ভলকার টুর্ক
বাংলাদেশের সেনাবাহিনীকে সতর্ক করেছিল জাতিসংঘ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ০৭ মার্চ ২০২৫, ২০:০১
বাংলাদেশে ২০২৪ সালের জুলাই-অগাস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনে সেনাবাহিনীকে সতর্ক করার পর উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসে বলে দাবি করেছেন জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার টুর্ক। তিনি বিবিসির ‘হার্ডটক’ অনুষ্ঠানে বলেন, ‘ওই সময়ে সেনাবাহিনীকে সতর্ক করে বলা হয়েছিল যে, দমন-পীড়নে অংশগ্রহণ করলে তাদের শান্তিরক্ষা মিশনে অংশগ্রহণ বন্ধ হয়ে যেতে পারে।’
এই প্রথমবার ভলকার টুর্ক স্বীকার করেছেন, জাতিসংঘ সেনাবাহিনীকে সতর্ক করেছিল। তিনি বলেন, ‘আমরা প্রকৃতপক্ষে সেনাবাহিনীকে সতর্ক করি, যদি তারা এতে জড়িত হয়, তার মানে দাঁড়াবে তারা হয়তো আর শান্তিরক্ষী পাঠানোর দেশ থাকতে পারবে না।’ এর ফলশ্রুতিতে পরিস্থিতি পরিবর্তিত হয়। আন্দোলনের দমনপীড়ন কমে যায় বলে জানান তিনি।
জাতিসংঘের মানবাধিকার তথ্যানুসন্ধান প্রতিবেদনেও সেনাবাহিনীর প্রতি সতর্কবার্তা দেওয়ার কথা উল্লেখ রয়েছে। প্রতিবেদনটি জানায়, মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগের কারণে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যদের অংশগ্রহণ বাধাগ্রস্ত হতে পারে—এমন আশঙ্কা, যা বিক্ষোভ চলাকালে জাতিসংঘ বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছিল।
বিশ্লেষকরা মনে করেন, জাতিসংঘের এই চাপের ফলে সেনাবাহিনী আন্দোলনে হস্তক্ষেপ থেকে বিরত থাকে। তবে সেনাবাহিনীর একাধিক কর্মকর্তার অভিমত, জুনিয়র সেনা কর্মকর্তাদের আইনসম্মত অবস্থানও সেনাবাহিনীর সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলেছিল। সূত্র : বিবিসি
এমজে

