এই পৃথিবীতে আল্লাহ মানুষ এবং জ্বীন জাতি সৃষ্টি করেছেন একমাত্র তার ইবাদত করার জন্য। আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরআনে সূরা আয-যারিয়ার ৫৬ নং আয়াতে বলেন আমি মানুষ এবং জ্বীন জাতিকে সৃষ্টি করেছি কেবল মাত্র আমার ইবাদতের জন্য। এই ইবাদত কালে বলে? ইবাদত মানে কি শুধু সারাদিন তাজবিহ নিয়ে জায়নামাজে পড়ে থাকা, দিবানিশি সিজদাহ্য় পড়ে থাকা, সব কাজ ফেলে রেখে মসজিদে বসে থাকা? উত্তরটা হবে একদমই না। মোমিনের সারাটা জীবন একটি ইবাদত, যদি সেটা হয় আল্লাহ আদেশ এবং রাসুলের সুন্নত অনুযায়ী। মানুষের সাথে চলাফেরা, আচার-আচরণ, আখলাক চরিত্র, লেনদেন, ব্যবসা-বাণিজ্য, কৃষিকাজ, চাকরি-বাকরি, আইন-আদালত, বিবাহ-তালাক সবকিছুতেই ইসলামের বিধান রয়েছে।
আমরা অধিকাংশ মানুষ ব্যবসা করে থাকি। মহান আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরআনে সুরা বাকারার ৭৫ নং আয়াতে বলেন, আমি তোমাদের উপর সুদকে হারাম করেছি এবং ব্যবসাকে হালাল করেছি। আমাদের প্রিয় নবী ১২ বছর বয়সে চাচা আবু তালেবের সাথে প্রথম বাণিজ্য সফরে সিরিয়া গিয়েছিলেন, যা ছিল তাঁর ব্যবসায়িক কার্যক্রমের সূচনা; তবে তিনি পূর্ণাঙ্গভাবে ব্যবসায় জড়িত হন কিশোর বয়স থেকে এবং হযরত খাদিজা (রা.)-এর সঙ্গে ২৫ বছর বয়সে অংশীদারি ব্যবসার দায়িত্ব নেন, যা তাঁর ব্যবসায়িক জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় ছিল। কিশোর বয়স থেকেই তিনি মেষ চড়ানো ও চাচার ব্যবসায়িক কাজে সহায়তা করতেন, যার মাধ্যমে তিনি ব্যবসার কলাকৌশল রপ্ত করেন। পূর্ণাঙ্গ ব্যবসায়িক জীবন: ২৫ বছর বয়সে তিনি হযরত খাদিজা (রা.)-এর বাণিজ্য কাফেলার দায়িত্ব নেন এবং সফলভাবে ব্যবসা পরিচালনা করায় তিনি আল আমিন উপাধি লাভ করেন।
মহানবি (সা.)-এর প্রকৃত পারিবারিক পেশা ছিল ব্যবসা এবং তিনি তার চাচা আবু তালেবের সাথে বহুবার বাণিজ্যিক ভ্রমণ করেছেন। ফলে তিনি বাণিজ্যিক লেনদেনের ক্ষেত্রে অনেক অভিজ্ঞতা, দূরদর্শিতা ও দক্ষতা অর্জন করেছিলেন। তিনি বাণিজ্যে খুবই আগ্রহী ছিলেন এবং তিনি তার প্রিয় চাচা আবু তালিবের কাঁধে বোঝা হয়ে চাপতে চাননি, তাই তিনি ব্যবসার প্রতি ঝুঁকে পড়েন এবং জীবিকার জন্য এ পেশাই গ্রহণ করেন। তিনি ব্যবসার উদ্দেশ্যে সিরিয়া, বসরা ও ইয়েমেন ভ্রমণ করেন এবং এমন সততা, আমানত ও আস্থার সঙ্গে ব্যবসা করেন যে তার সহযোদ্ধা এবং বাজারের সবাই তাকে ‘আমিন’ (বিশ্বস্ত) উপাধিতে ভূষিত করে। একজন সফল ব্যবসায়ীর জন্য বিশ্বস্ততা, সত্যবাদিতা, প্রতিশ্রæতি পালন এবং উত্তম চারিত্রিক-নৈতিকতা হলো ব্যবসার প্রাণ।
রাসুল (সা.)-এর ন্যায়পরায়ণতা ও সদাচারের গুণাবলি প্রতিটি মানুষের হৃদয়ে গেঁথে যায় এবং মক্কার বড় বড় ব্যবসায়ী ও ধনী লোকেরা এ প্রত্যাশা করে যে, তাদের বাণিজ্যিক কার্যক্রম রাসুল (সা.) পরিচালনা করে সমুজ্জ্বল করুক। রাসুল (সা.) সায়েব বিন কায়েস মাখজুমীর মাল ও অর্থ দিয়ে ব্যবসা করেন; বরং তিনিই তাকে ‘তাজিরুল আমিন’ (বিশ্বস্ত ব্যবসিক) উপাধিতে ভূষিত করেছিলেন (আল হাদায়িকুল আনওয়ার ওয়া মাতালিউল আসরার ফি সিরাতিন নাবিয়্যিল মুখতার, পৃষ্ঠা-৫১৫)। রাসুল (সা.)-এর ব্যবসার প্রশংসা রাসুল (সা.) যে কোনো লেনদেন সততা ও বিশ্বস্ততার সঙ্গে করতেন এবং প্রতিটি লেনদেনে তিনি সত্য প্রতিশ্রæতি দিতেন এবং যে প্রতিশ্রæতি দিতেন তা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পূরণ করতেন। (সিরাতে মোস্তফা, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা-৯৬)
