অপপ্রচার ঠেকাতে অনিবন্ধিত অনলাইন পোর্টাল বন্ধে হাইকোর্টে রিট
আইন ও আদালত ডেস্ক :
প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ১৬:৪৭
সংগৃহীত
রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর তথ্য প্রচার বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন দায়ের করা হয়েছে।
সোমবার (২২ জুন) জনস্বার্থে রিট আবেদনটি দায়ের করেছেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আইনজীবী ও ন্যাশনাল লইয়ার্স কাউন্সিল-এর চেয়ারম্যান এস. এম. জুলফিকুর আলী (জুনু)।
স্বরাষ্ট্র সচিব, তথ্য ও সম্প্রচার সচিব, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি), র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-এর মহাপরিচালক, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার, সিআইডির প্রধান এবং সিআইডি সাইবার পুলিশ সেন্টারের প্রধানকে রিটে বিবাদী করা হয়েছে।
রিটে বলা হয়েছে, কিছু অনলাইন পোর্টাল, ফেসবুক পেজ, ইউটিউব চ্যানেল ও অন্যান্য ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর তথ্য প্রচার করা হচ্ছে। এসব কর্মকাণ্ডের ফলে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হচ্ছে এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের প্রতি জনগণের আস্থা ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
আবেদনে আরও বলা হয়, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি উপস্থাপন করে লিখিত আবেদন দেওয়া হলেও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দৃশ্যমান অগ্রগতি পরিলক্ষিত হয়নি। ফলে জনস্বার্থে সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের অধীনে হাইকোর্টের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন হয়ে পড়েছে।
রিট আবেদনে সংশ্লিষ্ট অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলোর কার্যক্রম তদন্ত, প্রকৃত মালিকানা ও নিবন্ধন যাচাই, আইনবিরোধী কনটেন্টের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ, প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট প্ল্যাটফর্ম বন্ধ বা ব্লক করা এবং অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।
আবেদনকারী আইনজীবী এস. এম. জুলফিকুর আলী (জুনু) বলেন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা গণতন্ত্রের অন্যতম ভিত্তি। তবে মিথ্যা তথ্য, গুজব, সাইবার হয়রানি ও মানহানিকর প্রচারণা কোনোভাবেই মতপ্রকাশের স্বাধীনতার আওতাভুক্ত নয়। রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি, আইনের শাসন এবং জনস্বার্থ রক্ষায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি। রিট আবেদনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন অনলাইন কনটেন্ট, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্ট এবং পূর্বে দাখিলকৃত প্রতিনিধিত্বপত্র সংযুক্ত করা হয়েছে।
বাংলাদেশেরখবর/আরকে

