কাঙ্ক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন বিষয়ে গণভোট আজ বৃহস্পতিবার। দীর্ঘ সময় ভোট উৎসব থেকে বঞ্চিত ছিল দেশের মানুষ। অবশেষে উৎসবে মেতে উঠার মাহেন্দ্রক্ষণে দেশ। আজ সকাল সাড়ে ৭টায় শুরু হবে ভোট গ্রহণ। একই সঙ্গে হবে জুলাই জাতীয় সনদের সংবিধান-সম্পর্কিত সংস্কার প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়নে গণভোট।
নির্বাচনে ভোট দিতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ ইতোমধ্যে নিজ নিজ এলাকায় অবস্থান করছেন। রাজধানী ঢাকা ফাঁকা হয়ে গেছে। সবাই তার ভোটাধিকার প্রয়োগ করার জন্য মুখিয়ে আছেন।
১২ কোটি ৭৭ লাখের বেশি ভোটার সাদা ব্যালটে সংসদ সদস্য এবং গোলাপি ব্যালটে গণভোটে মত দেবেন। প্রায় ৪৩ হাজার কেন্দ্রে ভোটের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি); ৯০ শতাংশের বেশি কেন্দ্রে সিসিটিভি, প্রথমবারের মতো ইউএভি/ড্রোন ও বডি-ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহারসহ নজিরবিহীন নিরাপত্তা বলয় গড়া হয়েছে। প্রায় ৯ লাখ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীর সদস্য, এক লাখের বেশি সেনাসদস্য, হাজারো নির্বাহী ও বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে রয়েছেন। দেশি-বিদেশি শতাধিক পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিক নির্বাচন পর্যবেক্ষণে এসেছেন। বিএনপি সর্বাধিক ২৯১ প্রার্থীসহ মোট ২,০২৮ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন; আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিত থাকায় দলটি অংশ নিচ্ছে না। প্রবাসী ও দায়িত্বপ্রাপ্ত ভোটারদের জন্য পোস্টাল ব্যালটের বিস্তৃত ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। কঠোর নিরাপত্তা, যানবাহনে বিধিনিষেধ ও প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারির মধ্য দিয়ে বহু প্রতীক্ষিত এই ভোট আজ গণতান্ত্রিক প্রত্যাশার বড় পরীক্ষা হয়ে উঠেছে। গত ১১ ডিসেম্বর ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল ঘোষণা করা হয়। একজন প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন বাতিল করা হয়েছে। আজ ভোট হবে ২৯৯টি আসনে। ইতোমধ্যে ভোটের সব প্রস্তুতি শেষ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। গতকাল বুধবার রাতের মধ্যে ভোটকেন্দ্রগুলোতে পৌঁছে যায় ব্যালট পেপারসহ ভোটের প্রয়োজনীয় সব সরঞ্জাম। আজ বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত চলবে ভোট গ্রহণ। ভোটাররা দুটি ব্যালট পেপারে ভোট দেবেন। একটি সাদা ব্যালট, এটি হবে সংসদ সদস্য নির্বাচনের ব্যালট। আর গোলাপি ব্যালট হবে গণভোটের। নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ নির্বাচনের প্রস্তুতি সম্পর্কে বলেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সারা দেশে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। নির্বাচনে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রায় ৯ লাখ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মাঠে দায়িত্ব পালন করছেন। এর পাশাপাশি ১ লাখেরও বেশি সেনাবাহিনীর সদস্য মোতায়েন রয়েছেন।
নির্বাচন উপলক্ষে পুরো দেশকে কঠোর নিরাপত্তা বলয়ের আওতায় আনা হয়েছে বলে জানান তিনি।
নির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতি বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের জন্য ইসি সব ধরনের প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ভোট গ্রহণ সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক, কারিগরি ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার আরও বলেন, নির্বাচনে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি প্রসঙ্গে এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘এবারের নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতির হার আনুমানিক ৫৫ শতাংশের কম বা বেশি হতে পারে বলে ধারণা করছি।’
