নির্বাচনী প্রচার বন্ধ : অর্থ, অনুদান বা উপঢৌকন দিলে ৬ মাসের কারাদণ্ড
বাংলাদেশের প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৩:৪৫
গ্রাফিক্স : বাংলাদেশের খবর
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোটের প্রচার শেষ হয়েছে আজ মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টায়। এরপর থেকে জনসভা, পথসভা ও মিছিলসহ সব ধরনের প্রচার নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
এই সময়ের মধ্যে কোনো প্রার্থী বা রাজনৈতিক দলের পক্ষে কেউ গোপন প্রচার চালালে কিংবা টাকা বিতরণ, অনুদান বা উপঢৌকন দেওয়ার মতো কাজে জড়ালে সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড অথবা এক লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা, কিংবা উভয় দণ্ড হতে পারে।
নির্বাচনী আচরণ বিধিমালার ৪(১) উপবিধিতে বলা হয়েছে, কোনো রাজনৈতিক দল বা প্রার্থী কিংবা তাদের পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান নির্বাচন-পূর্ব সময়ে নির্বাচনী এলাকায় প্রকাশ্যে বা গোপনে কোনো ধরনের চাঁদা, অনুদান বা উপঢৌকন দিতে বা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিতে পারবেন না।
এ ছাড়া আচরণবিধির ২৭ ধারায় বলা হয়েছে, ‘The Representation of the People Order, 1972’-এর Article 91B(3) অনুযায়ী কোনো প্রার্থী বা তাঁর পক্ষে কেউ আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এ ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ এক লাখ ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ড দেওয়া যেতে পারে। অন্যদিকে, কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল বিধি লঙ্ঘন করলে সংশ্লিষ্ট দলকে সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা যাবে।
এদিকে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রার্থিতা বাতিলেরও বিধান রয়েছে। আচরণবিধির ২৮(১) উপবিধিতে বলা হয়েছে, কোনো প্রার্থী বা তার নির্বাচনী এজেন্ট আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে কিংবা লঙ্ঘনের চেষ্টা করলে কমিশন তাৎক্ষণিক তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে ‘The Representation of the People Order, 1972’-এর Article 91E অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল করতে পারবে কমিশন।
এসআইবি/এমএইচএস

