Logo

জাতীয়

শেখ তন্ময়সহ ৩৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা

Icon

বাগেরহাট প্রতিনিধি

প্রকাশ: ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১১:৪২

অ
শেখ তন্ময়সহ ৩৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা

বাগেরহাটের ফকিরহাটে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে গুলি ও বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতাসহ ৩৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। মামলায় বাগেরহাট-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শেখ হেলাল উদ্দিন, বাগেরহাট-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শেখ তন্ময়, বাগেরহাটের সাবেক পুলিশ সুপার আবুল হাসনাত খানসহ জেলা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের শীর্ষ ৩৫  নেতাদের আসামি করা হয়েছে।

শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) রফিকুল ইসলাম মিঠু নামের এক ব্যক্তি বাদী হয়ে ফকিরহাট থানায় এ মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় বাগেরহাটের সাবেক পুলিশ সুপার আবুল হাসনাত খানকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

এজাহারে বলা হয়েছে, ৪ আগস্ট ফকিরহাট উপজেলার কাটাখালি গোলচত্বর এলাকায় ছাত্র-জনতার ন্যায্য আন্দোলন নস্যাৎ করতে আসামিরা গুলি চালায়, বোমা বিস্ফোরণ ঘটায় এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ধ্বংস করে। এছাড়াও বাগেরহাটের সাবেক পুলিশ সুপার আবুল হাসনাত খান উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে উদ্বুদ্ধ করেছেন।

মামলায় আরও উল্লেখ করা হয়, ৩৫ জন আসামির মধ্যে বেশ কয়েকজন ইতোমধ্যে বিভিন্ন মামলায় কারাগারে রয়েছেন। তাদেরও এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

মামলার অন্যান্য আসামিরা হলেন- বাগেরহাট-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মীর শওকত আলী বাদশা, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ কামরুজ্জামান টুকু, সাধারণ সম্পাদক ভুইয়া হেমায়েত উদ্দিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাগেরহাট পৌরসভার মেয়র খান হাবিবুর রহমান, বাগেরহাট সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান যুবলীগ নেতা সরদার নাসির উদ্দিন, শেখ হেলাল উদ্দিনের একান্ত সচিব ফিরোজুল ইসলাম জোমাদ্দার, ফকিরহাট উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি স্বপন কুমার দাস, আওয়ামী লীগ নেতা আবুল কালাম আজাদ ওরফে সাহেব মল্লিক, ফকিরহাট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান যুবলীগ নেতা ওয়াহিদুর রহমান বাবু, আওয়ামী লীগ নেতা ইমরুল হাসান।

এছাড়া সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি শিপন মিনা, জেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি রেজাউর রহমান মন্টু, সাধারণ সম্পাদক খান আবু বক্কর সিদ্দিক, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বসিরুল ইসলাম, অওয়ামী লীগ নেতা শামীম আহসান, মহিতুর রহমান পল্টন, সৈয়দ বাদশা হোসেন, দুলাল আকন, আব্দুল কাদের সরদার, হুমায়ুন কবির পলি, সুমন রাহি, মো. ফারুক হোসেন বাদল, দোলন মোল্লা, মমিনুল হক আকাশ, জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মীর জায়েসী আশরাফী জেমস, বাগেরহাট জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নাহিয়ান সুলতান ওশান, কচুয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মেহেদী হাসান বাবু, সাবেক চেয়ারম্যান নাজমা সারোয়ার, আওয়ামী লীগ নেতা লিয়াকত হোসেন লিটন, ফারুক তালুকদার, নকিব নজিবুল হক নজু।

ফকিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম আলমগীর কবির বলেন, ছাত্র-জনতার আন্দোলনে গুলিবর্ষণ, বোমা বিস্ফোরণ, স্থাপনা ধ্বংসসহ কয়েকটি অভিযোগে ৩৫ জনের নামে মামলা হয়েছে। এ মামলায় সাবেক পুলিশ সুপার আবুল হাসনাত খানকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

এছাড়াও মামলায় অন্তর্ভুক্ত কয়েকজন আসামি ইতোমধ্যে বিভিন্ন মামলায় কারাগারে রয়েছেন। তদন্তের স্বার্থে তাদেরও এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হবে বলে জানান তিনি।

শেখ আবু তালেব/এমবি 

Logo
সম্পাদক ও প্রকাশক মোস্তফা কামাল মহীউদ্দীন