Logo

আন্তর্জাতিক

এই মোঘল সম্রাটকে নিয়ে উগ্রহিন্দুদের কেন এত ক্ষোভ?

Icon

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ: ২০ এপ্রিল ২০২৫, ১৯:০১

অ
এই মোঘল সম্রাটকে নিয়ে উগ্রহিন্দুদের কেন এত ক্ষোভ?

তার মৃত্যুর ৩০০ পার হয়েছে। কিন্তু ভারত শাসন করা এই মোঘল সম্রাট এখনো দেশটির রাজনীতিতে ব্যাপক আলোচিত। কট্টরপন্থীরা হিন্দুরা তাকে নিয়ে রীতিমতো তোলপাড় কাণ্ড করছে। মোগল সাম্রাজ্যের ষষ্ঠ সম্রাট আওরঙ্গজেব আলমগীর এখন ভারতের উত্তপ্ত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এমন এক কেন্দ্রীয় চরিত্র হয়ে উঠেছেন, যার শাসনামলকে ঘিরে ভারতজুড়ে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ছে।

অনেক সমালোচকের চোখে তিনি ছিলেন এক নিষ্ঠুর শাসক। যিনি নারীদের ওপর অত্যাচার চালিয়েছেন, মন্দির ধ্বংস করেছেন, ধর্মান্তরে বাধ্য করেছেন এবং হিন্দু ও শিখ রাজাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন।

ভারত এখন প্রায় পুরোপুরি হিন্দু জাতীয়তাবাদীদের নিয়ন্ত্রণে। আওরঙ্গজেবের এই তথাকথিত ‘অপরাধগুলো’ কট্টরপন্থী রাজনীতিবিদদের বড় অস্ত্রে পরিণত হয়েছে। কট্টরপন্থীরা তাকে একজন ‘মুসলিম খলনায়ক’ হিসেবে উপস্থাপন করে তার স্মৃতি মুছে ফেলার তুলছেন।

গত মাসে ভারতের নাগপুর শহরে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা শুরু হয়, যেখানে চরমপন্থী হিন্দু জাতীয়তাবাদীরা আওরঙ্গজেবের সমাধি ধ্বংসের আহ্বান জানায়—যা নাগপুর থেকে প্রায় ৪০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।

সম্প্রতি এক বলিউড সিনেমায় এক প্রখ্যাত হিন্দু রাজাকে নিয়ে আওরঙ্গজেবের রক্তক্ষয়ী অভিযানকে কেন্দ্র করে যে চিত্র তুলে ধরা হয়, তা যেন এই সহিংসতাকে আরও উসকে দেয়। এর জেরে বহু মানুষ আহত ও গ্রেপ্তার হন। পরে প্রশাসন নাগপুর শহরে কারফিউ জারি করে।

দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে। কট্টরপন্থী হিন্দুদের অনেকেই আওরঙ্গজেবের নাম ব্যবহার করে অতীতের ‘অবিচার’ নিয়ে সরব হচ্ছেন। তার শাসনামলে ভারতের হিন্দু জনগোষ্ঠী অবিচারের শিকার হয়েছেন—এমনটাই তাদের দাবি।

এতে ভারতের প্রায় ২০ কোটিরও বেশি মুসলিমদের মধ্যে দুশ্চিন্তা ও আতঙ্ক তৈরি হচ্ছে।

মুগ্ধতা ও বিতৃষ্ণা
মোগল শাসনকাল ছিল জয়যাত্রা, দখলদারি ও রক্তাক্ত ক্ষমতার লড়াইয়ের যুগ—তবে সেই একই সময়ে শিল্প-সংস্কৃতির বিপুল বিকাশ ও ধর্মীয় সহনশীলতার এক অসাধারণ যুগও বটে, অন্তত আওরঙ্গজেবের আগ পর্যন্ত।

১৫২৬ সালে বাবরের হাতে প্রতিষ্ঠিত এই সাম্রাজ্য তার বর্তমান আফগানিস্তান থেকে শুরু করে বাংলাদেশ পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছিল। ১৮৫৭ সালে ব্রিটিশদের হাতে শেষ সম্রাট বাহাদুর শাহ জাফরের পতনের মধ্য দিয়ে মোগল সাম্রাজ্যের অবসান ঘটে।

সম্রাট হুমায়ুন, আকবর, জাহাঙ্গীর ও শাহজাহান ছিলেন মোগল শাসকদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পরিচিত—তারা ধর্মীয় সহনশীলতার পক্ষে ছিলেন। ভারতীয় সংস্কৃতিতে গভীর প্রভাবও রেখেছিলেন। তাদের শাসনকালে তাজমহল, দিল্লির লালকেল্লা—এমন অসাধারণ স্থাপত্য নির্মিত হয়।

