-68903dd884fb9-68afe45eb801d-68b14187a79a4.jpg)
প্রথম আলো প্রধান শিরোনাম করেছে, ‘নভেম্বরের মধ্যে প্রস্তুতি শেষ করতে চায় ইসি’
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতিমূলক কাজগুলো আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে শেষ করার পরিকল্পনা নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে বৃহস্পতিবার নিজেদের কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করেছে সাংবিধানিক এই সংস্থা। নির্বাচন সামনে রেখে গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতিমূলক কাজগুলোর কোনটি কবে নাগাদ শেষ করা হবে, তার একটি সম্ভাব্য সময়সীমা উল্লেখ রয়েছে কর্মপরিকল্পনায়। এতে অংশীজনের সঙ্গে সংলাপ, ভোটার তালিকা চূড়ান্ত করা, নির্বাচনী আইন-বিধি সংস্কার, নতুন রাজনৈতিক দল নিবন্ধন, নির্বাচনী এলাকার সীমানা নির্ধারণসহ ২৪টি কাজের কথা বলা হয়েছে।
ইসির নির্বাচনী কর্মপরিকল্পনা ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছে বিএনপি। তবে জুলাই সনদের আইনি ও সাংবিধানিক ভিত্তি নিশ্চিত না করে নির্বাচনের দিকে যাওয়াটা সরকারের আগের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের শামিল বলে মনে করে এনসিপি। জামায়াতে ইসলামী এই রোডম্যাপকে গতানুগতিক এবং কিছুটা বিভ্রান্তিমূলক মনে করে। আগামী রমজানের আগে (২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে) ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন হবে, এটি আগেই অন্তর্বর্তী সরকার ও ইসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল। সে লক্ষ্য সামনে রেখেই ইসি আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করল। তবে নির্বাচনের তফসিল কবে, সে বিষয়ে কোনো তথ্য কর্মপরিকল্পনায় নেই।
সমকাল প্রধান শিরোনাম করেছে, ‘প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের আন্দোলন : পুরোনো দ্বন্দ্বে নতুন উত্তাপ, নেপথ্যে দশম গ্রেড’
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশে প্রকৌশল শিক্ষার দুই ধারা বিএসসি ও ডিপ্লোমাধারীদের সরকারি চাকরিতে দশম গ্রেডে নিয়োগ নিয়েই এবার মূল দ্বন্দ্ব দেখা দিয়েছে। যদিও এক পক্ষ তিন দফা এবং অন্য পক্ষ সাত দফা দাবি নিয়ে আন্দোলন করছে। সর্বশেষ ২০১৩ সালেও দুই পক্ষ আন্দোলনে নেমেছিল।
শুরুতে আন্দোলন শান্তিপূর্ণ থাকলেও গত বুধবার পুলিশ শাহবাগে বিভিন্ন প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বেধড়ক মারধর করায় তারা ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জনের মতো কর্মসূচি শুরু করেন। তাদের ডাকে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় আজও ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ চলার কথা। সমস্যা নিরসনে সরকারের গঠন করে দেওয়া আট সদস্যের কমিটি বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সভা করেছে। বৈঠক থেকে ১৪ সদস্যের একটি ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন করার কথা জানানো হয়েছে। সব পক্ষকে তাদের বক্তব্য এই গ্রুপের কাছে জমা দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
দুই পক্ষই স্বীকার করছে, বিএসসি ডিগ্রি এবং ডিপ্লোমাধারীদের বিদ্যমান জটিলতা বেশ পুরোনো। এই সমস্যা নিরসনে অতীতের অনেক সরকার নানা পদক্ষেপ নিলেও সমাধান মেলেনি। উল্টো প্রতিবারই এ নিয়ে পাল্টাপাল্টি আন্দোলনে নেমেছে দুই পক্ষ। তবে দুই পক্ষই এবার জানিয়েছে, তারা ছাড় দেবে না।
বাংলাদেশের খবর প্রধান শিরোনাম করেছে, ‘ডিসেম্বরের শুরুতে তফসিল, ফেব্রুয়ারির প্রথমভাগে ভোট’
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বিস্তারিত কর্ম-পরিকল্পনা (রোডম্যাপ) ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ঘোষিত রোডম্যাপ অনুযায়ী, কমিশন রমজানের আগেই নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে এবংদশে ভোটের তারিখের প্রায় ৬০ দিন আগে তফসিল ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটার দিকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের কমিশন কার্যালয়ের মিডিয়া সেন্টারে এক ব্রিফিংয়ে রোডম্যাপের বিস্তারিত তথ্য সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরেন ইসি সচিব আখতার আহমেদ। গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলোর মধ্যে আছে সংসদীয় আসনের সীমানা নির্ধারণ, ভোটার তালিকা চূড়ান্তকরণ, রাজনৈতিক দল নিবন্ধন ও দেশি পর্যবেক্ষক সংস্থার নিবন্ধন চূড়ান্ত করা।