হজরত আব্দুল্লাহ বিন সাইব (রা.) বলেন, জাহিলি যুগে রাসুল (সা.) ব্যবসায় আমার অংশীদার ছিলেন এবং সর্বোত্তম অংশীদার ছিলেন; না তিনি কখনো আমার প্রতিদ্ব›দ্বী হয়েছেন আর না আমার সঙ্গে বিবাদ করেছেন। (সুনানে আবি দাউদ, হাদিস-২২৮৭)
ব্যবসার ক্ষেত্রে রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমন বিশ্বস্ত ব্যবসায়ী ছিলেন যা পুরো পৃথিবীর জন্য শিক্ষণীয়। একজন মুসলমানদের ন্যায় এবং ইনসাফের সাথে ব্যবসা করাটা তার ইমানি দায়িত্ব। প্রকৃত মোমিন কখনোই ওজনে কম দেবে না, বেচা-কেনার ক্ষেত্রে মিথ্যা বলবে না, মানুষকে ধোঁকা দিয়ে খারাপ পণ্য ধরিয়ে দেবে না, চাটুকারিতার কবলে ফেলে কারো সাথে দাগাবাজি করবে না। একজন প্রকৃত মোমিন সবসময় তার ক্রেতার সাথে সুন্দর আচরণ করবে, উত্তম আখলাক ও সুন্দর চরিত্রের মাধ্যমে নিজেকে সৎ নিষ্ঠাবান ব্যবসায়ী হিসেবে পৃথিবীর কাছে তুলে ধরবে। একজন মুসলমান হিসেবে আমাদের আখলাক চরিত্র কেমন হওয়া দরকার; উক্ববাহ বিন আমের (রা:) কর্তৃক বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমার সঙ্গে যে আত্মীয়তা ছিন্ন করেছে তুমি তার সাথে তা বজায় কর, তোমাকে যে বঞ্চিত করেছে তুমি তাকে প্রদান কর এবং যে তোমার প্রতি অন্যায়াচরণ করেছে তুমি তাকে ক্ষমা করে দাও (আহমাদ ১৭৪৫২)
এই হাদিসটি মুসলিম উম্মাহকে উত্তম চরিত্র, ক্ষমাশীলতা এবং আত্মীয়তার বন্ধন অটুট রাখার শিক্ষা দেয়। এখানে বলা হয়েছে, যদি তোমাকে কেউ গালি দেয় তুমি তার সাথে সুন্দর আচরণ কর। একজন মোমিনের আচরণে যেন কেউ কষ্ট না পায় সেই কথা বলা হয়েছে। যদি কেউ আমাকে কষ্ট দেয় আমি উত্তম ধৈর্য ধারণ করব, আর ধৈর্যধারণকারীদের সঙ্গে সবসময় আল্লাহ থাকেন।
প্রিয় নবীজি (সা.)-এর জীবনের কথা বলতে গেলে সারাজীবন ভর লিখলেও শেষ হবে না। তবুও যে বর্ণনাটা না দিলেই নয় সেটা হলো তায়েফের ময়দানের সেই হৃদয়বিদারক কাহিনি। যেখানে প্রিয় নবিজি (সা.)-এর বিন্দু পরিমাণ দোষ ছিল না। মক্কার কাফিররা যখন একের পর এক অত্যাচার চালাতে থাকে, রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তখন নতুন সম্ভাবনার খোঁজে বের হন। তায়িফ ছিল একটি সম্ভাবনাময় শহর। তিনি তায়িফের সাকিফ গোত্রের নেতাদের কাছে ইসলামি দাওয়াত পৌঁছে দিতে যান। ইবনু ইসহাক ও ইবনু হিশাম বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সেখানে আব্দে ইয়ালাইল, মাসউদ ও হাবিব নামের তিন নেতার কাছে দাওয়াত পেশ করেন। কিন্তু তারা শুধু প্রত্যাখ্যানই করেননি, তাকে অপমানিতও করেন। কেউ ব্যঙ্গ করে বলল, আল্লাহ কি তোমাকে ছাড়া আর কাউকে পেলেন না?
