জুলাই গণঅভ্যুত্থান
চানখারপুলে হত্যাকাণ্ড মামলায় রায় ঘোষণা
বাংলাদেশের প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২৬ জানুয়ারি ২০২৬, ১২:৫২
রাজধানীর চানখারপুলে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ছাত্রজনতার গণঅভ্যুত্থানের সময় ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ঘোষণা শুরু হয়েছে।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সকাল ১১টা ৫০ মিনিটে বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ রায় ঘোষণা করেন।
রায় ঘোষণা সরাসরি সম্প্রচার করছে বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি)।
ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে এ মামলায় শুনানি করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম, গাজী এমএইচ তামীম, সহিদুল ইসলাম ও আবদুল্লাহ আল নোমান।
আসামি ইমাজ হোসেন ইমনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. জিয়াউর রশিদ। পলাতক চার আসামির পক্ষে রাষ্ট্র নিযুক্ত আইনজীবী হিসেবে ছিলেন কুতুবউদ্দিন আহমেদ।
পুলিশের গুলিতে নিহতরা হলেন শাহরিয়ার খান আনাস, শেখ মাহদী হাসান জুনায়েদ, মো. ইয়াকুব, মো. রাকিব হাওলাদার, মো. ইসমামুল হক ও মানিক মিয়া। হত্যাকাণ্ডের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট চানখারপুল এলাকায় শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে গুলি চালায় পুলিশ। এতে শাহরিয়ার খান আনাস, শেখ মাহদী হাসান জুনায়েদ, মো. ইয়াকুব, মো. রাকিব হাওলাদার, মো. ইসমামুল হক ও মানিক মিয়া শহীদ হন। এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করা হয়।
গত ১১ আগস্ট চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলামের সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন করার পর এ মামলার প্রথম সাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দেন শহীদ আনাসের বাবা সাহরিয়ার খান পলাশ। এরপর শহীদ আনাসের মা ও নানাসহ ২৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ ও জেরা সম্পন্ন হয়। এ মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন সাবেক স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া।
এ মামলায় গ্রেপ্তার চার আসামি হলেন- সাবেক শাহবাগ থানার ওসি (অপারেশন) মো. আরশেদ হোসেন, কনস্টেবল মো. সুজন মিয়া, মো. ইমাজ হোসেন ইমন ও মো. নাসিরুল ইসলাম।
অন্যদিকে পলাতক রয়েছেন- ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, সাবেক যুগ্ম কমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী, রমনা অঞ্চলের সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) শাহ আলম মো. আখতারুল ইসলাম ও সাবেক সহকারী কমিশনার (এসি) মোহাম্মদ ইমরুল।
এমবি

