Logo

আন্তর্জাতিক

শি-পুতিনের সঙ্গে মোদি-শেহবাজ-পেজেশকিয়ানের বৈঠক

Icon

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ: ৩১ আগস্ট ২০২৬, ২০:৩৯

শি-পুতিনের সঙ্গে মোদি-শেহবাজ-পেজেশকিয়ানের বৈঠক

ইউরেশীয় দেশগুলোর জোট সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার (এসসিও) বার্ষিক সম্মেলন শুরু হচ্ছে কিরগিজস্তানে। এতে যোগ দিতে বিশবেকে গেছেন চীনের শি জিনপিং, রাশিয়ার ভ্লাদিমির পুতিন, ইরানের মাসুদ পেজেশকিয়ান, ভারতের নরেন্দ্র মোদিসহ বেশ কয়েকটি দেশের নেতারা।

সম্মেলনের মূল বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন কিরগিজস্তানের প্রেসিডেন্ট সাদির জাপারভ। সেখানে শি, পুতিন, পেজেশকিয়ান, মোদি ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের অংশ নেওয়ার কথা আছে। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানও অংশ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। 

পশ্চিমা বিশ্বের পাল্টা প্রভাব হিসেবে নিজেদের উপস্থাপন করতে ২৫ বছর আগে এসসিও জোট গঠন করা হয়। এতে রাশিয়া, চীন, ভারত, পাকিস্তান, ইরান, মধ্য এশিয়ার চারটি দেশ এবং মস্কোর মিত্র বেলারুশও আছে। তুরস্ক, সৌদি আরব ও কাতার এই জোটের সংলাপ অংশীদার।

অর্থনীতির ওপর জোর দেওয়ার লক্ষ্য থাকলেও গত কয়েক বছরে মস্কো ও বেইজিংয়ের নেতৃত্বে জোটের গতি আরও বেড়েছে। ক্রেমলিনের মুখপাত্র ইউরি উশাকভ জানিয়েছেন, সম্মেলনের ফাঁকে পুতিন অন্যদের পাশাপাশি মাসুদ পেজেশকিয়ান ও শি জিনপিংয়ের সঙ্গে পৃথক দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন। 

পেজেশকিয়ানের সঙ্গে পুতিনের বৈঠকটিকে আলাদা গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। কারণ, কয়েকদিন আগেই যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার (সিআইএ) পরিচালক জন র‍্যাটক্লিফ মস্কোতে বিরল সফর করেছেন। ধারণা করা হচ্ছে, ওই সফরে ইরান ও ইউক্রেন নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

এসসিওর এবারের সম্মেলনটি আরেক কারণেও গুরুত্ব পাচ্ছে। জোটের কয়েকটি সদস্য দেশ বর্তমানে সামরিক ও বাণিজ্য যুদ্ধের মধ্যে আছে। চলতি মাসে ইরানের বাণিজ্য অংশীদারদের ওপর পরোক্ষ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। নিষেধাজ্ঞার খাতের মধ্যে আছে স্বর্ণ, প্রযুক্তি, ডিজিটাল সম্পদ, বিমান চলাচল ও সামুদ্রিক পরিবহন। 

চীন ইরানের তেলের অন্যতম বড় ক্রেতা। হুমকির জবাবে তারা নিজেদের স্বার্থ ‘দৃঢ়ভাবে রক্ষা’ করার কথা বলেছে। তবে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞ মোহাম্মদ হাসান নাজমি এএফপিকে বলেছেন, এই জোট থেকে ইরান বাস্তবে কতটা সুবিধা পাবে, তা অনিশ্চিত। সংকটের সময়ে এসব জোট সমস্যা সমাধানে তেহরানকে খুব কমই সহযোগিতা করেছে।

এসসিও জোট বিশ্বের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৪০ এবং বৈশ্বিক জিডিপির ২৫ শতাংশের প্রতিনিধিত্ব করে। তবে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে বৈচিত্র্য অনেক বেশি। কিছু বিষয়ে মতবিরোধও আছে। 

পণ্য পরিবহন এবং প্রাকৃতিক সম্পদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ মধ্য এশিয়ায় প্রভাব বিস্তার নিয়ে চীন-রাশিয়ার প্রতিযোগিতা আছে। অন্যদিকে, বেইজিংয়ের সঙ্গে নয়াদিল্লি ও ইসলামাবাদের সম্পর্কেও টানাপোড়েন দেখা গেছে।


বাংলাদেশের খবর/এইচআর

Logo
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি মোস্তফা কামাল মহীউদ্দীন ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সৈয়দ মেজবাহ উদ্দিন