আওয়ামী লীগ সরকারের অধীন অনুষ্ঠিত সর্বশেষ তিনটি নির্বাচনই ছিল বিতর্কিত। এর মধ্যে ২০১৪ সালের নির্বাচন ‘একতরফা’, ২০১৮ সালে নির্বাচন ‘রাতের ভোট’ ও ২০২৪ সালের নির্বাচন ‘আমি-ডামির নির্বাচন’ হিসেবে পরিচিতি পায়। ভোটারদের একটি বড় অংশই বিগত নির্বাচনগুলোতে ভোট দিতে পারেননি। গণ-অভ্যুত্থানের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সরকারের পতন হয়। ৮ আগস্ট অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার শপথ নেয়। অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার দেড় বছরের মাথায় জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগ এবারের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে না।
সা¤প্রতিক বিভিন্ন জনমত জরিপে দেখা গেছে, এবারের নির্বাচনে ভোট দেওয়ার জন্য মানুষের মধ্যে উৎসাহ রয়েছে। তবে আওয়ামী লীগ নির্বাচনে না থাকায় দলটির কর্মী-সমর্থকদের সবাই ভোটকেন্দ্রে যাবেন কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
আগে আইনে সুযোগ থাকলেও পোস্টাল ব্যালটে ভোট তেমন কার্যকর ছিল না। এবার প্রবাসী, সরকারি কর্মচারী, ভোট গ্রহণের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা ও কারাগারে থাকা ব্যক্তিরা পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। আজ বিকাল সাড়ে ৪টার মধ্যে যেসব পোস্টাল ব্যালট সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে পৌঁছাবে, সেগুলো গণনা করা হবে। এরপর আসা ব্যালটগুলো বাতিল বলে গণ্য হবে।
২ হাজার ২৮ প্রার্থী, ১২ কোটি ৭৭ লাখ ভোটার: নির্বাচন কমিশনে মোট নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল আছে ৬০টি। এর মধ্যে কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিত আছে। নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে ৫০টি দল। ইসির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে ২৯৯ আসনে মোট প্রার্থী আছেন ২ হাজার ২৮ জন। এর মধ্যে ৫০টি রাজনৈতিক দলের প্রার্থী ১ হাজার ৭৫৫ জন, স্বতন্ত্র প্রার্থী ২৭৩ জন। মোট নারী প্রার্থী আছেন ৮১ জন।
এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৭৯৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ৩৬১ জন, নারী ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ২০০ জন আর হিজড়া পরিচয়ে ভোটার আছেন ১ হাজার ২৩২ জন।
নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ জানান, এবার ভোটাররা সশরীর ভোট দেবেন, এমন ভোটকেন্দ্র আছে ৪২ হাজার ৬৫৯টি। আর ২৯৯টি কেন্দ্রে পোস্টাল ভোটের গণনা করা হবে। মোট ভোটকেন্দ্র ৪২ হাজার ৯৫৮টি। তিনি জানান, নির্বাচনে মোট ৪৫ হাজার ৩৩০ জন পর্যবেক্ষক থাকছেন। এর মধ্যে ৩৫০ জন বিদেশি পর্যবেক্ষক। বিদেশি পর্যবেক্ষকের সংখ্যা আরও কিছু বাড়তে পারে।
এদিকে নির্বাচন পর্যবেক্ষণে বাংলাদেশে এসেছেন ৩৯৪ জন আন্তর্জাতিক নির্বাচন পর্যবেক্ষক এবং ১৯৭ জন বিদেশি সাংবাদিক। গতকাল বুধবার প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মধ্যে ৮০ জন বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধি, ২৪০ জন বিভিন্ন দেশ থেকে আগত এবং ৫১ জন বিভিন্ন বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পৃক্ত।
আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ জানান, ভোটকেন্দ্রগুলোতে নজরদারি নিশ্চিত করার জন্য ৯০ ভাগের বেশি কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। নির্বাচনে মোট ৬৯ জন রিটার্নিং কর্মকর্তা, ৯৫৮ জন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা, ৪৩ হাজার ৭৮ জন প্রিসাইডিং কর্মকর্তা, ২ লাখ ৪৭ হাজার ৮৬২ জন সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ও ৫ লাখের বেশি পোলিং কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করবেন। নির্বাচনে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করছেন ২ হাজার ৯৮ জন আর বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট আছেন ৬৫৭ জন। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রার্থী দিয়েছে বিএনপি। তাদের প্রার্থী সংখ্যা ২৯১ জন। এই নির্বাচনে নিবন্ধিত ১০টি রাজনৈতিক দল কোনো প্রার্থী দেয়নি। নির্বাচনের নিরাপত্তায় প্রথমবারের মতো ইউএভি (আনম্যান এরিয়াল ভেহিকেল), ড্রোন ও বডি-ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহার করা হচ্ছে।
