Logo

জাতীয়

'কৃষিকে অগ্রাধিকার না দিলে টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়'

Icon

বাংলাদেশের প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০২ মার্চ ২০২৬, ২১:৪৬

'কৃষিকে অগ্রাধিকার না দিলে টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়'

ছবি: সংগৃহীত

দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে কৃষি খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার ওপর জোর দিয়েছেন কৃষি, খাদ্য এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন-উর-রশীদ। তিনি বলেন, দেশের ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ মানুষ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির সঙ্গে সম্পৃক্ত। ফলে কৃষিকে শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করানো ছাড়া টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব নয়।

সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি বিষয়ক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী জানান, খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে ‘কৃষি কার্ড’ চালু করা হবে। এর মাধ্যমে কৃষকদের একটি সঠিক ও হালনাগাদ তথ্যভান্ডার তৈরি হবে, যা নীতিনির্ধারণ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা প্রণয়নে সহায়ক হবে। মাঠপর্যায় থেকে সমস্যা চিহ্নিত করে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।

পশুখাদ্যের বাজার নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, দেশে ঘাস উৎপাদন তুলনামূলক বেশি হলেও পশুখাদ্যের দাম কেন উচ্চ—তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। বাজার ব্যবস্থাপনা, সরবরাহ শৃঙ্খল ও মধ্যস্বত্বভোগীদের ভূমিকা বিশ্লেষণ করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

নিজেকে একজন কৃষক পরিবারের সন্তান হিসেবে পরিচয় দিয়ে মন্ত্রী বলেন, মাছ ধরা থেকে হালচাষ—সব কাজের সঙ্গে তাঁর সরাসরি অভিজ্ঞতা রয়েছে। বিভিন্ন অধিদপ্তর থেকে সঠিক তথ্য ও সুপারিশ পেলে বাস্তবভিত্তিক পরিকল্পনা গ্রহণ সহজ হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, কৃষিভিত্তিক অর্থনীতির উন্নয়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ক্ষুদ্র কৃষকদের ঋণ মওকুফসহ বিভিন্ন সহায়তা কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

কর্মশালায় প্রকল্প পরিচালক ড. মো. মোস্তফা কামাল জানান, ‘লাইভস্টক ও ডেইরি ডেভেলপমেন্ট প্রকল্প (এলডিডিপি)’ ২০২১ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত বাস্তবায়িত হচ্ছে। বর্তমানে দেশের ৬১ জেলার ৪৬৬ উপজেলায় প্রকল্পের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। কৃষি জিডিপিতে প্রাণিসম্পদ খাতের অবদান প্রায় ১৬ শতাংশ।

কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মুহাম্মদ জাবের।

এএস/

Logo
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি মোস্তফা কামাল মহীউদ্দীন ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সৈয়দ মেজবাহ উদ্দিন প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ হাসনাত কাদীর