Logo

জীবনানন্দ

কবি নজরুল ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন

Icon

রায়হান উল্লাহ

প্রকাশ: ২৭ মার্চ ২০২৬, ২০:৩৮

কবি নজরুল ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন

বাংলাদেশের জাতীয় কবি, বিদ্রোহ, সাম্য ও মানবতার কবি কাজী নজরুল ইসলামের জীবন বড়ই বৈচিত্র্যময় এবং বর্ণিল। তিনি রুটির দোকানে কাজ করেছেন, লেটো গানের দলের সদস্য ছিলেন, হাবিলদার হিসেবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন। তার জীবন কেবল সাহিত্যচর্চার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না। তিনি ছিলেন ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনবিরোধী আন্দোলনের একজন সক্রিয় কর্মী, চিন্তক ও প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর।

নানা কিছু করার মাঝে তার একটি ভূমিকা হয়তো অনেকের অজানা। তিনি জনপ্রতিনিধি হতে চেয়েছিলেন। ভোটের লড়াইয়ে নেমেছিলেন।

ব্রিটিশ আমল থেকেই আমাদের দেশের কবি-লেখকরা যুক্ত ছিলেন রাজনীতির সঙ্গে। তবে ভোটের রাজনীতিতে খুব কম লেখকই অংশ নিয়েছেন। মোহাম্মদ আকরম খাঁ, সৈয়দ আবুল মনসুর আহমদ, অধ্যাপক শাহেদ আলীসহ অল্প কয়জন লেখক বিভিন্ন সময় নির্বাচনে জয়ী হয়েছিলেন। কিন্তু বিফলের তালিকাটা লম্বা। আর এ তালিকায় ওপরের দিকে আছে কবি কাজী নজরুল ইসলামের নাম। আছেন হাল আমলের কবি নির্মলেন্দু গুণও।

কবি-সাহিত্যিকদের নির্বাচনে দাঁড়ানোর ফলে একটি বিষয় স্পষ্ট হয়- কবিতার জীবন আর নির্বাচনী সংস্কৃতি এক না; যোজন যোজন তফাৎ এতে।

১৯২৬ সালের কথা। তখন বাংলাদেশ হয়নি। পাকিস্তানও হয়নি। পুরোটাই ভারতবর্ষ। ওই বছরের শেষ দিকে ‘ভারতীয় কেন্দ্রীয় আইনসভা’ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। কাজী নজরুল ইসলাম তখন সারা বাংলায় অত্যন্ত জনপ্রিয় কবি। অবশ্য ইতোমধ্যেই গোঁড়া মুসলিম ও প্রতিক্রিয়াশীলদের দেওয়া ‘কাফের’ ফতোয়াও কবির কাঁধে পড়েছে। নির্বাচনে কংগ্রেস-সমর্থিত অর্থাৎ স্বরাজ পার্টির প্রার্থী ছিলেন কবি নজরুল। নির্বাচনে ভোটদাতাদের সংখ্যা ছিল ১৮ হাজার ১১৬ জন। প্রত্যেক ভোটদাতা দুটি করে ভোট দিতে পারতেন। ঢাকা বিভাগ থেকে আইনসভায় দুজন মুসলিম প্রতিনিধির কোটা ছিল। বর্তমান ঢাকা, ফরিদপুর, বাকেরগঞ্জ ও বৃহত্তর ময়মনসিংহ নিয়ে গঠিত একটি আসন থেকে নির্বাচনে দাঁড়িয়েছিলেন নজরুল।

প্রার্থী দাঁড়িয়েছিলেন পাঁচজন। নজরুলের প্রতিদ্বন্দ্বী তিনজনই জমিদার। মুসলিম লীগের প্রার্থী, বরিশালের বামনার জমিদার মুহম্মদ ইসমাইল হোসেন চৌধুরী (তিনি ছিলেন রাজবাড়ীর পদমদীর জমিদার নবাব মীর মোহাম্মদ আলীর ভ্রাতুষ্পুত্রী আসমাতুন্নেছার স্বামী), টাঙ্গাইলের জমিদার আবদুল হামিদ গজনভী ও ঢাকার নবাববাড়ির খাজা আব্দুল করিম। আর বাকি দুজন- মফিজউদ্দিন আহমদ ও নজরুল নিজেই।

বর্তমানে নির্বাচনে দাঁড়ালে বানের জলের মতো অর্থ খরচ হয়। ওই সময়ে এতটা না হলেও অর্থতো লাগতই। কিন্তু দুখু মিয়া, সাম্যবাদী ভাবধারার নজরুলের সম্বল ছিল মাত্র ৩০০ টাকা। তাও স্বরাজ দলের নেতা বিধান চন্দ্র রায় দিয়েছিলেন বলে শোনা যায়।