ইসি সূত্র জানায়, মোতায়েনকৃত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে ১ লাখ ৩ হাজার সেনাসদস্য, ৫টি জেলার ১৭টি আসনে ৫ হাজার নৌসদস্য, ৩ হাজার ৫০০ জন বিমান বাহিনীর সদস্য, ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬০৩ জন পুলিশ সদস্য, ৫ লাখ ৬৭ হাজার ৮৬৮ জন আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্য, ৩৭ হাজার ৪৫৩ জন বিজিবি সদস্য, ৩ হাজার ৫৮৫ জন কোস্টগার্ড সদস্য, ৯ হাজার ৩৪৯ জন র্যাব সদস্য, বিএনসিসির ১২৮টি সেকশনের ১ হাজার ৯২২ সদস্য এবং সাপোর্ট সার্ভিস হিসেবে ১৩ হাজার ৩৯০ জন ফায়ার সার্ভিসের সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোট দিতে পোস্টাল ভোট বিডি মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে প্রবাসী (ওসিভি) এবং দেশের অভ্যন্তরে (আইসিপিভি) মোট ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ৬৮৪ জন ভোটার নিবন্ধন করেন।
এর মধ্যে প্রবাসী ৭ লাখ ৭২ হাজার ৫৪৬ জন। আর দেশের অভ্যন্তরে (আইসিপিভি) ৭ লাখ ৬১ হাজার ১৩৮ জন ভোটার।
ইসির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নিবন্ধনকারীদের মধ্যে গতকাল সকাল পর্যন্ত দেশের ৫ লাখ ৮০ হাজার ৬৬৫ জন ভোটার পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিয়েছেন। এ ছাড়া ৪ লাখ ৮১ হাজার ১৮৫ জন প্রবাসী ভোটার ভোট দিয়েছেন।
ইসি সচিবালয় সূত্রে জানা যায়, নির্বাচনে ৩০০ আসনে ২ হাজার ৫৬৮টি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছিল (রাজনৈতিক দলের ২ হাজার ৮৭ জন এবং স্বতন্ত্র ৪৮১ জন), যার মধ্যে বাছাইয়ে ১ হাজার ৮৪২টি বৈধ এবং ৭২৬টি বাতিল হয়।
পরবর্তীকালে আপিল শুনানি শেষে ৪২৫ জন প্রার্থিতা ফেরত পান এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ৩০৭ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেন।
গত ১১ ডিসেম্বর জাতির উদ্দেশে ভাষণের মাধ্যমে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ভোট গ্রহণের দিন এবং তার আগে ও পরে কিছু যানবাহন চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ বিষয়ে ইসির নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ভোট গ্রহণের জন্য নির্ধারিত দিবসের পূর্ববর্তী মধ্যরাত, অর্থাৎ ১১ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত নিম্নোক্ত যানবাহন চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার জন্য সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে: (১) ট্যাক্সি ক্যাব (২) পিক আপ (৩) মাইক্রোবাস (৪) ট্রাক। একই সঙ্গে ১০ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা বলবৎ রয়েছে।
ভোট গণনা যেভাবে: ভোট গণনার বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, ভোট গ্রহণ শেষ হওয়ার পরপরই কেন্দ্রে গণনার প্রক্রিয়া শুরু হবে। প্রথমে সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ব্যালট আলাদা করা হবে। সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ব্যালট যুগপৎভাবে একই সময়ে গণনা করা হবে। দুটি ভোটের ফলাফলও একসঙ্গে ঘোষণা করা হবে। ভোটকেন্দ্রে ভোটের ফলাফল ঘোষণা করা হবে। এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, বেশির ভাগ কেন্দ্রের ফলাফল ভোটের দিন মাঝরাতের মধ্যে চলে আসবে বলে আমরা আশা করছি। পরদিন সকালে সব ভোটকেন্দ্রের ফলাফল একীভূত করে ফরম-১৮-তে লিপিবদ্ধ করে প্রার্থী বা এজেন্টের উপস্থিতিতে রিটার্নিং কর্মকর্তারা সই করবেন। এটার ভিত্তিতে ফলাফলের গেজেট প্রকাশ করা হবে। নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, ‘বাংলাদেশে এত ফোর্স, এত ক্যাপাসিটি ডেপ্লয় কখনোই করা হয়নি। তাই নির্বাচনে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই। এরপরও যদি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটে থাকে, সেটার জন্য আমরা প্রস্তুত আছি।’
বিকেপি/এমবি

