গাজার উত্তরাঞ্চলে ফিরতে শুরু করেছে ফিলিস্তিনিরা
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ২৭ জানুয়ারি ২০২৫, ১৩:০২
ছবি : সংগৃহীত
ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে গত ১৯ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতির অংশ হিসেবে আজ সোমবার (২৭ জানুয়ারি) সকালে হাজার হাজার বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনি উত্তর গাজা উপত্যকায় ফিরতে শুরু করেছে।
এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা আনাদোলু এজেন্সি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রত্যক্ষদর্শী ও আনাদোলুর এক সংবাদদাতা জানিয়েছেন, স্থানীয় সময় সকাল ৭টা পর্যন্ত হাজার হাজার মানুষ উপকূলীয় আল-রশিদ সড়ক দিয়ে পায়ে হেঁটে উত্তর গাজার দিকে অগ্রসর হচ্ছে।
ফিলিস্তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম কর্মীরা তাদের এলাকায় ফেরার সময় লোকজনকে স্লোগান ও আনন্দ উদযাপন করার ভিডিও ফুটেজ আপলোড করেছে।
এর আগে গাজার গণমাধ্যম কার্যালয় জানিয়েছিল, সকাল ৭টা থেকে লোকজন উপকূলীয় সড়ক দিয়ে গাড়িতে নয়, পায়ে হেঁটে উত্তর গাজার দিকে যেতে পারবে।
এতে আরও বলা হয়, সকাল ৯টা থেকে গাজার পূর্বাঞ্চলীয় সালাহেদিন সড়ক দিয়ে পায়ে হেঁটে না, যানবাহনে করে মধ্য ও দক্ষিণ গাজা থেকে লোকজন গাজার উত্তরাঞ্চলে যেতে পারবে।
প্রসঙ্গত, গাজায় গত ১৯ জানুয়ারি থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে। তিন-পর্যায়ের এই যুদ্ধবিরতি চুক্তির মধ্যে বন্দি বিনিময় এবং স্থায়ী শান্তি, স্থায়ী যুদ্ধবিরতি এবং গাজা থেকে ইসরায়েলি বাহিনী প্রত্যাহারের লক্ষ্যমাত্রাও রয়েছে।
এদিকে গাজায় ইসরায়েলের বর্বর আগ্রাসনের আপাতত অবসান ঘটলেও ভূখণ্ডটিতে ইসরায়েলি আক্রমণে নিখোঁজ রয়েছেন ১১ হাজারেরও বেশি মানুষ। জাতিসংঘের মতে, ইসরায়েলের বর্বর আক্রমণের কারণে গাজার প্রায় ৮৫ শতাংশ ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছিলেন।
এর প্রেক্ষিতে গত নভেম্বরে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত গাজায় যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও তার সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োয়াভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে।
এছাড়া, গাজায় নির্বিচারে গণহত্যার জন্য আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গণহত্যার মামলাও রয়েছে।
এসবি

