নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ দেশের মালিকানা ফিরে পাবে : তারেক রহমান
বাংলাদেশের প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২০:০৯
ছবি : ভিডিও থেকে নেওয়া
একটি স্বনির্ভর বাংলাদেশ বিনির্মাণে বিএনপি সুপরিকল্পিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ দেশের মালিকানা ফিরে পাবে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে বাংলাদেশ টেলিভিশনে সম্প্রচারিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট–২০২৬ উপলক্ষে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে এসব কথা বলেন তিনি।
ভাষণে তারেক রহমান বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে দেশে ও বিদেশে অন্তত এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে। একই সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে পে-স্কেলের অপেক্ষায় থাকা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠন করলে যথাসময়ে নতুন পে-স্কেল ঘোষণা করা হবে।
তিনি আরও বলেন, জনগণের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতা নিশ্চিত করা না গেলে দেশের গণতন্ত্র, উন্নয়ন কিংবা বিকেন্দ্রীকরণ— কোনোটিই টেকসই হবে না।
বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাসে বিভিন্ন সময়ে সংঘটিত গণ-আন্দোলন ও সংগ্রামে যারা জীবন উৎসর্গ করেছেন, তাদের আত্মত্যাগ কখনোই বৃথা যেতে দেওয়া যাবে না। ন্যায়ভিত্তিক ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়েই শহীদদের প্রতি প্রকৃত সম্মান জানানো সম্ভব।’
তারেক রহমান বলেন, ‘১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে ৭ নভেম্বরের আধিপত্যবাদবিরোধী আন্দোলন, নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী গণ-আন্দোলন, শাপলা চত্বরের হত্যাকাণ্ড এবং সর্বশেষ ২০২৪ সালের স্বাধীনতা রক্ষার সংগ্রাম— ইতিহাসের প্রতিটি বাঁকে অসংখ্য মানুষ দেশের জন্য অকাতরে জীবন দিয়েছেন।’
তিনি বলেন, ‘একটি প্রাণের সমাপ্তির সঙ্গে সঙ্গে একটি পরিবারের স্বপ্ন, আশা ও সম্ভাবনারও অবসান ঘটে। কোনো কিছুর বিনিময়েই সেই ক্ষতির পূর্ণ প্রতিদান দেওয়া সম্ভব নয়। তবে আমরা যারা এখনো বেঁচে আছি, আমাদের দায়িত্ব হলো শহীদদের আকাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা।’
তারেক রহমান বলেন, ‘ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক ও জবাবদিহিমূলক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়ে তোলাই হতে পারে দেশ ও জনগণের জন্য উৎসর্গকৃত সব প্রাণের প্রতি সর্বোচ্চ শ্রদ্ধা। গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ছাড়া শহীদদের আত্মত্যাগের মর্যাদা রক্ষা করা সম্ভব নয়।’
এমএইচএস