কর্ম-পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়: অংশীজনের সংলাপ, ভোটার তালিকা প্রণয়ন, নির্বাচনি আইনবিধি সংস্কার, দল নিবন্ধন, নির্বাচনি এলাকার সীমানা নির্ধারণ, ভোটকেন্দ্র স্থাপন, পোস্টাল ভোটিং, পর্যবেক্ষক সংস্থার নিবন্ধন, দেশি-বিদেশি সাংবাদিক অনুমোদন; নির্বাচনের জন্য জনবল ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা, নির্বাচনি দ্রব্যাদি সংগ্রহ, আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক কার্যক্রম, অন্যান্য আইনবিধি সংস্কার একীভূতকরণ; ম্যানুয়েল নির্দেশিকা পোস্টার পরিচয়পত্র মুদ্রণ; প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স উপযোগীকরণ, নির্বাচনি বাজেট বরাদ্দ, প্রচারণা ও উদ্বুদ্ধকরণ, টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা সুসংহতকরণ, ডিজিটাল মনিটর স্থাপনা ও যন্ত্রপাতি সংযোজন, বেসরকারি প্রাথমিক ফলাফল প্রচার, ফলাফল প্রদর্শন, প্রকাশ ও প্রচার (বিভিন্ন মাধ্যমে); বিবিধ। দল ও অংশীজনের সঙ্গে সংলাপ: সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহে শুরু। শেষ হতে সময় লাগবে দেড় মাস।
কালের কণ্ঠ প্রধান শিরোনাম করেছে, ‘ওষুধের চড়া দামে নাজেহাল ক্রেতা’
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিত্যপণ্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধির এই সময়ে সাধারণ মানুষের জন্য ‘মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা’ হয়ে ভর করেছে ওষুধের চড়া দাম। খাবারের পরই ওষুধ, মানুষের মাসিক খরচের দ্বিতীয় বড় বোঝা। বিশেষ করে দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত যেমন—উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, হৃদরোগ বা ক্যান্সারের মতো রোগে আক্রান্তদের জীবন রক্ষাকারী ওষুধের দাম লাগামছাড়া হওয়ায় তাঁদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা শোনা গেলেও তার সুফল মিলছে না। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে দরিদ্র ও প্রান্তিক মানুষ, যাদের জন্য জরুরি ওষুধ কেনাটা এখন বিলাসিতা। অনেকে প্রয়োজনীয় ওষুধ না কিনে রোগ পুষে রাখছে, যা তাদের স্বাস্থ্যকে আরো ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে। ক্যান্সারের মতো প্রাণঘাতী রোগের চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে গিয়ে অনেক পরিবার নিঃস্ব হয়ে যাচ্ছে।
মূল্যবৃদ্ধির নেপথ্যে : খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, নিয়ন্ত্রক সংস্থা ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (ডিজিডিএ) দুর্বল মনিটরিং, এবং অনৈতিক কমিশন বাণিজ্য এই সংকটকে তীব্র করেছে। যদিও ডিজিডিএ অত্যাবশ্যকীয় ১১৭টি জেনেরিকের মূল্য নির্ধারণ করে দিয়েছে, কিন্তু বাকি ওষুধগুলোর দাম কম্পানিগুলো প্রস্তাব করে এবং ডিজিডিএ তা অনুমোদন করে। অভিযোগ রয়েছে, এই প্রক্রিয়াটি স্বচ্ছ নয় এবং অনেক সময় কম্পানির চাপে দাম বাড়ানো হয়। এমনকি ডিজিডিএ অনুমোদন না দিলেও বাজারে বেশ কিছু ওষুধ বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।
দেশ রূপান্তর প্রধান শিরোনাম করেছে, ‘রোজার আগেই ভোটের ছক’
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নির্বাচন নিয়ে শর্ত, সংশয় ও সন্দেহের মধ্যেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রোডম্যাপ বা রূপরেখা (কর্মপরিকল্পনা) ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সরকারের পরামর্শ অনুযায়ী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে এ নির্বাচন অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা করছে কমিশন। রোডম্যাপে সংসদীয় আসনের সীমানা নির্ধারণ, রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপ, ভোটার তালিকা চূড়ান্তকরণ, রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন এবং দেশীয় পর্যবেক্ষক সংস্থার নিবন্ধন চূড়ান্তকরণসহ ২৪টি কার্যক্রমকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে এ রোডম্যাপ ঘোষণা করেন ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। এরপর তিনি রোডম্যাপের নানা বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।