আরেকজন তাচ্ছিল্যের সুরে বলল, তুমি যদি সত্যিই নবী হও তবে আমি তোমার সাথে কথা বলতে চাই না, আর যদি মিথ্যাবাদী হও তবে আমার সাথে কথা বলার কোনো প্রয়োজন নেই। (সিরাতু ইবনি হিশাম: ২/২৮)
এই অপমানও যথেষ্ট ছিল না; তারা শহরের বখাটে ছেলেদের প্রিয় নবীর পিছনে লেলিয়ে দেয়, দাসদের ও দাসীদের রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে ঘিরে ধরতে পাঠায়। তারা দুই সারি করে দাঁড়িয়ে পাথর ছুঁড়তে থাকে।
সিরাতু ইবনি হিশাম ও সহিহ বুখারিতে এসেছে, এত বেশি আঘাতের ফলে নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর পা থেকে রক্ত প্রবাহিত হচ্ছিল। নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সঙ্গে থাকা হজরত যায়েদ ইবনু হারিসা (রা.)-ও আহত হন।
রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ক্লান্ত শরীরে এক আঙুর বাগানে আশ্রয় নেন, যা উতবা ও শাইবা ইবনু রাবিয়ার মালিকানাধীন ছিল। সেখানে তিনি তার দুঃখভারাক্রান্ত হৃদয় নিয়ে আল্লাহর কাছে এক হৃদয়বিদারক দুআ করেন। নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সেই দুআ সিরাতের কিতাবগুলোতে এমনভাবে এসেছে যে পাঠকের চোখ অশ্রুসিক্ত হয়ে যায়। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দোয়া করে বলেন: হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছেই অভিযোগ করছি আমার দুর্বলতার, আমার অসহায়ত্বের এবং মানুষের কাছে আমার হীনতার। হে পরম দয়ালু! তুমি নিপীড়িতদের রব, তুমি-ই আমার রব। (সিরাতু ইবনি হিশাম: ২/২৯)
এই দুআ নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বিনয়, ধৈর্য ও আল্লাহর ওপর পূর্ণ নির্ভরতার অনন্য দৃষ্টান্ত। তখন আল্লাহ তাআলা জিবরাইল (আ.)-কে পাঠালেন। সহিহ বুখারিতে এসেছে, পাহাড়ের ফেরেশতা এসে সালাম দিলেন এবং বললেন, ‘হে মুহাম্মাদ, আল্লাহ আপনার সম্প্রদায়ের কথা শুনেছেন। আমি প্রেরিত হয়েছি আপনার আদেশের অপেক্ষায়। আপনি চাইলে আমি তায়িফের দুই পাহাড়ের মধ্যে তাদের চাপা দিয়ে ধ্বংস করে দেব’। (সহিহ বুখারি: ৩০৫৯)
রাসুলুল্লাহ (সা.) ছিলেন রহমতের প্রকৃত কান্ডারী; তিনি বদদুআ করেননি। বরং তায়েফবাসীর জন্য তার রহমতের ডানা বিছিয়ে দিয়েছিলেন। তিনি ফেরেশতার প্রশ্নের উত্তরে বললেন, না, এদেরকে ধ্বংস করো না; আমি আল্লাহর কাছে আশা করি তিনি যেন তাদের বংশধরদের মধ্য থেকে এমন লোক বের করবেন যারা একমাত্র আল্লাহর ইবাদত করবে। (সহিহ বুখারি: ৩০৫৯)
এটি নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর অতুলনীয় ধৈর্য, দয়া ও ক্ষমাশীলতার অনন্য উদাহরণ। আয়াতের আলোকে তায়িফের শিক্ষা কোরআনে আল্লাহ তাআলা তার প্রিয় নবীকে সান্ত¡না দিয়ে বলেন, অতএব তুমি ধৈর্য ধারণ করো সুন্দর ধৈর্য সহকারে। (সুরা মাআরিজ ৭০:৫)
