Logo

রাজনীতি

হামলা-মামলার মধ্যে ১৫ বছর লড়াই করেছি : মির্জা ফখরুল

Icon

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

প্রকাশ: ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৪:০১

হামলা-মামলার মধ্যে ১৫ বছর লড়াই করেছি : মির্জা ফখরুল

নির্বাচনী পথসভায় বক্তব্য রাখছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি : বাংলাদেশের খবর

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বিএনপির রাজনৈতিক গতিবিধি স্বাভাবিক ছিল না মন্তব্য করে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দলকে শক্তিশালী করতে গত ১৫ বছর তাকে সারা বাংলাদেশ ঘুরে বেড়াতে হয়েছে এবং এই সময়ে তিনি অসংখ্য হামলা ও মামলার শিকার হয়েছেন।

বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার নারগুন ইউনিয়নের কিসমত দৌলতপুর এলাকায় আয়োজিত এক নির্বাচনী পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘মহাসচিবের দায়িত্ব পালনের সময় অনেক কষ্ট সহ্য করতে হয়েছে। দেশের সব বিরোধী দলকে ঐক্যবদ্ধ করতে কাজ করেছি। সারাদেশে প্রায় ৬০ লাখ মানুষকে মামলার আসামি করা হয়েছিল। তবে আশার কথা হলো, ঠাকুরগাঁওয়ের মামলাগুলো এখন খালাস হয়েছে।’

আগের সরকারের আমলে সাধারণ মানুষ ভোট দিতে পারেনি দাবি করে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এবার জনগণ সুষ্ঠুভাবে ভোট দিতে পারবে। এ সময় তিনি আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকালে সবাইকে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগের আহ্বান জানান।

পথসভায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিএনপির ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরে বলেন, ক্ষমতায় গেলে মা-বোনদের জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’ দেওয়া হবে, যার মাধ্যমে প্রথম বছরেই ৫০ লাখ মানুষ সেবা পাবেন। এ ছাড়া কৃষকদের জন্য ‘কৃষি কার্ড’ চালু করে সহজ শর্তে কৃষিঋণের ব্যবস্থা করা হবে।

বেকারত্ব দূরীকরণের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি বলেন, ‘দেড় বছরের মধ্যে এক কোটি বেকারের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে। যুবকদের উন্নত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে স্বাবলম্বী করে তোলা আমাদের অন্যতম লক্ষ্য।’

অবকাঠামো উন্নয়নের প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, আগের সরকারের আমলে রাস্তাঘাটের তেমন উন্নয়ন হয়নি, বিএনপি নির্বাচিত হলে এসব অসমাপ্ত কাজ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সম্পন্ন করবে। বিএনপি সবসময় কাজের রাজনীতিতে বিশ্বাস করে উল্লেখ করে তিনি নেতা-কর্মীদের গুজব না ছড়ানোর এবং মিথ্যার আশ্রয় না নেওয়ার নির্দেশ দেন।

পথসভায় জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলীসহ জেলা ও স্থানীয় বিএনপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এমএইচএস

Logo
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি মোস্তফা কামাল মহীউদ্দীন ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সৈয়দ মেজবাহ উদ্দিন প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ হাসনাত কাদীর