ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ব্যবহার না করতে পারার সিদ্ধান্ত অগণতান্ত্রিক : সাদিক কায়েম
বাংলাদেশের প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৭:০০
ছবি : বাংলাদেশের খবর
ভোটকেন্দ্রে ৪০০ গজের ভেতরে মোবাইল ফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তকে অগণতান্ত্রিক আখ্যা দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
সাদিক কায়েম বলেন, কারচুপির নির্বাচন তরুণ সমাজ মেনে নেবে না। জুলাই বিপ্লব–পরবর্তী বাংলাদেশে কোনো ধরনের নির্বাচন ইঞ্জিনিয়ারিং বা পেছন দিক দিয়ে ক্ষমতা দখলের চেষ্টা সফল হতে দেওয়া হবে না।
সাদিক কায়েম বলেন, গত ১৬ বছর ধরে তরুণরা ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল। এবার নির্বাচনকে ঘিরে সারাদেশে একটি ইতিবাচক আমেজ তৈরি হয়েছে। তবে সেই আমেজ নষ্ট করতে বিভিন্ন ধরনের অপপ্রয়াস ও ষড়যন্ত্র লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এসব ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে উদ্বেগ জানাতেই তারা নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।
ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের ভেতরে মোবাইল ফোন ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে তিনি বলেন, এ সিদ্ধান্ত অগণতান্ত্রিক। নির্বাচন কমিশনের কাছে এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। সিইসি তাদের আশ্বাস দিয়েছেন, শিগগিরই এ সিদ্ধান্ত বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।
এ সময় ভোটকেন্দ্রে নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে সাদিক কায়েম বলেন, বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি) প্রতিটি ক্যাম্পাসে অত্যন্ত সুসংগঠিত ও প্রশিক্ষিত একটি ফোর্স। অতীতে ছাত্র সংসদ নির্বাচনে বিএনসিসি সদস্যদের পেশাদার আচরণ প্রশংসনীয় ছিল। আনসারের তুলনায় তাদের প্রশিক্ষণ ও শৃঙ্খলা আরও সুসংগঠিত বলে তিনি মন্তব্য করেন।
তিনি জানান, নির্বাচন কমিশন প্রথমে ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিলেও পরে তা বাতিল করা হয়। এ সিদ্ধান্ত বাতিল করে পুনরায় ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনের দাবি জানানো হয়েছে।
একই সঙ্গে আসন্ন নির্বাচনে সব রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের জন্য সমান সুযোগ বা ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি। সাদিক কায়েম অভিযোগ করেন, বিভিন্ন এলাকায় প্রার্থীদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে, বিশেষ করে নারীদের ওপর হামলার ঘটনাও ঘটছে। এসব ক্ষেত্রে এখন পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দৃশ্যমান ভূমিকা দেখা যাচ্ছে না। তিনি বলেন, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থেকে তাদের দায়িত্ব পালন করতে হবে।
এসআইবি/এমএইচএস

