ভোটে অপরাধ দমনে ৫ দিনের জন্য ৬৫৭ বিচারক নিয়োগ
বাংলাদেশের প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৫:১৭
গ্রাফিক্স : বাংলাদেশের খবর
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে নির্বাচনী অপরাধের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে ৬৫৭ জন বিচারককে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট পাঁচ দিন তারা মাঠে থেকে বিচারিক দায়িত্ব পালন করবেন।
আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শক্রমে এই বিচারকদের মনোনয়ন দিয়ে তালিকা নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ে পাঠিয়েছে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, মনোনীত জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটরা ভোটের আগের দুই দিন, ভোটের দিন এবং ভোটের পরের দুই দিন অর্থাৎ ১০ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নির্বাচনী এলাকায় অবস্থান করবেন। ১৯৭২ সালের গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী তারা নির্বাচনি অপরাধ আমলে নেওয়া এবং সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে (সামারি ট্রায়াল) বিচার সম্পন্ন করার ক্ষমতা পাবেন।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের আওতায় সংঘটিত অপরাধের ক্ষেত্রে এই ম্যাজিস্ট্রেটরা ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন। নির্বাচনী এলাকায় কোনো প্রকার বিশৃঙ্খলা, ভোট জালিয়াতি বা আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটলে তারা তাৎক্ষণিকভাবে বিচারিক ব্যবস্থা নেবেন।
নির্বাচনকালীন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এটি সরকারের একটি বড় পদক্ষেপ। এর আগে গত ৩ ফেব্রুয়ারি সারাদেশে ১ হাজার ৫১ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করবেন।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ৩০০টি নির্বাচনী এলাকায় সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে বিচারিক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের এই বিশাল বহর সমন্বয় করে কাজ করবে।
এমএইচএস

