খান ইউনুসের নাসের হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে পাঁচ বছরের শিশু ওসামা আল-রেকেব। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, লাগাতার খাদ্য ও ওষুধ সংকটের কারণে শিশুদের চিকিৎসা কার্যক্রম চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে | ছবি : রয়টার্স
গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের বর্বর হামলা অব্যাহত রয়েছে। বৃহস্পতিবার (১ মে) দিনভর উপত্যকাজুড়ে চালানো একাধিক হামলায় নিহত হয়েছেন অন্তত ৩১ জন ফিলিস্তিনি। এ ছাড়া শুক্রবার (২ মে) সকালেও গাজা উপত্যকার বিভিন্ন এলাকায় বিস্ফোরণ ও ধ্বংসযজ্ঞের খবর পাওয়া গেছে।
আল জাজিরার গাজা প্রতিনিধি জানিয়েছেন, টানা ৬০ দিন ধরে ইসরায়েল যেভাবে গাজায় খাদ্য, পানি ও ওষুধ প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি রেখেছে, তা ‘বেসামরিক জনগণকে পরিকল্পিতভাবে শ্বাসরুদ্ধ করার প্রক্রিয়া’। এর ফলে শিশুরা মারাত্মক অপুষ্টি ও অনাহারে মারা যাচ্ছে।
এদিকে, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এক বক্তব্যে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, গাজা যুদ্ধের উদ্দেশ্য এখন আর কেবল জিম্মিদের মুক্তি নয়, বরং শত্রুদের ওপর বিজয় অর্জন।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাতে আল জাজিরা জানিয়েছে, ইসরায়েলের হামলায় এখন পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫২ হাজার ৪১৮ জনে। আহত হয়েছেন ১ লাখ ১৮ হাজার ৯১ জন।
তবে গাজা সরকার পরিচালিত গণমাধ্যম কার্যালয় আরও ভয়াবহ তথ্য দিয়েছে। তাদের দাবি, মৃতের প্রকৃত সংখ্যা ৬১ হাজার ৭০০ ছাড়িয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে থাকা হাজার হাজার মানুষের এখনো কোনো খোঁজ নেই। তাদের অনেককেই মৃত বলে ধরে নেওয়া হচ্ছে।
সূত্র : আল জাজিরা
- এটিআর