কবি ভাবলেন- টাকা নেই তাতে কী? বাংলার মানুষ তাকে চেনে এক ডাকে। চির-বিদ্রোহী তিনি। ভোটে নির্বাচিত হলে তিনি সেই সব গরিব মানুষদের কথা তুলে ধরবেন যাদের হয়ে কথা বলার কেউ নেই। অ্যারিস্টোক্রেসি-ব্যারিস্টোক্রেসির মায়াজালের বিরুদ্ধে স্কুল ছুট তিনি হবেন এক মূর্তিমান কালাপাহাড়। কবি যেন বলতে চাইলেন- ঐ নূতনের কেতন ওড়ে কাল-বোশেখীর ঝড়। অসম্ভব আত্মবিশ্বাস আর মানুষের ওপর আস্থা, কেবল এইটুকু আশ্রয় করে কবি নির্বাচন যুদ্ধে শামিল হলেন।

এদিকে ৩০০ টাকা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই সামান্য। ভোটারদের কাছে পৌঁছানো তো দূর অস্ত, নিজের নামটুকু তাদের কাছে পৌঁছে দেওয়াও ছিল অসাধ্য। তখনকার সময় ভোটাধিকার ছিল সীমিত, বিস্তীর্ণ অঞ্চলজুড়ে ছড়িয়ে ছিলেন ভোটাররা, এদের বেশির ভাগই ছিলেন জমিদার ও অবস্থাপন্ন। এই সব ভোটারদের কাছে পৌঁছানোর জন্য যে ধরনের ভোট মেশিনারি লাগে, তার প্রায় কিছুই ছিল না কবির। কলকাতা আর দূর বাংলার চালচিত্র যে একরকম নয়, কবি তা অনেক পরে উপলব্ধি করতে পেরেছিলেন।

কিন্তু তিনি বিদ্রোহী নজরুল। মানুষের মনে তার নাম লেখা আছে। এমনই বিশ্বাস তার। চললেন তিনি ঢাকা। গাঁটের পয়সা খরচা করে চলল নির্বাচনী প্রচার। বহু নেতার দ্বারে দ্বারে ঘুরলেন কবি। ভোট পেতে কি না করেছেন তিনি।

ওই নির্বাচনে মূলত পীর-মাশায়েখদের সমর্থননির্ভর হয়েই মুসলিম প্রার্থীরা ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন। ফরিদপুরের পীর মহসিন উদ্দিন দুদুমিয়া বা পীর বাদশা মিয়া (১৮১৯-১৮৬২) নির্বাচনে সেবার ফতোয়া দিয়েছিলেন বেশ কায়দা করে, কেন্দ্রীয় পরিষদে স্বরাজ পার্টির কবি নজরুল আর নিম্ন আইন পরিষদে বিপরীত দলের প্রার্থী লাল মিয়াকে। পীর সাহেবের ‘ফতোয়া’ হাতে নিয়ে নজরুল ছুটে এসেছিলেন ফরিদপুরে, তমিজউদ্দিনের উদ্দেশে। ওঠেন পল্লিকবি জসীম উদ্দীনের বাড়িতে।

জসীম উদ্দীন লিখেছেন সেই নির্বাাচনী স্মৃতিকথা- ‘একদিন গ্রীষ্মকালে হঠাৎ কবি আমার পদ্মাতীরে আসিয়া উপস্থিত। তিনি কেন্দ্রীয় আইনসভার সভ্য হইবার জন্য দাঁড়াইয়াছেন। ...কবি তখন তার সুটকেস হইতে এক বান্ডিল কাগজ বাহির করিয়া আমার হাতে দিয়া বলিলেন, এই দেখো, পীর বাদশা মিয়া আমাকে সমর্থন দিয়া ফতোয়া দিয়েছেন। পূর্ববঙ্গের এত বড় বিখ্যাত পীর যা বলবেন, মুসলিম সমাজ তা মাথা নত করে মেনে নেবে। জসীম, তুমি ভেবো না। নিশ্চয় সবাই আমাকে ভোট দেবে। ঢাকায় আমি শতকরা নিরানব্বইটি ভোট পাব। তোমাদের ফরিদপুরের ভোট যদি কিছু আমি পাই তা হলেই কেল্লাফতে। নির্বাচিত আমি তো হবো?ই; নির্বাচিত হলে মাঝে মাঝে আমাকে দিল্লি যেতে হবে। তখন তোমরা কেউ কেউ আমার সঙ্গে যাবে।’

