চীন কানাডাকে গিলে খাবে : ডোনাল্ড ট্রাম্প
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ২৪ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯:১১
ছবি : সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অভিযোগ করেছেন, ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের গোল্ডেন ডোম আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা স্থাপনের প্রস্তাবের বিরোধিতা করছে কানাডা। তিনি দাবি করেন, কানাডা যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তার পরিবর্তে চীনের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার করছে, যা শেষ পর্যন্ত কানাডার জন্য ক্ষতিকর হবে।
স্থানীয় সময় শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে ট্রাম্প লিখেন, ‘গ্রিনল্যান্ডে গোল্ডেন ডোম স্থাপনের বিরুদ্ধে কানাডা। অথচ এই ব্যবস্থা কানাডাকেও রক্ষা করবে। তারা আমাদের সহায়তা না করে চীনের সঙ্গে ব্যবসার পক্ষে ভোট দিয়েছে। কিন্তু চীন এক বছরের মধ্যে কানাডাকে গিলে খাবে।’
দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেওয়ার পরপরই কানাডার প্রতি এই কঠোর ভাষণ দেন ট্রাম্প। তিনি ইতিমধ্যে বেশ কয়েকবার দেশটির নেতৃত্বের সমালোচনা করেছেন।
কানাডা সম্প্রতি চীনের সঙ্গে একটি বাণিজ্য চুক্তি সই করেছে, যা উভয় দেশের মধ্যকার আমদানি-রপ্তানি শুল্ক উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস করে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নে বেইজিং সফরে গিয়ে এই চুক্তি সম্পাদন করেন। ট্রাম্পের মন্তব্য সেই প্রেক্ষাপটেই আসে।
উল্লেখ্য, কানাডার বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার যুক্তরাষ্ট্র, দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে চীন। দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের কিছুটা উত্তেজনা থাকলেও সাম্প্রতিক সময়ে তারা বাণিজ্যিক সম্পর্ক পুনরুদ্ধারে সক্রিয়।
সম্প্রতি বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের ভাষণে ট্রাম্প বলেছিলেন, গ্রিনল্যান্ডে গোল্ডেন ডোম স্থাপিত হলে কানাডাও এর নিরাপত্তা সুবিধা ভোগ করবে। তিনি এও দাবি করেন যে কানাডা যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে বিনামূল্যে সুবিধা পায় এবং তাদের কারণেই টিকে আছে।
তিনি বলেন, ‘আমরা গোল্ডেন ডোম স্থাপন করব, যা স্বাভাবিকভাবেই কানাডাকে রক্ষা করবে। কানাডা আমাদের কাছ থেকে অনেক কিছু বিনামূল্যে পায়। তাদের আমাদের প্রতি কৃতজ্ঞ হওয়া উচিত। কানাডা যুক্তরাষ্ট্রের কারণেই বেঁচে আছে।’
কানাডার প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে তিনি যোগ করেন, ‘পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে কিছু বলার আগে এটি মনে রাখবেন, মার্ক।’
কিন্তু ট্রাম্পের এই দাবি প্রত্যাখ্যান করে কানাডিয়ান প্রধানমন্ত্রী জবাব দিয়েছিলেন, কানাডা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বেঁচে নেই। আমরা সফল হচ্ছি কারণ আমরা কানাডিয়ান।’
এআরএস

