ছবি: সংগৃহীত
মৃত্যুর প্রায় ২৫ বছর পর রাজধানীর মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে স্থানান্তর করা হয়েছে প্রখ্যাত লেখক ও বুদ্ধিজীবী আহমদ ছফার কবর।
একুশে পদকপ্রাপ্ত আহমদ ছফা ২০০১ সালের ২৮ জুলাই মারা যান। সে সময় তাকে মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানের যেখানে সাধারণ মানুষকে দাফন করা হয়, সেখানে কবর দেওয়া হয়েছিল। সেখানে তার কবর নম্বর ছিল-১০৮০।
বুধবার (২২ জুলাই) দুপুরে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ব্যবস্থাপনায় শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানের যে অংশে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বুদ্ধিজীবী ও মুক্তিযোদ্ধাদের দাফন করা হয়, সেখানে আহমদ ছফার দেহাবশেষ স্থানান্তর করা হয়েছে।
ডিএনসিসির সমাজকল্যাণ কর্মকর্তা গৌতম কুমার বিশ্বাস বলেন, পুরোনো কবর থেকে আহমদ ছফার দেহাবশেষ স্থানান্তরের কাজ বেলা ১১টার দিকে শুরু হয়। বৃষ্টির কারণে একটু দেরি হয়েছে। আনুমানিক সাড়ে ১২টা থেকে পৌনে ১টার মধ্যে কাজটা শেষ হয়।
ডিএনসিসি বলছে, চলতি বছরের ১১ জানুয়ারি লেখক আহমদ ছফার কবরটি বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে স্থানান্তরের জন্য পরিবারের পক্ষে তার ভাইয়ের ছেলে নুরুল আনোয়ার একটি আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশের শিল্প, সাহিত্য, রাজনীতি, সমাজসেবা প্রতিটি ক্ষেত্রে লেখক আহমদ ছফার অবদান রয়েছে। কিন্তু আহমদ ছফাকে এ পর্যন্ত সেভাবে মূল্যায়ন করা হয়নি। এ সম্মান প্রদর্শনের জন্য তার কবরটি সাধারণ কবরস্থান থেকে সরিয়ে বুদ্ধিজীবী গোরস্থানে স্থানান্তর করা প্রয়োজন।
পরিবারের করা ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৩ এপ্রিল ডিএনসিসির ১৪তম সভায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। সেখানেই সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত হয় কবর স্থানান্তরের।
এরপর সংস্থাটির সমাজকল্যাণ বিভাগ আহমদ ছফার কবর সাধারণ কবরস্থান থেকে সরিয়ে বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে স্থানান্তরের কার্যক্রম শুরু করে।
বাংলাদেশের খবর/আরইউ

