গাজায় ফের ত্রাণবাহী নৌযান পাঠানোর ঘোষণা ফ্লোটিলার
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ০৩ অক্টোবর ২০২৫, ১৫:৩৯
ফিলিস্তিনের যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা উপত্যকায় আবারও ত্রাণ পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে ফিলিস্তিনভিত্তিক আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাগুলোর জোট ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশন (এফএফসি)।
বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) এক বিবৃতিতে এফএফসি জানিয়েছে, ইতালি ও ফ্রান্সের পতাকাবাহী দু’টি নৌযান গত ২৫ সেপ্টেম্বর ইতালির ওৎরান্তো বন্দর থেকে গাজার উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছে। পরে ৩০ সেপ্টেম্বর আরও ৯টি নৌযান রওনা হয়েছে। শিগগিরই সব নৌযান একত্রিত হয়ে গাজার দিকে এগোবে।
বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, নতুন এ বহরের ১১টি নৌযানে প্রায় ১০০ জন স্বেচ্ছাসেবী ও ক্রু রয়েছেন।
এফএফসি হলো ফ্রিডম ফ্লোটিলা ফাউন্ডেশন, গ্লোবাল মুভমেন্ট টু গাজা, মাগরেব সুমুদ ফ্লোটিলা ও সুমুদ নুসানতারা— এ চারটি সংগঠনের জোট। ২০০৮ সালে গঠিত এ জোট গত ১৭ বছরে একাধিকবার গাজায় ত্রাণ পাঠিয়েছে।
গত আগস্টে গাজায় খাদ্য ও ওষুধবাহী ৪৩টি নৌযান পাঠানোর ঘোষণা দেয় এফএফসি জোট। এ মিশনের নাম দেওয়া হয় ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’।
সুইডেনের নাগরিক ও আন্তর্জাতিক পরিবেশ আন্দোলন কর্মী গ্রেটা থুনবার্গ, দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদবিরোধী নেতা ও সাবেক প্রেসিডেন্ট নেলসন ম্যান্ডেলার নাতি ও রাজনীতিবিদ মান্ডলা ম্যান্ডেলাসহ ৪৪টি দেশের ৫০০ জন নাগরিক ছিলেন সেই মিশনে। এ নাগরিকদের কেউ পার্লামেন্টারিয়ান, কেউ আইনজীবী, কেউ রাজনৈতিক আন্দোলনকর্মী ও কেউ স্বেচ্ছাসেবী।
গত ৩১ আগস্ট স্পেনের বন্দর থেকে যাত্রা শুরু করে গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা। কিন্তু গাজার জলসীমার কাছে পৌঁছানোর পরপরই একটি ব্যতীত সব নৌযান আটক করে ইসরায়েলের নৌবাহিনী। নৌযান, ক্রু ও আরোহীদের ইসরায়েলের বন্দরে নেওয়া হয়।
শুক্রবার (৩ অক্টোবর) সকালে অবরুদ্ধ গাজায় ত্রাণ নিয়ে যাওয়া সর্বশেষ নৌযানটিও আটক করেছে দখলকার ইসরায়েলি বাহিনী। যুদ্ধবিধ্বস্ত ফিলিস্তিনি উপকূলের কাছে ইসরায়েলি কমান্ডোরা বলপূর্বক এ জাহাজে প্রবেশ করে সেটির নিয়ন্ত্রণ নেয়।
পোল্যান্ডের পতাকাবাহী এ নৌযানটির নাম ‘দ্য ম্যারিনেট’। এতে ছয়জন আরোহী ছিলেন। যাদের মধ্যে তুরস্কের অধিকারকর্মী সিনান আকিলতু অন্যতম।
এমবি

