নুরের ওপর নৃশংস হামলার তীব্র নিন্দা জানাল অন্তর্বর্তী সরকার

বাংলাদেশের প্রতিবেদক
প্রকাশ: ৩০ আগস্ট ২০২৫, ১৬:৫৫

গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হককে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী লাঠিপেটা করার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।
শনিবার (৩০ আগস্ট) বিকেলে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রেস উইং থেকে প্রকাশিত প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নুরুল হক শুধুমাত্র গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নন, তিনি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের অন্যতম নেতা এবং গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও জনগণের অধিকার আদায়ের পক্ষে সাহসী ভূমিকা পালন করা একজন রাজনীতিবিদ। তার ওপর হওয়া নৃশংস হামলা গ্রহণযোগ্য নয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, এই ধরনের সহিংসতা ন্যায়বিচার ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার ঐতিহাসিক সংগ্রামে জাতিকে একত্রিত করা গণতান্ত্রিক আন্দোলনের স্পিরিটের ওপরও আঘাত। অন্তর্বর্তী সরকার ঘটনাটির পূর্ণাঙ্গ ও নিরপেক্ষ তদন্তের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এতে প্রভাবশালী বা পদমর্যাদা যাই হোক, জড়িত কেউই দায়মুক্ত থাকবেন না। তদন্ত স্বচ্ছ ও দ্রুত সম্পন্ন করা হবে।
নুরুল হক ও তার দলের আহত অন্যান্য সদস্যদের চিকিৎসার জন্য বিশেষায়িত মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। তাদের সর্বোচ্চ মানের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে অন্তর্বর্তী সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রয়োজনে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর প্রস্ততিও রাখা হয়েছে।
বিবৃতিতে নুরুল হকের রাজনৈতিক ভূমিকার ইতিহাসও তুলে ধরা হয়েছে। বলা হয়েছে, ২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনে নুরুল হক তরুণদের সংগঠিত করেছিলেন, বিভিন্ন মত ও কণ্ঠকে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে নির্ভীকভাবে দাঁড়িয়েছিলেন। চব্বিশের জুলাই গণ অভ্যুত্থানের সময় তাকে গ্রেপ্তার করে হেফাজতে নির্মম নির্যাতন করা হয়েছিল। তার সাহসী ভূমিকা স্বাধীন, সুষ্ঠু ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের জন্য জনগণের সম্মিলিত আকাঙ্ক্ষার প্রতীক।
অন্তর্বর্তী সরকার জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী সব রাজনৈতিক ও সামাজিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। এছাড়া বিবৃতিতে আগামী জাতীয় নির্বাচন ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধেই অনুষ্ঠিত হবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। জনগণের ইচ্ছাকে জয়ী করা হবে এবং কোনো অশুভ শক্তিকে গণতন্ত্রের পথে বাধা দিতে দেওয়া হবে না।
এমএইচএস