পাবনার শিশুটিকে হত্যার আগে ধর্ষণ করা হয়েছিল : পুলিশ
বাংলাদেশের প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২০ এপ্রিল ২০২৫, ২০:২৩
পাবনার চাটমোহর উপজেলায় আট বছর বয়সী কন্যাশিশুকে হত্যার আগে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেপ্তার পাঁচজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এই তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা।
চাটমোহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঞ্জুরুল আলম বলেন, যে পাঁচজন ঘটনাটি ঘটিয়েছিল, তাদের সবাইকে আমরা ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছি। জিজ্ঞাসাবাদে তারা নিজেদের দোষ স্বীকার করে নিয়েছে।
গ্রেপ্তার পাঁচজনের মধ্যে চারজনই বয়সে কিশোর বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ওসি বলেন, তাদের চারজনই আন্ডার এজ (অপ্রাপ্ত বয়স্ক), একজন তরুণ। তার বয়স ২৫ বছরের মতো। ফলে ওই তরুণ বাদে বাকি চারজনকে শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।
উল্লেখ্য যে, গত ১৪ এপ্রিল, অর্থাৎ পহেলা বৈশাখের দিন সন্ধ্যায় শিশুটি নিখোঁজ হয়। পরের দিন বাড়ির পাশের একটি ভুট্টাখেতে তার মরদেহ পাওয়া যায়। তখন শিশুটির মুখ ঝলসানো অবস্থায় ছিল।
পরে শিশুটির মা চাটমোহর থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা করেন।
চাটমোহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঞ্জুরুল আলম জানিয়েছেন যে, মরদেহ উদ্ধারের পর জড়িতদের গ্রেপ্তারে মাঠে নামেন তারা।
তিনি বলেন, তদন্তের এক পর্যায়ে চার কিশোরের একজনকে আমরা গ্রেপ্তার করি এবং তারই দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তীতে বাকি চারজনকেও আইনের আওতায় আনা হয়।
ঘটনার বর্ণনা দিয়ে পুলিশ জানিয়েছে, বাংলা নববর্ষের দিন সন্ধ্যায় কন্যাশিশুটি গ্রামের একটি আমবাগানে আম কুড়াতে গেলে ২৫ বছর বয়সী তরুণের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার হওয়া কিশোররা তাকে ধরে নিয়ে ধর্ষণ করে।
পরে গলা টিপে হত্যার পর দাহ্য পদার্থ ছিটিয়ে মেয়ে শিশুটির মুখ ঝলসে দিয়ে ভুট্টা ক্ষেত্রে ফেলে রাখা হয়। নিহত শিশুটির পরিচয় গোপনের চেষ্টা থেকেই মুখ ঝলসানো হয়েছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ডিআর/বিএইচ

