প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস চারদিনের রাষ্ট্রীয় সফরে চীনের উদ্দেশে যাত্রা করেছেন।
বুধবার (২৬ মার্চ) দুপুর ১টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে চায়না সাউদার্ন এয়ারলাইনসের বিশেষ ফ্লাইটে তিনি রওনা হন।
প্রধান উপদেষ্টার ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ মজুমদার এ তথ্য জানিয়েছেন।
এরআগে, প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম প্রেস ব্রিফিংয়ে জানিয়েছিলেন, প্রধান উপদেষ্টার এ সফর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের চীনা বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে এ সফর অত্যন্ত ফলপ্রসূ হবে।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্ব নেয়ার পর চীনে এটি হচ্ছে অধ্যাপক ইউনূসের প্রথম দ্বিপক্ষীয় সফর।
বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেছেন, এটি খুবই সফল, ফলপ্রসূ ও একটি মাইলফলক সফর হবে। যেখানে কিছু ঘোষণা আসতে পারে। আমরা বাংলাদেশের সাথে খুব ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছি। আমরা এখনও আলোচনা করছি। অপেক্ষা করুন এবং দেখুন।
রাষ্ট্রদূত বলেন, এ সফর বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, কারণ দুটি দেশ কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর উদযাপন করছে।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন বলেন, এ সফরের সময় কোনো চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে না। তবে, বেশ কয়েকটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হতে পারে।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ইউনূস হাইনান প্রদেশে বোয়াও ফোরাম ফর এশিয়া সম্মেলনে যোগদানের জন্য ২৬ মার্চ চীন যাবেন।
২৭ মার্চ তিনি সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে ভাষণ দেবেন এবং চীনের নির্বাহী ভাইস প্রিমিয়ার ডিং জুয়েশিয়াংয়ের সাথে সাক্ষাৎ করতে পারেন।
২৮ মার্চ প্রধান উপদেষ্টার বেইজিংয়ের গ্রেট হল অফ দ্য পিপলে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সাথে বৈঠকের কথা রয়েছে।
তিনি হুয়াওয়ের একটি উচ্চ প্রযুক্তির প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করতে পারেন এবং চীনের একটি শীর্ষস্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে সাক্ষাতকার দিতে পারেন।
২৯ মার্চ পিকিং বিশ্ববিদ্যালয় ড. ইউনূসকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান করবে। প্রধান উপদেষ্টা একই দিনে দেশে ফিরবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
এনএমএম/এমআই/ওএফ

