Logo

আন্তর্জাতিক

স্ট্যানফোর্ড-হার্ভার্ডের ডিগ্রিও মূল্যহীন!

Icon

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ: ৩১ জানুয়ারি ২০২৫, ১১:৪০

অ
স্ট্যানফোর্ড-হার্ভার্ডের ডিগ্রিও মূল্যহীন!

ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশে বেকারত্বের হার দিন দিন বেড়েই চলেছে। অনেকে পছন্দমতো চাকরি পাচ্ছেন না। আর তাই বাংলাদেশের অধিকাংশ শিক্ষার্থী সুন্দর জীবন যাপন ও ভালো চাকরির আশায় পাড়ি জমান বিদেশের মাটিতে। এই আশায় যে তারা ভালো বেতনের চাকরি পাবেন। তবে বাংলাদেশের মত বেকারত্বের সমস্যায় ভুগছে আমেরিকাও। 

আমেরিকার অন্যান্য নামিদামি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের চাকরি পাওয়া দিন দিন কঠিন হচ্ছে। এমবিএ পাশ করা ছাত্রছাত্রীদের কাজ পেতে রীতিমতো কাঠখড় পোড়াতে হচ্ছে। সম্প্রতি চাকরি না পাওয়ার সমস্যা নিয়ে একটি তথ্যপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের জনপ্রিয় সংবাদ সংস্থা ‘ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল’। 

সেখানে বলা হয়েছে, ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান যেমন হার্ভার্ড, স্ট্যানফোর্ড এবং ওয়ার্টনের মতো প্রতিষ্ঠান থেকে ডিগ্রিপ্রাপ্তেরাও কাজ পাচ্ছেন না। ফলে বেকারত্ব বৃদ্ধি পাওয়ায় পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হচ্ছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল’-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, গত বছর হার্ভার্ড বিজনেস স্কুলের এমবিএ স্নাতকদের ২৩ শতাংশ পড়াশোনা শেষ করার তিন মাস পরেও চাকরি পাননি। ২০২২ সালে এই সংখ্যাটি ছিল ১০ শতাংশ। কিন্তু ২০২৩ সালে এক লাফে সেটি বেড়ে ২০ শতাংশে গিয়ে পৌঁছয়।

হার্ভার্ড বিজনেস স্কুলের ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড অ্যালামনি রিলেশনসের অধ্যক্ষ ক্রিস্টেন ফিটজপ্যাট্রিক বলেছেন,  চাকরির বাজার একেবারেই ভালো তা বলা যায় না। সঠিক দক্ষতা থাকার পর ও অনেকে কাজ পাচ্ছে না। কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে হার্ভার্ডের ছাত্র বা ছাত্রীদের আলাদা নজরে দেখার ব্যাপারে বাড়তি গুরুত্ব দিচ্ছে না অনেক নামিদামি সংস্থা।’’

হার্ভার্ডকে বাদ দিলে ওয়ার্টন এবং স্ট্যানফোর্ডের মতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে পাশ করা চাকরি না পাওয়া এমবিএ শিক্ষার্থীর সংখ্যা যথাক্রমে ২০ এবং ২২ শতাংশ বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে ‘ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল’। এ ছাড়া নিউ ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টার্ন স্কুল অফ বিজনেসের স্নাতকদের মধ্যে প্লেসমেন্টের সংখ্যা ক্রমশ কমছে বলে জানা গিয়েছে।

তবে কেন হঠাৎ করেই  আমেরিকাতে বেকারত্বের হার বেড়েছে এই ব্যাপারে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল’ জানিয়েছে,  বাজার খারাপ হওয়ায় দ্বিমুখী সমস্যায় ভুগছে যুক্তরাষ্ট্র। এর জন্য ধীরে ধীরে আর্থিক মন্দার কবলে পড়ছে দেশ। তাছাড়াও যুব সমাজের একটি বড় অংশকে গ্রাস করছে মানসিক সমস্যা।

অন্যদিকে,২০২৩ সালে বিপুল সংখ্যায় কর্মী ছাঁটাই করে বড় বড় কোম্পানি গুলো। করোনাও যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিকে বড় ধাক্কা দিয়েছিল। যার কারণে কর্মী নিয়োগ নীতিতে বদল আসে।

 চাকরির বাজার ছোট হওয়ার কারণ আর্টিফিশিয়াল ইনটেলিজেন্স বা এআই। এর ব্যবহার করে সেরে ফেলছে যাবতীয় কাজ। 

তবে বেকারত্ব কমাতে বিকল্প খুঁজে বের করার প্রচেষ্টা চলছে। হার্ভার্ডের ক্রিস্টেন বলেছেন, বর্তমানে একটি এআই টুল নিয়ে কাজ করছে আমেরিকার এই জনপ্রিয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এর সাহায্যে শিক্ষার্থীরা কোন ধরনের চাকরির জন্য আবেদন করা উচিত, তার সুপারিশ পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন ক্রিস্টেন। 


টিএ

Logo
সম্পাদক ও প্রকাশক মোস্তফা কামাল মহীউদ্দীন