ছবি : সংগৃহীত
ইভিএম প্রকল্পের বাস্তব চিত্র দেখতে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অভিযানে ১৬০০ ইভিএমের কোনো হদিস মেলেনি। এছাড়া বাকি মেশিনগুলোও নিম্নমানের ও অকার্যকর অবস্থায় পাওয়া গেছে।
দুদক বলছে- ইভিএমের মাধ্যমে রাষ্ট্রের ৪ হাজার কোটি টাকা নষ্ট করেছে আওয়ামী লীগ সরকার। এই অর্থ অপচয়ে জড়িত ও পরামর্শদাতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
সোমবার ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ দুদক মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন (প্রতিরোধ) এসব তথ্য জানান।
তিনি বলেন, ইভিএম মেশিনগুলো অযত্নে-অবহেলায় পড়ে আছে। যেগুলো বাহ্যিক দৃষ্টিতে কর্মক্ষম বলে মনে হয়নি। যাছাইকালে মেশিনগুলোর যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা গেছে, যাতে এগুলো যে নিম্নমানের মেশিন সেদিকে ইঙ্গিত করে। এ বিষয়ে মামলা করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বিএনপিসহ বিরোধী দলের মত উপেক্ষা করে ২০১৮ সালে ৩ হাজার ৮২৫ কোটি ২৪ লাখ টাকা ব্যয়ে ইভিএম প্রকল্প চালু করে নির্বাচন কমিশন। প্রতিটি মেশিন কিনতে খরচ হয় ২ লাখ ৩৫ হাজার টাকা। জীবনকাল কমপক্ষে ১০ বছর ধরা হলেও নষ্ট হয়ে যায় তার আগেই। রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর ইভিএম মেশিন ব্যবহার না করার ঘোষণা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
এনএমএম/এমআই

