Logo

রাজনীতি

সাকির বিরুদ্ধে অপপ্রচার, গণঅধিকারের প্রার্থীকে শোকজ

Icon

বাংলাদেশের প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৩:৪৮

সাকির বিরুদ্ধে অপপ্রচার, গণঅধিকারের প্রার্থীকে শোকজ

জোনায়েদ সাকি/ ফাইল ছবি

ব্রাহ্মণবাড়িয়া–৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনে জোনায়েদ সাকির বিরুদ্ধে অপপ্রচার করে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী এস শফিকুল ইসলাম শুভকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি।

সোমবার কমিটির চেয়ারম্যান মেহেদী হাসান এ নোটিশ দেন। এ আসনে বিএনপি শরিক দল গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকিকে ছাড় দিয়েছে। জোনায়েদ সাকির নির্বাচনী এজেন্ট শামীম শিবলী লিখিতভাবে গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থীর বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ করেন।

শোকজ নোটিশ সূত্রে জানা গেছে, অভিযোগে বলা হয়েছে, গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী শফিকুল ইসলাম অনলাইনের মাধ্যমে অর্থ প্রদর্শন করে যুবসমাজকে মাদক সেবনসহ অনৈতিক কর্মকাণ্ডে উৎসাহিত করেন এবং ভোট প্রদানের বিষয়ে নির্দেশনা দেন। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং তা ভাইরাল হয়। এ ছাড়া তিনি জোনায়েদ সাকির বিরুদ্ধে ভোটারদের কাছে গিয়ে মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও অপপ্রচারমূলক তথ্য প্রচার করে আসছেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

নোটিশে বলা হয়, প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হয়েছে যে শফিকুল ইসলামের এসব কর্মকাণ্ড নির্বাচনী পরিবেশে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে, যা ভোটারদের স্বাধীন ও নিরপেক্ষ মত প্রকাশে বাধা প্রদানের শামিল। এ কারণে তাঁকে লিখিত ব্যাখ্যা নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির কাছে দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে অভিযোগকারী জোনায়েদ সাকির নির্বাচনী এজেন্ট শামীম শিবলী বলেন, শফিকুল ইসলাম উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাদের প্রার্থী জোনায়েদ সাকিকে হেয় করার চেষ্টা করছেন। তিনি সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মিথ্যা অভিযোগ করেছেন। পাশাপাশি ফেসবুকে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছেন, যেখানে তরুণদের মাদক সেবনের জন্য টাকা দিচ্ছেন—এমন দৃশ্য রয়েছে। এসব বিষয়ের ভিত্তিতেই অভিযোগ করা হয়েছে।

অন্যদিকে গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী শফিকুল ইসলাম বলেন, নোটিশ পাওয়ার দিনই তিনি লিখিত জবাব দিয়েছেন। তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। তিনি জোনায়েদ সাকির বিরুদ্ধে কোনো মিথ্যা অভিযোগ করেননি। শামীম শিবলীর অভিযোগও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন তিনি। এ ঘটনায় তিনি মানহানির মামলা করবেন বলেও জানান।

এএস/

Logo
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি মোস্তফা কামাল মহীউদ্দীন ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সৈয়দ মেজবাহ উদ্দিন প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ হাসনাত কাদীর