কিন্তু এই তুলনামূলক সহনশীল শাসকদের মাঝে আওরঙ্গজেব যেন ছিলেন এক ব্যতিক্রম—একদিকে ধর্মীয় কট্টরপন্থী, অন্যদিকে জটিল ব্যক্তিত্ব।

ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বার্কলে) পার্সিয়ান-ঐতিহ্যবাহী দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাসবিদ অভিষেক কৈকরের ভাষায়, ‘মোগল সিংহাসনে আরোহণের শুরু থেকেই আওরঙ্গজেব ছিলেন এক বিতর্কিত চরিত্র—তার প্রতি একদিকে ছিল মুগ্ধতা, অন্যদিকে ঘোর বিরাগ।’

তিনি বলেন, ‘তিনি তার বাবাকে কারাবন্দি ও ভাইদের হত্যা করে সিংহাসন দখল করেছিলেন বলে বহু মানুষের ঘৃণা কুড়িয়েছেন... কিন্তু একই সঙ্গে, তার ব্যক্তিগত সাধাসিধে জীবনযাপন, ধর্মভক্তি, অতুলনীয় সামরিক শক্তি যা মোগল সাম্রাজ্যের আরও বিস্তারে সহায়তা করে। তার রাজনৈতিক দূরদৃষ্টি, প্রশাসনিক দক্ষতা ও ন্যায়পরায়ণতার জন্যও তিনি অনেকের শ্রদ্ধা ও আনুগত্য অর্জন করেছিলেন।’

১৬১৮ সালে জন্ম নেন আওরঙ্গজেব। তার পিতা ছিলেন তাজমহল খ্যাত সম্রাট শাহজাহান ও মা ছিলেন মমতাজ মহল—যার স্মৃতির জন্যই তাজমহল নির্মিত হয়। ইতিহাসবিদদের মতে, তরুণ আওরঙ্গজেব ছিলেন এক ধর্মপ্রাণ, গম্ভীর স্বভাবের ব্যক্তি, যিনি অল্প বয়সেই নেতৃত্বের গুণাবলীর পরিচয় দেন।

মাত্র ১৮ বছর বয়স থেকেই তিনি একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে নিযুক্ত হন এবং প্রতিটি ক্ষেত্রেই নিজেকে দক্ষ সেনাপতি হিসেবে প্রমাণ করেন। তার পিতার আমলেই মোগল সাম্রাজ্য সবচেয়ে সমৃদ্ধিশালী অবস্থায় পৌঁছায়। সেই ঐশ্বর্যশালী সিংহাসনের দখল নিতে মরিয়া হয়ে ওঠেন আওরঙ্গজেব।

১৬৫৭ সালে শাহজাহান অসুস্থ হয়ে পড়লে আওরঙ্গজেব ও তার তিন ভাইয়ের মধ্যে শুরু হয় এক তীব্র উত্তরাধিকার যুদ্ধ। এই সংঘাতে আওরঙ্গজেবের সবচেয়ে বড় প্রতিপক্ষ হয়ে ওঠেন তার বড় ভাই দারাশিকোহ। যিনি ছিলেন হিন্দু-মুসলিম ঐক্য ও ধর্মীয় সহনশীলতার প্রবক্তা।

১৬৫৮ সালে আওরঙ্গজেব অসুস্থ পিতাকে বন্দি করেন। আর পরের বছর ভাই দারাশিকোহকে পরাজিত করে দিল্লির রাস্তায় নোংরা একটি হাতির পিঠে বেঁধে করে জনসমক্ষে ঘুরিয়ে অপমান করেন।

ইতিহাসবিদ যতীনাথ সরকার তার অ্যা শর্ট হিস্টোরি অব আওরঙ্গজেব বইয়ে লিখেছেন, মোগলদের সবচেয়ে প্রিয় ও আদরের পুত্রটি তখন পড়ে ছিল ধুলো ধূসরিত একটি মোটা কাপড়ের পোশাকে। মাথায় ছিল মলিন, গা-ছাড়া এক পাগড়ি, যেটা কেবল গরিবরাই পরে। গায়ে কোনো গহনা বা অলংকার ছিল না।’ পরে দারাশিকোহকে হত্যা করা হয়।