তায়িফের এই ঘটনাই ধৈর্যের সর্বোচ্চ মানদণ্ড স্থাপন করেছে। তিনি কি পারতেন না তাদের জন্য বদদুআ করতে? তিনি কি পারতেন না আল্লাহর আদেশে ফেরেশতার মাধ্যমে তায়েফবাসীকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করতে? অবশ্যই পারতেন; আল্লাহ তাকে সেই ক্ষমতা দিয়েছিলেন, কিন্তু তিনি তা করেননি। যার ফলে নবীজির ইন্তেকালের পরে তায়েফবাসীরা দলে দলে ইসলামের সুশীতল ছায়াতলে আসেন।
ইসলামই হলো একমাত্র শান্তির ধর্ম। অনেকেই মা-বোনদের পর্দা নিয়ে কথা বলেন; যারা বলে পর্দা মেয়েদের উন্নতির পথে বাধা, এবং এটি আধুনিকতা ও সভ্যতার পরিপন্থী, যা নারীকে গৃহবন্দী করে এবং শিক্ষা ও কর্মক্ষেত্রে তাদের অংশগ্রহণ কমিয়ে দেয়; কিন্তু তারা জানে না পর্দা হলো নারীর ভূষণ, পর্দা নারীর সম্মান, নিরাপত্তা ও আত্মমর্যাদা বৃদ্ধি করে, সমাজের বিশৃঙ্খলা কমায় এবং এটি নারীর ব্যক্তিত্ব ও তাকওয়ার প্রতীক, যা তাদের উন্নয়নের পথে বাধা নয় বরং সহায়ক।
ইসলাম নিঃসন্দেহে পর্দাপ্রথার মাধ্যমে নারীজাতিকে মর্যাদা ও সম্মানের আসনে অধিষ্ঠিত করেছে এবং তাকে এমন এক নিরাপত্তা দান করেছে, যার ফলে একজন নারী অধিকতর স্বাচ্ছন্দ্যে তার কাজকর্মসমূহ সমাধা করতে পারে। পর্দা মুসলিম নারীকে প্রশান্তি দান করেছে। আমরা নিশ্চয়ই লক্ষ্য করে থাকবো যে পর্দা বা হিজাব পালনকারী একজন নারী অধিকতর নিরুদ্বেগ ও স্বাচ্ছন্দপূর্ণ জীবন যাপন করে থাকেন। এটা এই কারণে যে আত্মমর্যাদাশীল নারী হওয়ার জন্য ইসলাম দৈহিক অবয়বের গুরুত্বকে কমিয়ে দিয়েছে। একজন মুসলিম নারী তার প্রতিভা ও মননশীলতার বিকাশের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ স্বাধীন; এজন্য তাকে কোনো রূপ শারীরিক সৌন্দর্যের উপর নির্ভর করতে হয় না, বাজারের পণ্য হিসেবে বিবেচিত হতে হয় না। একই সাথে একজন নারী সঠিকভাবে হিজাব বা পর্দা পালনের মাধ্যমে সমাজের প্রতি তার দায়িত্বও পালন করে থাকেন। কেননা ইসলাম কেবল ব্যক্তির জন্য দিকনির্দেশনা প্রদান করে না, বরং সমাজের কল্যাণের জন্যও দিকনির্দেশনা প্রদান করে থাকে, আর এক্ষেত্রে পর্দাপ্রথা সমাজের নৈতিক পরিস্থিতিকে সুরক্ষা করে থাকে। একজন মুসলিম নারীর দায়িত্ব কেবল স্ত্রী, মাতা বা কন্যা হিসেবেই নয়, বরং সমাজে নৈতিকতার মানদণ্ড রক্ষায়ও পুরুষের পাশাপাশি তারা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারেন। আর এইভাবে একজন পর্দানশীন মুসলিম নারী নিজের ও সমাজের কল্যাণ সাধনের মাধ্যমে মহান আল্লাহ তা’আলার নৈকট্য লাভ করে থাকেন।
ইসলাম হলো পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান এবং মুসলমানের জন্য অমূল্য রতœ। যদি কোনো ব্যক্তি আল্লাহর আদেশ এবং রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সুন্নত অনুযায়ী তার জীবনকে পরিচালিত করতে পারেন, তাহলে সে দুনিয়া ও আখিরাতে সফলকাম। আল্লাহ তাআলা আমাকে, আপনাকে এবং সকল মুমিন মুমিনাতকে তার আদেশ এবং আমাদের প্রিয় নবীর সুন্নতকে আঁকড়ে ধরার তৌফিক দান করুন। ওমা তৌফিকি ইল্লা বিল্লাহ।
লেখক : প্রাবন্ধিক ও শিক্ষার্থী, জামিয়া আরাবিয়া বাহরূল উলুম, ময়মনসিংহ

