সব স্থলবন্দরের ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট বন্ধের নির্দেশ
বাংলাদেশের প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৩:০২
ফাইল ছবি
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ নির্বিঘ্ন করতে দেশের সার্বিক নিরাপত্তা বলয় শক্তিশালী করা হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে দেশের সব স্থলবন্দরের ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট ২৪ ঘণ্টার জন্য সম্পূর্ণ বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে সরকার।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এই নির্দেশনার কথা জানানো হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের উপসচিব কাজি আরিফুর রহমান স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নির্বাচন ও গণভোট সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোর ৬টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি ভোর ৬টা পর্যন্ত বাংলাদেশের সব স্থলবন্দরের বহিরাগমনাগমন কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি দায়িত্বশীল সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, নির্বাচনকালীন সময়ে কোনো ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তি যাতে দেশে প্রবেশ করতে না পারে এবং যাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে বা যারা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে পারে, তারা যাতে সীমান্ত পার হতে না পারে—তা নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ। এটি মূলত সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির একটি অংশ।
নির্বাচন সংশ্লিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, স্পেশাল ব্রাঞ্চের (এসবি) অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক এবং বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নিরাপত্তা বিশ্লেষকেরা সরকারের এই সিদ্ধান্তকে সময়োপযোগী ও যৌক্তিক বলে অভিহিত করেছেন। তারা মনে করছেন, নির্বাচনের আগে সীমান্ত উন্মুক্ত থাকলে দুর্বৃত্তদের আনাগোনার সুযোগ থাকে। চেকপোস্ট বন্ধ রাখলে নাশকতার ঝুঁকি প্রায় ৮০ শতাংশ কমে যায়। বিশেষ করে গণভোট ও সাধারণ নির্বাচনের মতো বড় আয়োজনে এই ধরনের ‘হাই-ইন্টেলিজেন্স’ সিদ্ধান্ত শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সহায়ক হবে।
উল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজধানীসহ সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর টহল জোরদার করা হয়েছে। স্থলবন্দরের পাশাপাশি দেশের অন্যান্য প্রবেশপথেও কড়া নজরদারি রাখার নির্দেশ দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
এমএইচএস

