এপস্টেইন কেলেঙ্কারি : বিপাকে রাষ্ট্রনায়ক ও প্রযুক্তি জায়ান্টরা
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০১:২৭
ফাইল ছবি
যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইন–সংক্রান্ত নতুন নথি প্রকাশের পর বিশ্ব রাজনীতি ও প্রযুক্তি অঙ্গনে তীব্র আলোড়ন তৈরি হয়েছে। নথিতে প্রভাবশালী রাষ্ট্রনায়ক, কূটনীতিক ও প্রযুক্তি খাতের শীর্ষ ব্যক্তিদের নাম উঠে আসায় একের পর এক পদত্যাগ, ব্যাখ্যা ও উদ্বেগের প্রকাশ ঘটছে।
উইলিয়াম ও কেট উদ্বিগ্ন
নতুন নথিতে উঠে আসা তথ্যে প্রিন্স ও প্রিন্সেস অব ওয়েলস ‘গভীরভাবে উদ্বিগ্ন’ বলে জানিয়েছে কেনসিংটন প্যালেস। সিএনএন জানায়, সোমবার রিয়াদে প্রিন্স উইলিয়ামের সৌদি আরব সফরের আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এক মুখপাত্র এই তথ্য জানান।
ম্যাকসুইনির পদত্যাগ
পিটার ম্যান্ডেলসনকে যুক্তরাষ্ট্রে রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দেওয়া নিয়ে বিতর্কের জেরে পদত্যাগ করেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের প্রধান উপদেষ্টা মর্গান ম্যাকসুইনি। ম্যান্ডেলসনের সঙ্গে যৌন অপরাধী এপস্টেইনের সম্পর্কের বিষয়টি জানা থাকা সত্ত্বেও এই নিয়োগের পরামর্শ দেওয়ায় ম্যাকসুইনি ‘সব’ দায়ভার গ্রহণ করেছেন। বিবিসি জানায়, এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ লেবার এমপিদের একাংশ এবং সহযোগী ইউনিয়নগুলো এখন প্রধানমন্ত্রী স্টারমারের পদত্যাগ দাবি করছে।
নরওয়ের রাষ্ট্রদূতের পদত্যাগ
জেফরি এপস্টেইনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে জর্ডান ও ইরাকে নিযুক্ত নরওয়ের রাষ্ট্রদূত মোনা জুল পদত্যাগ করেছেন। নতুন নথিতে জানা যায়, এপস্টেইন তাঁর উইলে জুলের দুই সন্তানের জন্য এক কোটি ডলার রেখে গেছেন।
মাস্ক ও জাকারবার্গের ছবি প্রকাশ্যে
জেফরি এপস্টেইনের ২০১৫ সালের এক নৈশভোজে ইলন মাস্ক ও মার্ক জাকারবার্গের উপস্থিতির ছবি প্রকাশ্যে এসেছে। এনডিটিভি জানায়, নতুন নথিতে এপস্টেইন ওই অনুষ্ঠানকে উন্মাদনাপূর্ণ বলেছেন।
পুতিনের নাম ১০০৫ বার
নথিতে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের নাম এক হাজার পাঁচবার এসেছে। এনডিটিভি জানায়, এপস্টেইন পুতিনের সঙ্গে সাক্ষাতের একাধিক চেষ্টা করেছিলেন। রুশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন।
মৃত্যুর আগে তৈরি শোকবার্তা
এপস্টেইনের মৃত্যু নিয়ে নতুন রহস্য দানা বেঁধেছে। মার্কিন বিচার বিভাগ প্রকাশিত নথিতে দেখা যায়, তাঁর মৃত্যুর ঘোষণা সংবলিত খসড়া বিবৃতিটি ১০ আগস্ট ২০১৯-এ মৃত্যুর এক দিন আগে তৈরি করা হয়েছিল।
ম্যাক্সওয়েলকে জিজ্ঞাসাবাদ
জেফরি এপস্টেইনের সহযোগী গিসলেইন ম্যাক্সওয়েলকে সোমবার ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে জিজ্ঞাসাবাদ করবে মার্কিন কংগ্রেস।

