সংরক্ষিত ৩৫ আসনে মনোনয়ন চায় বিএনপির শতাধিক নারী
বাংলাদেশের প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২২:৫৪
ছবি: সংগৃহীত
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়ে সরকার গঠন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল নেতৃত্বাধীন জোট। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন তারেক রহমান। নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের রেশ কাটতে না কাটতেই দলীয় অন্দরে শুরু হয়েছে সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে জোর আলোচনা।
জাতীয় সংসদে ২০৯টি আসনে জয় পাওয়ায় সংরক্ষিত ৫০টি নারী আসনের মধ্যে ৩৫টি আসনে সুযোগ পাচ্ছে বিএনপি। ফলে এসব আসনে মনোনয়ন পেতে শতাধিক নেত্রী ইতোমধ্যে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন। কেউ ঢাকায় অবস্থান করছেন, কেউ শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন। নির্বাচন কমিশন রোজার মধ্যেই প্রক্রিয়া শেষ করতে চাওয়ায় সময় কম, চাপ বেশি; এ অবস্থায় মনোনয়নপ্রত্যাশীদের মধ্যে জোর প্রতিযোগিতা চলছে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবে দলের হাইকমান্ড।
প্রথম সারিতে আলোচনায় যাদের নাম
বরিশাল বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক: বিলকিস আকতার জাহান শিরিন
কেন্দ্রীয় নেত্রী: শিরিন সুলতানা
মহিলা দলের সভাপতি: আফরোজা আব্বাস
সাধারণ সম্পাদক: সুলতানা আহমেদ
সিনিয়র যুগ্ম-সম্পাদক: হেলেন জেরিন খান
সহ-সভাপতি: নাজমুন নাহার বেবী
সাবেক সংসদ সদস্যদের মধ্যে শোনা যাচ্ছে: শাম্মী আক্তার, নিলোফার চৌধুরী মনি, আসিফা আশরাফী পাপিয়া, রাশেদা বেগম হীরা, রেহেনা আক্তার রানু, ইয়াসমিন আরা হক, জাহান পান্না ও বিলকিস ইসলাম।
তরুণ নেতৃত্ব, আইনজীবী ও সংগঠকদের মধ্যে আলোচনায় রয়েছেন: মাহমুদা হাবিবা, নিপুণ রায় চৌধুরী, শাহানা আক্তার শানু, আরিফা সুলতানা রুমা, নাদিয়া পাঠান পাপন, সেলিনা সুলতানা নিশিতা, শওকত আরা ঊর্মি, নাসিমা আক্তার কেয়া, মনিরা আক্তার রিক্তা, আফরোজা খানম নাসরিন, বীথিকা বিনতে হুসেইন, রুকসানা খানম মিতু, আইসা সিদ্দিকা মানি, হেনা আলা উদ্দিন, ফরিদা ইয়াসমিন, সালমা আক্তার সোমা, শাহিনুর নার্গিস ও শাহিনুর বেগম সাগর।
সংস্কৃতি ও মিডিয়ার অঙ্গন থেকেও কিছু নাম শোনা যাচ্ছে: সংগীতশিল্পী কনক চাঁপা, বেবী নাজনীন, রিজিয়া পারভিন এবং সাংবাদিক সাবরিনা আহমেদ শুভ্রা।
অন্য মনোনয়নপ্রত্যাশীদের মধ্যে রয়েছে: রওশন আরা রত্না, রহিমা আক্তার হাসি, হাসনা জসিম উদ্দিন মওদুদ, অপর্না রায়, রাবেয়া আলম, জেবা আমিন খান, তানজিন চৌধুরী লিলি, সানজিদা ইসলাম, ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা, সামিরা তানজিনা চৌধুরী, সৈয়দা আদিবা হোসেন, হাসিনা আহমদ, শাকিলা ফারজানা, ফাতেমা বাদশা, মনোয়ারা বেগম মনি, জেলী চৌধুরী, মেহেরুন নেছা নার্গিস, জান্নাতুল নাঈম রিকু, জেসমিনা খানম, নাজমা সাঈদ ও সুলতানা পারভীন।
বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের এক সদস্য জানান, যোগ্যতা, ত্যাগ, সাংগঠনিক সক্রিয়তা ও আঞ্চলিক ভারসাম্যের সমন্বয়েই চূড়ান্ত তালিকা নির্ধারিত হবে। তরুণ নেতৃত্বের মূল্যায়নের ইঙ্গিতও পাওয়া যাচ্ছে।
মনোনয়নপ্রত্যাশীদের মধ্যে কেউ জানিয়েছেন, গত ১৭ বছরে যারা রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছেন এবং জেল-জুলুম-নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, সংরক্ষিত আসনে তাদের অগ্রাধিকার দিলে দল ও সরকারের ভাবমূর্তি আরও শক্তিশালী হবে।
বিলকিস আকতার জাহান শিরিন বলেন, “ছাত্রদল থেকে রাজনীতি শুরু করে আমি নানা প্রতিকূলতা পেরিয়েছি। দল আমাকে উপযুক্ত মনে করলে যে কোনো সিদ্ধান্ত আমি মানতে রাজি।”
এএস/