আচমকা পরিবর্তন
এরপর আওরঙ্গজেবের ক্ষমতা চূড়ায় পৌঁছায়। তার নেতৃত্বেই মোগল সাম্রাজ্য ভৌগোলিক দিক থেকে সর্ববৃহৎ রূপ লাভ করে। তার শাসনকালে তিনি বিপুল শ্রদ্ধা অর্জন করেন। শাসনের প্রথম ভাগে কিছুটা কঠোর হাতে শাসন করলেও হিন্দু সংখ্যাগোষ্ঠীর প্রতি তুলনামূলকভাবে সহনশীল ছিলেন।

আলিগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসবিদ নাদিম রেজাভির মতে, ১৬৭৯ সাল পর্যন্ত কোনো মন্দির ধ্বংস বা অমুসলিমদের ওপর জিজিয়া কর চাপানোর খবর পাওয়া যায় না। তার ভাষায়, ‘এই সময়ে আওরঙ্গজেব তার পূর্বপুরুষদের মতোই আচরণ করেছেন’—এমনকি তার দরবারে অনেক হিন্দু উচ্চপদেও আসীন ছিলেন।

তবে ১৬৮০ সালে আচমকা এক মোড় আসে। সেই বছর থেকেই আওরঙ্গজেব ধর্মীয় অসহিষ্ণুতার এক কঠোর রূপ গ্রহণ করেন—যার প্রতিধ্বনি আজও ভারতের ইতিহাস ও রাজনীতিতে শোনা যায়।

ধর্মীয় কট্টরপন্থার পথ বেছে নিয়ে আওরঙ্গজেব তার রাজদরবারের হিন্দু মন্ত্রীদের পদাবনতি ঘটান—যার ফলে বন্ধু থেকে শত্রুতে পরিণত হন অনেকে। তিনি দীর্ঘ ও জনপ্রিয়তাহীন এক যুদ্ধ শুরু করেন দক্ষিণের দাক্ষিণাত্যে, যেখানে প্রধান লক্ষ্য ছিল মারাঠা সাম্রাজ্যের দমন— যা একটি হিন্দু রাজ্য। এই রাজ্য আজও ভারতের কট্টরপন্থী রাজনীতিবিদদের বিশেষত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে গভীর শ্রদ্ধার পাত্র।

মোদির নেতৃত্বাধীন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নেতারা আওরঙ্গজেবের শাসনামলে হিন্দুদের ওপর চালানো নিষ্ঠুরতা নিয়েই সরব—যেমন ধর্মান্তরের জন্য জোরজবরদস্তি, জিজিয়া কর পুনর্বহাল করা ও অমুসলিমদের হত্যার মতো ঘটনা তুলে ধরা হচ্ছে।

তিনি শিখদের বিরুদ্ধেও যুদ্ধ ঘোষণা করেন। তাদের নবম গুরু তেগ বাহাদুরকে মৃত্যুদণ্ড দেন—যে কারণে আজও অনেক শিখের কাছে আওরঙ্গজেব এক ঘৃণার প্রতীক।

এই নিষ্ঠুরতা আবারও উঠে এসেছে সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত বলিউড চলচ্চিত্র ‘ছাভা’-তে। সেখানে আওরঙ্গজেবকে এক বর্বর, উগ্র ইসলামপন্থী হিসেবে দেখানো হয়েছে। যিনি মারাঠা রাজা ছত্রপতি শিবাজির পুত্র সম্ভাজীকে নির্মমভাবে হত্যা করেন।

মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশ বলেন, ছাভা ছবিটি আওরঙ্গজেবের বিরুদ্ধে মানুষের ক্ষোভ জাগিয়ে তুলেছে। যার অন্তর্গত শহরই নাগপুর।

অন্যদিকে মুসলিম সম্প্রদায়ের অভিযোগ, হিন্দু কট্টরপন্থী সংগঠন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের (ভিএইচপি) সদস্যরা কুরআনের আয়াত লেখা একটি চাদর পুড়িয়ে দিয়েছে।

বিশ্ব হিন্দু পরিষদের সদস্য ইয়জেন্দ্র ঠাকুর এই অভিযোগ অস্বীকার করলেও আওরঙ্গজেবের সমাধি সরিয়ে নেওয়ার দাবি আবারও জোর দিয়ে তোলেন।

নাগপুর থেকে সিএনএনকে তিনি বলেন, ‘আওরঙ্গজেবের কবর এখানে থাকা উচিত নয়। তিনি সম্ভাজী মহারাজের সঙ্গে যা করেছিলেন, তার পরিপ্রেক্ষিতে এটা উচিত নয়। আমাদের মুসলিম ভাইদেরও এগিয়ে এসে বলা উচিত যে আওরঙ্গজেবের সমাধি নাগপুরে থাকা উচিত নয়।’