কবি জসীম উদ্দীন আরো লিখেছেন- ‘আমরা দুইজনে উঠিয়া ফরিদপুর মৌলবী তমিজউদ্দীন খানের বাড়ি আসিয়া উপস্থিত হইলাম। তমিজউদ্দীন সাহেব আইনসভার নিম্ন পরিষদের সভ্যপদের প্রার্থী ছিলেন। তাহার প্রতিদ্বন্দ্বী ফরিদপুরের তরুণ জমিদার বন্ধুবর লাল মিয়া সাহেব। আমরা লাল মিয়া সাহেবের সমর্থক ছিলাম। ...কবিকে দেখিয়া তাহারা সবাই আশ্চর্য হইয়া গেলেন। কবি যখন তাহার ভোট অভিযানের কথা বলিলেন, তখন তমিজউদ্দীন সাহেবের একজন সভাসদ বলিয়া উঠিলেন, তুমি তো কাফের। তোমাকে কোনো মুসলমান ভোট দিবে না। ...তিনি হাসিয়া বলিলেন, আপনারা আমাকে কাফের বলছেন, এর চেয়েও কঠিন কথা আমাকে শুনতে হয়। আমার গায়ের চামড়া এত পুরু যে, আপনাদের তীক্ষ্ন কথার বাণ তা ভেদ করতে পারে না। তবে আমি বড়ই সুখী হবো, আপনারা যদি আমার রচিত দু-একটি কবিতা শোনেন। কবিকে তখন সবাই ঘিরিয়া বসিলেন। কবি আবৃত্তি করিয়া চলিলেন। কবি যখন তাহার মহররম কবিতাটি আবৃত্তি করিলেন, তখন যে ভদ্রলোকটি কবিকে কাফের বলিয়াছিলেন তারই চোখে সকলের আগে অশ্রুধারা দেখা দিল।’

তমিজউদ্দীন খান তখন ভারতবর্ষের মুসলমান নেতৃত্বের মধ্যে স্বনামধন্য ব্যক্তিত্ব এবং ফরিদপুরের রাজনৈতিক অঙ্গনের একজন বিশিষ্ট ভদ্রলোক হিসেবে পরিচিতি পেয়েছিলেন। কিন্তু সেদিন মধ্যাহ্নে নিজের বাড়ি থেকে কবি নজরুলকে অভুক্ত রেখে তার প্রতি যে বিরূপ আচরণ করেছিলেন, তাকে কোনোভাবেই শিষ্টাচারসম্মত বলে স্বীকার করা যায় না।

জসীম উদ্দীনের বর্ণনায় সেই মর্মবাণীই প্রতিধ্বনিত হয়েছে- ‘আমি কবির কানে কানে বলিলাম, এইবার আপনার ইলেকশানের কথা তাদের বলুন। কিন্তু কে কাহার কথা শোনে! কবি আবৃত্তি করিয়াই চলিয়াছেন। তখন আমি সবাইকে শুনাইয়া বলিলাম, আপনারা কবির কবিতা শুনছেন- এ অতি উত্তম কথা। কিন্তু কবি একটি বড় কাজে এখানে এসেছেন। আসন্ন ভোট-সংগ্রামে কবি আপনাদের সমর্থন আশা করেন। এই বিষয়ে কিছু আলোচনা করুন। তমিজউদ্দীন সাহেব চালাক লোক। ...কবিকে তিনি আড়ালে ডাকিয়া লইয়া গেলেন। পাঁচ-ছয় মিনিট পরে হাসি মুখেই...আসিয়া কবি আবার পূর্ববৎ কবিতা আবৃত্তি করিয়া চলিলেন।... তাহাদের ভেতর হইতে একটি লোকও বলিল না, এত বেলায় আপনি কোথায় যাইবেন, আমাদের এখান হইতে খাইয়া যান। আমার নিজের জেলা ফরিদপুরের এই কলঙ্ক-কথা বলিতে লজ্জায় আমার মাথা নত হইয়া পড়িতেছে। কিন্তু এ কথা না বলিলে, সেই যুগে আমাদের সমাজ এত বড় একজন কবিকে কিভাবে অবহেলা করিতেন, তাহা জানা যাইবে না।’

জসীম উদ্দীন রাগে, দুঃখে, অপমানে, অভিমানে ফরিদপুর শহরে খাবার হোটেলের খোঁজে বের হন, সেই মাছি ভন ভন, তেলচিটচিটে বালিশ নির্গত পূতিগন্ধময় পরিবেশ অতিক্রম করে অবশেষে কবিকে নিয়ে বাড়ন্ত বেলায় মধ্যাহ্ন আহারপর্ব সমাধা করেন।

