ইজতেমার দ্বিতীয় ধাপের শেষ দিনে বয়ান-মোনাজাত করবেন যারা
বাংলাদেশের প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ২১:২৮
বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্বের দ্বিতীয় ধাপ বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে। এদিন বাদ ফজর থেকে ইজতেমা ময়দানে বয়ান শুরু হবে।
মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারি) শুরায়ী নেজামের মিডিয়া সমন্বয়ক হাবিবুল্লাহ রায়হান শেষ দিনের কর্মসূচির তালিকা প্রকাশ করেছেন।
বুধবার বাদ ফজর ভারতের বেঙ্গালোর ভাই ফারুকের বয়ানের মধ্য দিয়ে দিনের কার্যক্রম শুরু হবে। সকাল সাড়ে ৯টা হেদায়েতি বয়ান শুরু করবেন ভারতের মাওলানা আব্দুর রহমান। আর এই বয়ানে পরে গুরুত্বপূর্ণ নসিহত পেশ করবেন ভারতের মাওলানা ইব্রাহীম দেওলা।
হাবিবুল্লাহ রায়হান বলেন, বুধবার আনুমানিক দুপুর ১২টা থেকে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত আখেরি মোনাজাত পরিচালনা করবেন বাংলাদেশের মাওলানা জুবায়ের সাহেব।
এদিকে আখেরি মোনাজাত উপলক্ষে গণপরিবহন চলাচল স্বাভাবিক রাখা হবে বলে জানিয়েছেন গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) কমিশনার ড. নাজমুল করিম খান।
তিনি বলেন, ‘ইজতেমার প্রথম পর্বে আখেরি মোনাজাতের আগের মধ্যরাত থেকে গণপরিবহন বন্ধ রাখা হয়। এবার আমরা গণপরিবহন চলাচল স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করব। আপনারা অনুগ্রহ করে মোনাজাতের সময় রাস্তায় বসবেন না। ইজতেমা মাঠে অনেক খালি জায়গা থাকে আপনারা একটু সময় নিয়ে মাঠে এসে মোনাজাতে অংশ নিলে রাস্তায় যানজট কম হবে।
দ্বিতীয় ধাপের ইজতেমায় মোট ৪০টি খিত্তায় ঢাকার একাংশসহ ২২টি জেলার মুসল্লিরা অংশ নিয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছেন- ঢাকার যাত্রাবাড়ী, কেরানীগঞ্জ ও মোহাম্মাদপুর এবং মুন্সিগঞ্জ, জামালপুর, মানিকগঞ্জ, জয়পুরহাট, সিলেট, সিরাজগঞ্জ, মেহেরপুর, টাঙ্গাইল, পাবনা, নরসিংদী, কিশোরগঞ্জ, কক্সবাজার, নোয়াখালী, গোপালগঞ্জ, ঝালকাঠি, বরগুনা, মাদারীপুর, শরীয়তপুর,খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি, নওগাঁ ও বান্দরবন জেলার মুসল্লিরা। এ ছাড়া বিদেশি মেহমানদের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে আলাদা তাঁবু।
বুধবার আখেরি মোনাজাতের মধ্যে দিয়ে শেষ হয়ে হবে প্রথম পর্বের দ্বিতীয় ধাপ। এরপর আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে দ্বিতীয় পর্ব শুরু হবে। মাওলানা সাদ কান্ধলভীর অনুসারীরা এ পর্বের ইজতেমায় অংশ নেবেন। তিন দিনব্যাপী এ পর্বের ইজতেমা আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
এর আগে ৩১ জানুয়ারি থেকে ২ ফেব্রুয়ারি ৫৮তম বিশ্ব-ইজতেমার প্রথম ধাপ সম্পন্ন করে বাংলাদেশ তাবলীগ জামাত শুরায়ে নেজামের অধীনে জুবায়েরপন্থিরা। প্রথম ধাপে ৪১ জেলার মুসল্লিরা অংশ নেন।
এমএ/ওএফ