তফসিল ও ভোট কবে হবে, এমন প্রশ্নের জবাবে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেন, ‘ভোটগ্রহণের ৬০ দিন আগে তফসিল ঘোষণা করা হবে। প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে বলা হয়েছে, আগামী রমজানের আগে ভোটের ব্যবস্থা করতে হবে। আমার যদি ভুল না হয়, তাহলে ১৭ বা ১৮ ফেব্রুয়ারি রমজান শুরু। সে হিসাবে তফসিল ঘোষণা ও ভোটের আয়োজন করা হবে।’
মানবজমিন প্রধান শিরোনাম করেছে, ‘ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন ডিসেম্বরে তফসিল’
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে নির্বাচনী যাত্রা শুরু হয়েছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে সব ধরনের প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রমের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। গতকাল আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনের মিডিয়া সেন্টারে আনুষ্ঠানিকভাবে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করেন ইসি’র অতিরিক্ত সচিব আখতার আহমেদ। পরিকল্পনা অনুযায়ী আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির শুরুতে ভোটগ্রহণ করা হবে। আসছে ডিসেম্বরে তফসিল ঘোষণা করা হবে। ভোটের এই রোডম্যাপ ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছে বিএনপি। দলটির নেতারা পৃথক প্রতিক্রিয়ায় বলেছেন, রোডম্যাপ ঘোষণায় তারা সন্তুষ্ট। দেশের মানুষ নির্বাচন চায়। বিএনপি’র সমমনা দলগুলোও রোডম্যাপকে স্বাগত জানিয়েছে। অন্যদিকে জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন, জাতীয় নাগরিক পার্টি ভিন্ন প্রতিক্রিয়া দিয়েছে। জুলাই সনদ চূড়ান্ত না করে রোডম্যাপ ঘোষণা সঠিক হয়নি বলে জানিয়েছে এসব দল। এই রোডম্যাপ ঘোষণায় জটিলতা বাড়বে বলেও কোনো কোনো দল মত দিয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে ইসি’র অতিরিক্ত সচিব বলেন, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে আমাদের চিঠি দেয়া হয়েছিল, যাতে বলা হয়েছে রমজানের (ফেব্রুয়ারি-২০২৬) আগে নির্বাচন আয়োজন করতে হবে। তাই আজ আমরা আপনাদের আমাদের অ্যাকশন প্ল্যান জানাচ্ছি। আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে লক্ষ্য করে আমরা এই পদক্ষেপগুলোকে মূলত ২৪টি ভাগে ভাগ করে অ্যাকশন প্ল্যান প্রস্তুত করেছি।
যুগান্তর প্রধান শিরোনাম করেছে, ‘প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের আন্দোলন : বিএসসি-ডিপ্লোমা দ্বন্দ্ব চরমে’
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্বার্থের দ্বন্দ্বে মাঠের আন্দোলনে ডিপ্লোমা প্রকৌশলী এবং বিএসসি প্রকৌশলীরা। দ্বন্দ্বের কেন্দ্রে দশম গ্রেড। একপক্ষের দাবি ৩টি হচ্ছে-৩৩ শতাংশ পদোন্নতি কোটা অযৌক্তিক, টেকনিক্যাল গ্রেড উচ্চতর যোগ্য প্রার্থীর জন্য উন্মুক্তকরণ এবং বিএসসি ছাড়া কেউ ইঞ্জিনিয়ার পদবি ব্যবহার করতে পারবে না। একই সঙ্গে সরকারি চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে বেতন গ্রেডের বৈষম্য নিরসন করতে হবে। অপর পক্ষ সাত দফা দাবিতে আন্দোলন করছে। তাদের মতে, মীমাংসিত বিষয় নিয়ে মাঠ গরমের চেষ্টা চালানো হচ্ছে। এটা মেনে নেওয়া হবে না। এই ইস্যুতে নিজেদের দাবি আদায়ে অনড় অবস্থানে উভয় পক্ষ। ঘোষণা দেওয়া হচ্ছে-আন্দোলনের কঠোর কর্মসূচি।
বিএসসি প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের অভিযোগ-‘আন্দোলন ও সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ১১ ও ১২তম গ্রেডের নিয়োগগুলো বন্ধ করে রেখে দশম গ্রেডে নিয়োগ বাগিয়ে নিচ্ছেন ডিপ্লোমাধারীরা। রাজনৈতিক সুবিধা গ্রহণে পদোন্নতি নিয়ে অনেকে প্রবেশ করছেন নবম গ্রেডে, যা বিএসসি প্রকৌশলীদের সঙ্গে বড় ধরনের বৈষম্য। অন্যদিকে ডিপ্লোমাধারীরা বলছেন, সরকারি চাকরিতে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারদের গ্রেডিং একটি মীমাংসিত বিষয়। কিন্তু তারা নিজেদের মর্যাদা নষ্ট করে দশম গ্রেডে আসতে চাচ্ছেন। তাদের এসব দাবি সম্পূর্ণ অযৌক্তি। ১৯৭৮ ও ১৯৯৪ সালের সরকারি নীতিমালায় পরিষ্কারভাবে বলা হয়েছে, ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের এসএইই (সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার) হিসাবে নিয়োগযোগ্য হিসাবে ধরা হবে। কোটাব্যবস্থা এবং পদোন্নতির অনিয়মই মূলত এই বিরোধের জন্ম দিয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা দাবি করেন।
এমবি