কবি নজরুল প্রবন্ধে জসিম উদ্দীন লিখেছেন সেই মর্মন্তুদ এবং করুণ কথা- ‘পথে আসিতে আসিতে কবিকে জিজ্ঞাসা করিলাম, তমিজউদ্দীন সাহেবের দল আমাদের সমর্থন করবেন। এবার তবে কেল্লাফতে! কবি উত্তর করিলেন, না হে, তারা বাইরে ডেকে নিয়ে আগেই আমাকে বলে দিয়েছেন, আমাকে সমর্থন দিবেন না। তারা সমর্থন করিবেন বরিশালের ইসমাইল সাহেবকে। তখন আমার রাগে দুঃখে কাঁদিতে ইচ্ছা হইতেছিল। রাগ করিয়াই কবিকে বলিলাম, আচ্ছা কবিভাই! এই যদি আপনি জানিলেন, তবে তাদের কবিতা শুনিয়ে সারাটা দিন নষ্ট করলেন কেন? কবি হাসিয়া কহিলেন, তারা শুনতে চাইলে, শুনিয়ে দিলুম। এ কথার আর কী উত্তর দিব? কবিকে লইয়া হোটেলের সন্ধানে বাহির হইলাম। তখনকার দিনে ফরিদপুরে ভালো হোটেল ছিল না। যে হোটেলে যাই, দেখি মাছি ভন ভন করিতেছে। ময়লা বিছানা-বালিশ হইতে নোংরা গন্ধ বাহির হইতেছে। তারই মধ্যে অপেক্ষাকৃত একটি পরিষ্কার হোটেল বাছিয়া লইয়া কোনো রকম ভোজনপর্ব সমাধা করিলাম।’

ভালোবাসা, বিদ্রোহী কবিকে সামনাসামনি দেখা আর তাকেই ভোট দেওয়া যে এক নয়; সেদিন বুঝেছিলেন জসীম উদ্দীন। নজরুলকে হতাশ করেননি তিনি। ভোটের দিন জসীম উদ্দীন পোলিং বুথে নজরুলকে বসিয়ে দিয়ে আসেন। কারণ তার মনে হয়েছিল কবিকে দেখে ভোটাররা যদি তাকে সমর্থন করেন!

তমিজউদ্দীন বা তার কিছু অনুসারীই শুধু নয়, তখনকার দিনে মুসলমান সমাজের প্রতিনিধিত্বকারী কিছু সাময়িকপত্র ও সংবাদপত্র নজরুলের বিরোধিতায় একেবারে মুখর হয়ে উঠেছিল। মুসলিম মাশায়েখ সমাজের সমর্থন ছাপিয়ে এসব প্রতিক্রিয়াশীলের বহুমুখী প্রচারণায় কবি ফরিদপুরে এসে বুঝতে পারলেন ভোটযুদ্ধে তার অবস্থান কোথায়? ভেবেচিন্তে কবি অবশেষে জামানতের টাকা রক্ষার তাগিদে ঢাকার দিকে চলে যান।

জসিম উদ্দীন লিখেছেন- ‘প্রথম ভোটের দিন কবিকে ভোট গ্রাহক অফিসারের সামনে বসাইয়া দিলাম। কবির সামনে গিয়া ভোটাররা ভোট দিবেন। ...পরদিন সকালে ...কবি আমাকে বলিলেন, দেখ জসীম, ভেবে দেখেছি, এই ভোটযুদ্ধে আমার জয় হবে না। আমি ঢাকা চলে যাই। দেখি, অন্ততপক্ষে জামানতের টাকাটা যাতে মারা না যায়।’

নির্বাচনী প্রচারণার কাজ শেষে কবি ২৩ নভেম্বর কৃষ্ণনগর চলে যান, এদিনই ফলাফল প্রকাশিত হয়। ফলে দেখা যায়, তার প্রতিদ্বন্দ্বী বরিশালের জমিদার মুহম্মদ ইসমাইল চৌধুরী বিজয়ী হয়েছেন। নিম্ন আইন পরিষদে জয়লাভ করেন তমিজউদ্দীন খান।

ফলাফল ঘোষণায় ইসমাইল হোসেন- ছয় হাজার ৬১, আব্দুল হালিম গজনভি- পাঁচ হাজার ৭৬৯, খাজা আবদুল করিম- দুই হাজার ৪৩, কাজী নজরুল ইসলাম- এক হাজার ৬২ ও মফিজউদ্দিন- ৫২০টি ভোট পান। পাঁচজন প্রার্থীর মধ্যে সাম্যবাদের কবি থাকেন চতুর্থ স্থানে! তার জামানতও জব্দ হয়।

সেদিন কবি উপলব্ধি করতে পেরেছিলেন- কাব্য আর রাজনীতি ভিন্ন ঘরানার বিষয়। ভোটের মাঠে কবিখ্যাতি খুব একটা কাজে আসে না। যেন তাই লাইন তার জীবনে উপযুক্ত হয়ে আসে- আশার ছলনে ভুলি কি ফল লভিনু হায়!

এরপর বাকি জীবন কবি অন্যের ভোটের প্রচারে থাওলেও নিজে কোনো দিন ভোটযুদ্ধে অবতীর্ণ হননি।

Logo
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি মোস্তফা কামাল মহীউদ্দীন ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সৈয়দ মেজবাহ উদ্দিন প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ হাসনাত কাদীর