প্রার্থিতা ফিরল ৪১৭ জনের, বৈধ প্রার্থী ২২৫৩
বাংলাদেশের প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১৯ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯:০৯
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে করা আপিল শুনানি শেষ হয়েছে। আপিল নিষ্পত্তির শেষ দিন রোববার পর্যন্ত ৪১৭ জন প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন।
একই সঙ্গে আগে বৈধ ঘোষিত ছয় প্রার্থীর মনোনয়নপত্র আপিলে বাতিল হয়েছে। সব মিলিয়ে বর্তমানে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ২৫৩ জন।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে নবম ও শেষ দিনের আপিল শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় চার নির্বাচন কমিশনার উপস্থিত ছিলেন।
নির্বাচনের তফসিল অনুযায়ী, আপিল শুনানি শেষে আগামী ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সুযোগ থাকবে। এরপর চূড়ান্ত হবে ভোটের মাঠে থাকা প্রার্থীদের সংখ্যা। ২১ জানুয়ারি প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। একই দিনে গণভোটও হবে।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ছিল ২৯ ডিসেম্বর। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ৩০০ সংসদীয় আসনে প্রায় আড়াই হাজার মনোনয়নপত্র জমা পড়ে। ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত যাচাই-বাছাই শেষে ৭২৩ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হলে বৈধ প্রার্থী ছিলেন ১ হাজার ৮৪২ জন।
এরপর রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ৫ জানুয়ারি থেকে আপিল আবেদন গ্রহণ শুরু হয়। ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত মোট ৬৪৫ জন প্রার্থী আপিল করেন। ১০ জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া আপিল শুনানি টানা রোববার (১৮ জানুয়ারি) পর্যন্ত চলে।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে আপিল করে প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ৬৪৫ জন আপিলকারীর মধ্যে ৪১৭ জন প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন, যা আগের সংসদ নির্বাচনের তুলনায় প্রায় ১৫০ জন বেশি। দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে যাচাই-বাছাইয়ে ৭৩১টি মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছিল। সেবার ৫৬০টি আপিলের মধ্যে ২৮৬টি আবেদন মঞ্জুর হয়।
আপিল শুনানি শেষে সিইসি নাসির উদ্দিন বলেন, আপনারা হয়তো আমাদের সমালোচনা করতে পারেন অনেকেই। স্বতন্ত্র প্রার্থীদের এক শতাংশ ভোটারের সমর্থনসূচক স্বাক্ষরের বিষয়টি আমরা কীভাবে ছেড়ে দিয়েছি, আপনারা দেখেছেন। কারণ আমরা চাই নির্বাচনে অংশগ্রহণ থাকুক। আমরা চাই যে সবার অংশগ্রহণে একটি সুন্দর নির্বাচন হোক। আপনারা সহযোগিতা না করলে কিন্তু হবে না।
ডিআর/এমবি

