ইতালির রোমে স্থানীয় সময় শনিবার সকাল সাড়ে ৯টায় ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দ্বিতীয় দফা পারমাণবিক আলোচনা শুরু হয়েছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন এ তথ্য জানিয়েছে।
রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানায়, ওমানে প্রথম দফা আলোচনা অনুষ্ঠিত হওয়ার এক সপ্তাহ পর ইরান ও মার্কিন প্রতিনিধিদলের মধ্যস্থতায় আলোচনা ‘কয়েক মিনিট আগে’ ইতালির রাজধানীতে শুরু হয়েছে।
এর আগের সপ্তাহে ওমানের মাসকটে অনুষ্ঠিত আলোচনাকে ইরান ‘পরোক্ষ আলোচনা’ হিসেবে উল্লেখ করেছিল। ২০১৮ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঐতিহাসিক পরমাণু চুক্তি বাতিল করার পর এটিই ছিল দুই পক্ষের মধ্যে উচ্চ পর্যায়ের প্রথম আলোচনা।
পশ্চিমা দেশগুলো বহুদিন ধরে ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে চাওয়ার অভিযোগ করে আসছে, যদিও তেহরান বরাবরই দাবি করে এসেছে তাদের কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ বেসামরিক উদ্দেশ্যে। ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কোনো কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই।
চলতি বছর জানুয়ারিতে ট্রাম্প পুনরায় দায়িত্ব নেওয়ার পর ইরানের ওপর পরমানু ইস্যু নিয়ে সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগ শুরু করেন। মার্চে তিনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির কাছে একটি চিঠি পাঠান, যাতে কূটনৈতিক সমাধানের আহ্বান জানানো হলেও সামরিক হস্তক্ষেপের হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়।
ট্রাম্প বৃহস্পতিবার বলেন, ‘আমি সামরিক পদক্ষেপে যেতে চাই না। আমার মনে হয় ইরান আলোচনা করতে চায়।’ মস্কোতে শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে আরাঘচি বলেন, ‘আমরা প্রথম দফার আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কিছুটা আন্তরিকতা লক্ষ্য করেছি, তবে তাদের উদ্দেশ্য নিয়ে এখনো সন্দেহ আছে। তবুও আমরা শনিবারের আলোচনায় অংশ নেব।’
আজ শনিবার সকালে এক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পোস্টে ইরানি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এসমাইল বাগায়ি বলেন, ‘আমরা জানি এই পথ সহজ নয়, কিন্তু অতীত অভিজ্ঞতার আলোকে আমরা সচেতনভাবে প্রতিটি পদক্ষেপ নিচ্ছি।

