নির্বাচন কমিশনের কাছেই থাকছে এনআইডি কার্যক্রম
বাংলাদেশের প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০৬ অক্টোবর ২০২৫, ০৮:৫৫
রাষ্ট্রপতির জারি করা নতুন অধ্যাদেশের মাধ্যমে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) কার্যক্রম আবারও নির্বাচন কমিশনের (ইসি) অধীনে ফিরে আসছে। ‘নির্বাচন কমিশন সচিবালয় আইন ২০০৯’ সংশোধন করে রোববার (৫ অক্টোবর) রাতে এ অধ্যাদেশ জারি করেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
অধ্যাদেশে নির্বাচন কমিশন সচিবালয় আইনের দুটি ধারা সংশোধন করা হয়েছে। এর মধ্যে ধারা ৩-এর উপধারা (৪) প্রতিস্থাপন করে ‘নির্বাচন কমিশন সার্ভিস’ গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। আর ধারা ৪-এর উপধারা (২)-এর দফা (ক)-এর নতুন সংযোজিত অংশে ‘জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যভান্ডার প্রস্তুত ও সংরক্ষণ’ বিষয়টি নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের দায়িত্ব হিসেবে সন্নিবেশ করা হয়েছে। পাশাপাশি দফা (ক)-এর ক্রমিক নং (৬), (৭), (৮), (৯) ও (১১) সংশোধন করে নতুনভাবে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।
এর আগে গত ১৮ সেপ্টেম্বর অন্তর্বর্তী সরকার নির্বাচন কমিশনের প্রস্তাব অনুমোদন দেয়, যাতে এনআইডি কার্যক্রম পুনরায় ইসির আওতায় আনার সুপারিশ করা হয়েছিল।
ইসি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এ অধ্যাদেশ কার্যকর হলে ২০২৩ সালে প্রণীত জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন আইনটি (যার মাধ্যমে এনআইডি কার্যক্রম স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের হাতে দেওয়া হয়েছিল) বাতিল করতে হবে।
উল্লেখ্য, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ২০২৩ সালে জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন আইন প্রণয়ন করে এনআইডি কার্যক্রম নির্বাচন কমিশনের কাছ থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে নেওয়া হয়েছিল। তবে পরবর্তীতে নির্বাচন কমিশন আনুষ্ঠানিকভাবে সেই আইন বাতিল ও এনআইডি কার্যক্রম ইসির অধীনে রাখার প্রস্তাব দেয়।
নতুন অধ্যাদেশে সেই প্রস্তাবই কার্যকর হলো- ফলে জাতীয় পরিচয়পত্র ও তথ্যভান্ডার এখন আবারও নির্বাচন কমিশনের তত্ত্বাবধানেই থাকবে।
এসআইবি/এমবি

