর রশিদ ভূঁঞা রিক্সা ৮২০ ভোট, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের সামছুদ্দিন মজুমদার সাচ্চু তাঁরা ২৪০ ভোট এবং বাসদের জসিম উদ্দিন কাঁচি ৩২২ ভোট, আমজনতার দলের সাইফুল করিম মজুমদার প্রজাপতি ৮০১ ভোট, খেলাফত আন্দোলনের মোহাম্মদ আবুল হোসেন বটগাছ ৩০৪ ভোট, ইনসানিয়াত বিপ্লবের তাহেরুল ইসলাম আপেল ২৩৯৬ ভোট এবং মো. ইসমাইল ঘোড়া ৭০৩ ভোট।
ফেনী-৩ আসনে জাতীয় পার্টির আবু সুফিয়ান লাঙ্গল ১৪২৭ ভোট, ইসলামী আন্দোলনের সাইফ উদ্দিন হাতপাখা ৬৭০১ ভোট, ইসলামিক ফ্রন্টের মো. আবু নাছির চেয়ার ৫৩১ ভোট, ইনসানিয়াত বিপ্লবের হাসান আহমদ আপেল ৩২৭ ভোট, বাসদের আবদুল মালেক মই ৭৩১ ভোট এবং খেলাফত আন্দোলনের মোহাম্মদ খালেকুজ্জামান পাটোয়ারী বটগাছ ৩২০ ভোট।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানিয়েছে, আগামী দুই-এক দিনের মধ্যে জামানত বাতিল হওয়া প্রার্থীদের কাগজপত্র চূড়ান্ত করে তাদের জানিয়ে দেওয়া হবে।
এম. এমরান পাটোয়ারী/এমবি

