Logo

আন্তর্জাতিক

কাসসাম ব্রিগেডের প্রধান মোহাম্মদ দেইফ শহীদ হয়েছেন : হামাস

Icon

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ: ৩১ জানুয়ারি ২০২৫, ০২:৩৮

অ
কাসসাম ব্রিগেডের প্রধান মোহাম্মদ দেইফ শহীদ হয়েছেন : হামাস

মোহাম্মদ দেইফ

ফিলিস্তিনের গাজার শীর্ষ সামরিক কমান্ডার ও আল কাসসাম ব্রিগেডের প্রধান মোহাম্মদ দেইফ শহীদ হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে হামাস। বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে দেইফের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে হামাস।

দেইফ ১৯৯০ এর দশকে হামাসের সামরিক শাখা কাসাম ব্রিগেডের প্রতিষ্ঠাতাদের একজন ছিলেন। ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে এই বাহিনীর নেতৃত্ব ছিলেন। কয়েক ডজন ইসরায়েলি সেনার মৃত্যুর জন্য তাকে দায়ী করা হয়। তিনি ছিলেন ইসরায়েলের মোস্ট ওয়ান্টেড তালিকার শীর্ষে।

২০১৪ সালের আগস্টে গাজায় একটি বাড়িতে ইসরায়েলি বিমান হামলায় দেইফের স্ত্রী ও সাত মাস বয়সী ছেলে নিহত হন। ইসরায়েলের হামলায় দেইফ একটি চোখ ও একটি পায়ে গুরুতর আঘাত পেয়েছিলেন। আল কাসসাম ব্রিগেডের সুবাদে ফিলিস্তিনিদের নায়কে পরিণত হন তিনি।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর সকালে দেইফের একটি বিরল অডিও রেকর্ডিং জারি করে, যেখানে তিনি অপারেশন ‘আল-আকসা ফ্লাড’ এর ঘোষণা দেন। এই ঘোষণার পরই ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলে ৭ অক্টোবর হামলা চালায় হামাস। ইসলামের তৃতীয় পবিত্র স্থান জেরুজালেমের আল-আকসা মসজিদে ইসরায়েলি হামলার প্রতিশোধ হিসেবে এই অভিযান চালিয়েছিল হামাস।

গত আগস্টে ইসরায়েলি কর্মকর্তারা বলেছিলেন, তাদের সামরিক বাহিনী ১৩ জুলাই খান ইউনিসের পশ্চিমে আল-মাওয়াসিতে একটি বিমান হামলায় দেইফকে হত্যা করেছে। কিন্তু হামাস তখন এই খবরটি অস্বীকার করে। তারা সাংবাদিকদের বলে, দেইফ ‘ভাল আছেন ও সরাসরি’ গ্রুপের অপারেশন তদারকি করছেন।

একই সঙ্গে আল কাসসাম ব্রিগেডের সহকারী প্রধান মারওয়ান ঈসার মৃত্যুর বিষয়টিও নিশ্চিত করেছে হামাস। এই ‍দুজনের পাশাপাশি বেশ কয়েকজন কমান্ডারের মৃত্যুর ঘোষণা দেয় এই স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী। যাদের মধ্যে রয়েছে অস্ত্র ও কমব্যাট সার্ভিসের কমান্ডার গাজী আবু তামা, জনশক্তি কমান্ডার ও সরবরাহ ইউনিটের প্রধান রায়েদ থাবেত ও খান ইউনিস ব্রিগেডের কমান্ডার রাফেই সালামা।

এর আগে, ইসরাইল গত মার্চে মারওয়ান ঈসাকে হত্যার ঘোষণা দিয়েছিল। ওই সময়ে, হামাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তার মৃত্যুর প্রমাণ পায়নি।

কাসসাম ব্রিগেডের মুখপাত্র আবু ওবাইদা এক বর্তায় বারবার দেইফের প্রশংসা করেছেন। তিনি নিশ্চিত করেন যে সামরিক কমান্ডার দেইফকে সত্যিই হত্যা করা হয়েছে। 

তিনি বলেন, আমাদের নেতা মোহাম্মদ দেইফ এটার জন্য উপযুক্ত ছিলেন। তিনি ৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে শত্রুকে আতঙ্কে রেখেছিলেন।

আবু ওবায়দা প্রশ্ন করেন, আল্লাহর কসম! ইতিহাসে মোহাম্মদ দেইফকে কী ‘শহীদ’ ও শাহাদাতের তকমা ছাড়া উল্লেখ করা যাবে? আর কাসসাম ব্রিগেডের মাথা ও স্তম্ভ মারওয়ান ঈসা কী বিছানায় মরতে পারেন?

ওএফ

Logo
সম্পাদক ও প্রকাশক মোস্তফা কামাল মহীউদ্দীন