না প্রশংসা, না দোষারোপ
ভারতের ইতিহাসে আওরঙ্গজেবের প্রসঙ্গ তোলা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পক্ষ থেকে খুব একটা অপ্রত্যাশিত কিছু নয়।

ধর্মবিশ্বাসকে প্রকাশ্যে ধারণ করা মোদি দীর্ঘদিন ধরেই যুক্ত রয়েছেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) সঙ্গে। এটি একটি কট্টরপন্থী আধাসামরিক সংগঠন, যারা ভারতে হিন্দু আধিপত্য প্রতিষ্ঠার পক্ষে। তাদের দাবি, ভারতবর্ষে হিন্দুরা ইতিহাসজুড়ে নিপীড়িত হয়েছে—প্রথমে মোগলদের হাতে, পরে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিকদের মাধ্যমে।

আর অনেকেই এই ইতিহাসের সব চিহ্নই মুছে ফেলতে চান।

মহারাষ্ট্রের যে জেলায় আওরঙ্গজেব সমাহিত, সেটি আগে ‘ঔরঙ্গাবাদ’ নামে পরিচিত ছিল। কিন্তু ২০২৩ সালে শহরটির নাম বদলে রাখা হয় ছত্রপতি শিবাজির পুত্র সম্ভাজীর নামে। 

ইতিহাসবিদ নাদিম রেজাভির মতে, আকবর ও শাহজাহানের মতো আওরঙ্গজেবেরও পূর্বসূরিদের কৃতিত্ব এখন পাঠ্যবই থেকে মুছে ফেলা হয়েছে, কিংবা পড়ানোই হয় না।

রেজাভি বলেন, ‘তারা ইতিহাসকে উল্টে দিয়ে, নিজেরা এক ধরনের কল্পিত মিথ তৈরি করতে চাইছে। আওরঙ্গজেবকে ব্যবহার করা হচ্ছে একটি সম্প্রদায়কে দানব হিসেবে তুলে ধরার জন্য।’

২০২৫ সালের ১৭ মার্চ নাগপুরে যখন আওরঙ্গজেবের সমাধি অপসারণের দাবিকে কেন্দ্র করে সাম্প্রদায়িক সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে, তখন পুলিশের উপস্থিতিতেই গাড়িতে আগুন দেওয়া হয় এই শহরে, যা আগে শান্তির জন্য পরিচিত ছিল।

মোদির বিজেপি অবশ্য অস্বীকার করেছে যে তারা আওরঙ্গজেবের নাম ব্যবহার করে ভারতের মুসলিমদের অপমান করছে। তবে দেশের সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে এই ইতিহাসচর্চা এখন আতঙ্ক ও উদ্বেগ তৈরি করছে।

ইতিহাসবিদদের মতে, আওরঙ্গজেব নিঃসন্দেহে ছিলেন এক অন্ধকারময় ও জটিল চরিত্র—তার অনেক নির্মমতা অস্বীকার করা যায় না। তবুও রেজাভির মতে, এটা মাথায় রাখা দরকার যে তিনি এমন এক সময়ে শাসন করেছেন, যখন ‘ভারত’ বলতে আজকের জাতীয় পরিচয় বা কাঠামোটি ছিল না।

রেজাভি বলেন, ‘তখন কোনো সংবিধান ছিল না, সংসদ ছিল না, গণতন্ত্রও ছিল না।’

ইতিহাসবিদ অভিষেক কৈকরের মতেও তাই—এই ধরনের ঐতিহাসিক চরিত্রদের নিয়ে আজকের দৃষ্টিভঙ্গিতে ‘না প্রশংসা করা উচিত, না দোষারোপ’।

তার ভাষায়, ‘তাদের নিজেদের সময় ও পরিপ্রেক্ষিত দেখে বিচার করতে হবে, যেটা আমাদের বর্তমান সময় থেকে অনেক দূরে।’

এখনো নাগপুরে অবস্থিত আওরঙ্গজেবের সমাধি অপসারণের দাবি পূরণ হয়নি। এমনকি কিছু চরমপন্থী হিন্দু নেতারাও এখন সমাধি ভাঙার দাবিকে আমলে নিচ্ছেন না।

স্থানীয় মুসলিম বাসিন্দা আসিফ কুরেশি বলেন, তার শহর আগে কখনো এমন সহিংসতা দেখেনি। তিনি গত মাসের দাঙ্গাকে তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, ‘এটা আমাদের শহরের ইতিহাসে এক কলঙ্ক।’

সিএনএন/ওএফ

Logo
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি মোস্তফা কামাল মহীউদ্দীন ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সৈয়দ মেজবাহ উদ্দিন