Logo

জাতীয়

৮৮ লাখেরও বেশি সিম বন্ধ করেছে বিটিআরসি

Icon

বাংলাদেশের প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১৩ জানুয়ারি ২০২৬, ১৪:০৪

৮৮ লাখেরও বেশি সিম বন্ধ করেছে বিটিআরসি

সাইবার অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের অংশ হিসেবে গ্রাহকপ্রতি ১০টির বেশি সিমকার্ড বাতিলের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। এতে দেশে ৮৮ লাখেরও বেশি সিমকার্ড বন্ধ করা হয়েছে। পাশাপাশি মামলাসংক্রান্ত জটিলতার কারণে আরও প্রায় এক লাখ সিম বর্তমানে স্থগিত রয়েছে। এ সিদ্ধান্তের প্রভাব পড়েছে মোবাইল গ্রাহক সংখ্যা ও মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারে।

বিটিআরসি সূত্রে জানা গেছে, দেশের ক্রমবর্ধমান সাইবার অপরাধ, প্রতারণা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গত বছরের মাঝামাঝি সময়ে একজন গ্রাহকের নামে থাকা সিমকার্ডের সংখ্যা সীমিত করার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় গত নভেম্বর থেকে গ্রাহকপ্রতি ১০টির বেশি সিমকার্ড ধাপে ধাপে বন্ধ করা হয়।

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সিমের সর্বোচ্চ সংখ্যা পাঁচটিতে নামিয়ে আনার নির্দেশনা দেয় মন্ত্রণালয়। তবে গ্রাহকদের অসন্তোষ ও আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে আপাতত এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়নি। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর পাঁচটি সিমের সীমা কার্যকর করা হবে বলে জানিয়েছে বিটিআরসি।

এ বিষয়ে বিটিআরসির সিস্টেমস অ্যান্ড সার্ভিসেস বিভাগের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এসএম মনিরুজ্জামান গণমাধ্যমকে বলেন, আমাদের নির্দেশনা ছিল গ্রাহকপ্রতি ১০টি সিমে নামিয়ে আনা। এতে প্রায় ৮৯ লাখ অতিরিক্ত সিম পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ৮৮ লাখের বেশি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বাকি এক লাখ সিম ভিআইপিসহ বিভিন্ন মামলার কারণে স্থগিত করা হয়েছে। তবে দ্রুতই সেগুলোও বন্ধ হয়ে যাবে।

তিনি আরও বলেন, মন্ত্রণালয় থেকে নির্দেশনা ছিল সিমের সংখ্যা পাঁচটিতে নামিয়ে আনার। কিন্তু সামনে যেহেতু নির্বাচন এবং ৬ থেকে ১০টি সিম ব্যবহারকারীর সংখ্যা অনেক বেশি, তাই সেটি আমরা এখনই করছি না। নির্বাচনের পর পাঁচটিতে নামিয়ে আনতে কাজ করব।

এদিকে সিমের সংখ্যা কমিয়ে আনার ফলে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে মোবাইল গ্রাহক ও ইন্টারনেট ব্যবহারে। ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) চালু ও সিম বন্ধের ফলে গত ছয় মাসে প্রায় ১৮ লাখের বেশি মোবাইল গ্রাহক এবং ৬২ দশমিক ৬ লাখ মোবাইল ইন্টারনেট গ্রাহক কমেছে।

বিটিআরসির পরিসংখ্যান অনুযায়ী, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় দেশের চারটি মোবাইল অপারেটরের বিপরীতে মোবাইল ব্যবহারকারী ছিল ১৯ কোটি ৪২ লাখ। এক বছর পর ২০২৫ সালের জুলাইয়ে তা কমে দাঁড়ায় ১৮ কোটি ৮৭ লাখে। সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, ২০২৫ সালের নভেম্বর পর্যন্ত দেশে মোবাইল গ্রাহকের সংখ্যা নেমে এসেছে ১৮ কোটি ৭০ লাখে। 

ডিআর/এমবি 

প্রাসঙ্গিক সংবাদ পড়তে নিচের ট্যাগে ক্লিক করুন

বিটিআরসি

Logo
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি মোস্তফা কামাল মহীউদ্দীন ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সৈয়দ মেজবাহ উদ্দিন প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ হাসনাত কাদীর