‘অজ্ঞতানামা আসামি’ করার চর্চা বন্ধের প্রস্তাব
বাংলাদেশের প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১৫ জানুয়ারি ২০২৫, ২০:৪১
পুলিশ সংস্কার কমিশন বুধবার তাদের সুপারিশ প্রধান উপদেষ্টার কাছে জমা দিয়েছে। কমিশন সুপারিশ করেছে, মামলায় ‘অজ্ঞতানামা আসামি’ করার চর্চা বন্ধ করা উচিত। ভুয়া বা গায়েবি মামলায় চার্জশিট দিলে তদন্তকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
কমিশনের মতে, চূড়ান্তভাবে দোষী প্রমাণিত না হলে কোনো ব্যক্তিকে গণমাধ্যমে হাজির করা যাবে না। কমিশন পুলিশ সংস্কারের অংশ হিসেবে আটক, গ্রেপ্তার, তল্লাশি ও জিজ্ঞাসাবাদের বিধি-প্রণালী সংশোধন করার সুপারিশ করেছে। যাতে পুলিশের দুর্নীতি প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা সম্ভব হয়।
এ ছাড়া চাকরিপ্রার্থীদের ক্ষেত্রে এনআইডির স্থায়ী ঠিকানা দিয়ে অনুসন্ধান বাধ্যতামূলক না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পুলিশকে চাকরিপ্রার্থীদের ভেরিফিকেশনে যুক্ত না করার সুপারিশ করা হয়।
তল্লাশির সময় পুলিশ কর্মকর্তা পরিচয় দিতে অস্বীকার করলে বা সার্চ ওয়ারেন্ট না থাকলে জরুরি সার্ভিসে ফোন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। রাতের বেলায় তল্লাশি কার্যক্রমে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, জনপ্রতিনিধি, অথবা সাংবাদিকদের উপস্থিতি নিশ্চিত করার সুপারিশও করা হয়েছে।
কমিশন আরও প্রস্তাব করেছে, যদি ভুয়া বা গায়েবি মামলায় নাগরিকের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দায়ের করা হয়, তবে সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।
ডিআর/এমজে

