উপদেষ্টা পরিষদের বিবৃতি
বাধা সৃষ্টি করলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবে সরকার
বাংলাদেশের প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২৪ মে ২০২৫, ১৮:১০
জুলাই অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে প্রকাশিত জনগণের প্রত্যাশাকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার পূর্ণভাবে ধারণ করছে। তবে সরকারের স্বকীয়তা, কাঠামোগত সংস্কার, বিচার প্রক্রিয়া, সুষ্ঠু নির্বাচন এবং স্বাভাবিক কার্যক্রমে ইচ্ছাকৃত বাধা সৃষ্টি হলে তা সরকারের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালনের পথে বড় অন্তরায় হয়ে দাঁড়াবে বলে সতর্ক করেছে উপদেষ্টা পরিষদ। এমন পরিস্থিতিতে সরকার জনগণকে সঙ্গে নিয়ে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে বলেও জানানো হয়েছে।
শনিবার (২৪ মে) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে পরিকল্পনা কমিশনে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের সভা শেষে অনুষ্ঠিত হয় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের এক অনির্ধারিত বৈঠক। প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে সরকারের তিনটি প্রধান দায়িত্ব—নির্বাচন, সংস্কার ও বিচার—বিষয়ে বিশদ আলোচনা হয়।
বৈঠক শেষে দুপুরে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, এসব দায়িত্ব পালনের পথে বিভিন্ন সময় নানা ধরনের অযৌক্তিক দাবি, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বক্তব্য ও এখতিয়ার-বহির্ভূত কর্মসূচির মাধ্যমে যে পরিবেশ সৃষ্টি করা হচ্ছে, তা সরকারের স্বাভাবিক কাজকে ব্যাহত করছে এবং জনমনে সংশয় ও বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে। বৈঠকে এই বিষয়গুলো নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।
উপদেষ্টা পরিষদ মনে করে, দেশে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা, নির্বাচন ও বিচার কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা এবং কাঠামোগত সংস্কার বাস্তবায়নের জন্য বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য অত্যন্ত জরুরি।
এ লক্ষ্যে সরকার রাজনৈতিক দলগুলোর বক্তব্য শুনবে এবং সরকারের অবস্থান স্পষ্টভাবে জনসমক্ষে তুলে ধরবে বলেও জানানো হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, শত বাধা-বিপত্তির মধ্যেও গোষ্ঠীস্বার্থকে উপেক্ষা করে অন্তর্বর্তী সরকার নির্ধারিত দায়িত্ব পালনে সচেষ্ট রয়েছে। তবে যদি পরাজিত রাজনৈতিক শক্তির ইন্ধনে অথবা বিদেশি ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে দায়িত্ব পালনের পথ রুদ্ধ করার চেষ্টা করা হয়, তাহলে সরকার সংশ্লিষ্ট সব কারণ জনসমক্ষে উত্থাপন করে যথাযথ সিদ্ধান্ত নেবে।
ডিআর/এমএইচএস

